
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকেই হরমুজ প্রণালির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বা তাদের মিত্র দেশগুলোর জন্য এই প্রণালির দরজা বন্ধই থাকবে।
এ অবস্থায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলো চলাচল স্বাভাবিক রাখা ও এর মাধ্যমে বৈশ্বিক তেলের সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে নড়েচড়ে বসেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মিত্র দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন, তারা যেন হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠায় ইরানের হামলা প্রতিরোধ করতে। ন্যাটোকেও এগিয়ে আসতে বলেছিলেন।
ট্রাম্পের এ আহ্বানে সাড়া মেলেনি একেবারেই। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, থেকে শুরু করে জাপান বা দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলোর কেউই খুব একটা উৎসাহ দেখাননি ট্রাম্পের প্রস্তাবে। এমনকি ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত চীনের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানালে তারাও মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে।
ট্রাম্প গত শনিবার ব্রিটেন, চীন, ফ্রান্স, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ অন্যান্য দেশকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পাঠানোর অনুরোধ করেন। পরে তিনি সতর্ক করে বলেন, জাহাজ চলাচল নিরাপদ করতে ব্যর্থ হলে তা ন্যাটোর ভবিষ্যতের জন্য ‘খুবই খারাপ’ হবে। ট্রাম্পের এ আহ্বানে কোন দেশ কী প্রতিক্রিয়া দিয়েছে, দেখে নেওয়া যাক একনজরে।
প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার জানিয়েছেন, তারা মিত্রদের সঙ্গে একটি ‘কার্যকর পরিকল্পনা’ নিয়ে কাজ করছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এটি ন্যাটোর কোনো অভিযান হবে না।
জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস ট্রাম্পের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন স্পষ্ট ভাষায়। বলেছেন, এটি আমাদের যুদ্ধ নয়, আমরা এটি শুরু করিনি। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলা করার আগে আমাদের সঙ্গে কথা বলেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হলেও দক্ষিণ কোরিয়াও হরমুজ প্রণালিতে অভিযান বা নৌ বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে উৎসাহ দেখায়নি। দেশটি জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ‘নিবিড় যোগাযোগ’ রাখবে এবং বিষয়টি ‘গভীরভাবে পর্যালোচনা’র পর সিদ্ধান্ত নেবে।
ট্রাম্পের আহ্বানের জবাবে জাপানি প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি সংসদে জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা সেখানে কোনো নৌ নিরাপত্তা অভিযান চালানোর কথা ভাবছেনই না।
যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ন্যাটোরও মিত্র দেশ হিসেবে পরিচিত অস্ট্রেলিয়া। দেশটির মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাথরিন কিং হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর বিষয়টি সরাসরিই নাকচ করে দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বিরূপ হলেও ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত চীনের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছিলেন, তারা যেন হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিষয়ে এগিয়ে আসে।
ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র ট্রাম্পের অনুরোধ গ্রহণ করবেন কি না সে বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা সব পক্ষেরই দায়িত্ব।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকেই হরমুজ প্রণালির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বা তাদের মিত্র দেশগুলোর জন্য এই প্রণালির দরজা বন্ধই থাকবে।
এ অবস্থায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলো চলাচল স্বাভাবিক রাখা ও এর মাধ্যমে বৈশ্বিক তেলের সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে নড়েচড়ে বসেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মিত্র দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন, তারা যেন হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠায় ইরানের হামলা প্রতিরোধ করতে। ন্যাটোকেও এগিয়ে আসতে বলেছিলেন।
ট্রাম্পের এ আহ্বানে সাড়া মেলেনি একেবারেই। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, থেকে শুরু করে জাপান বা দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলোর কেউই খুব একটা উৎসাহ দেখাননি ট্রাম্পের প্রস্তাবে। এমনকি ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত চীনের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানালে তারাও মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে।
ট্রাম্প গত শনিবার ব্রিটেন, চীন, ফ্রান্স, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ অন্যান্য দেশকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পাঠানোর অনুরোধ করেন। পরে তিনি সতর্ক করে বলেন, জাহাজ চলাচল নিরাপদ করতে ব্যর্থ হলে তা ন্যাটোর ভবিষ্যতের জন্য ‘খুবই খারাপ’ হবে। ট্রাম্পের এ আহ্বানে কোন দেশ কী প্রতিক্রিয়া দিয়েছে, দেখে নেওয়া যাক একনজরে।
প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার জানিয়েছেন, তারা মিত্রদের সঙ্গে একটি ‘কার্যকর পরিকল্পনা’ নিয়ে কাজ করছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এটি ন্যাটোর কোনো অভিযান হবে না।
জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস ট্রাম্পের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন স্পষ্ট ভাষায়। বলেছেন, এটি আমাদের যুদ্ধ নয়, আমরা এটি শুরু করিনি। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলা করার আগে আমাদের সঙ্গে কথা বলেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হলেও দক্ষিণ কোরিয়াও হরমুজ প্রণালিতে অভিযান বা নৌ বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে উৎসাহ দেখায়নি। দেশটি জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ‘নিবিড় যোগাযোগ’ রাখবে এবং বিষয়টি ‘গভীরভাবে পর্যালোচনা’র পর সিদ্ধান্ত নেবে।
ট্রাম্পের আহ্বানের জবাবে জাপানি প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি সংসদে জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা সেখানে কোনো নৌ নিরাপত্তা অভিযান চালানোর কথা ভাবছেনই না।
যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ন্যাটোরও মিত্র দেশ হিসেবে পরিচিত অস্ট্রেলিয়া। দেশটির মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাথরিন কিং হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর বিষয়টি সরাসরিই নাকচ করে দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বিরূপ হলেও ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত চীনের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছিলেন, তারা যেন হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিষয়ে এগিয়ে আসে।
ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র ট্রাম্পের অনুরোধ গ্রহণ করবেন কি না সে বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা সব পক্ষেরই দায়িত্ব।

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের সাম্প্রতিক আফ্রিকার দেশ কিংডম অব ইসওয়াতিনি (সাবেক বতসোয়ানা) সফর ঘিরেও ফের চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাইকে ‘ইঁদুর’ আখ্যা দিয়ে এ সফরের নিন্দা জানিয়েছে চীন। জবাবে তাইওয়ানের পক্ষ থেকেও চীনকে ‘মাছের ব্যাপারী’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরুর পর তেহরান গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান এই রুটটি বন্ধ হওয়ার পর গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ ঘোষণা করে। পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই ব্যর্থ হওয়ার পর এই কঠোর
১৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র শুরুতে দুই মাসের সময়সীমা দিয়ে সাময়িক যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছিল। তবে ইরান সেই প্রস্তাবে দ্বিমত পোষণ করে জানিয়েছে, উদ্ভূত সমস্যাগুলো ৩০ দিনের মধ্যেই সমাধান করতে হবে। তেহরান কেবল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নয়, বরং স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
আইসিজের এ সংক্রান্ত বিষয়ে রায়ের কথাও উল্লেখ করেন জাতিসংঘে এই বিশেষ দূত। সে রায় অগ্রাহ্য করে ইউর্যপের দেশগুলো যেভাবে ইসরায়েলকে সহায়তা করে যাচ্ছে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, সেটিকেই ‘ইসরায়েলিকরণ’ আখ্যা দেন তিনি।
১৫ ঘণ্টা আগে