
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইসরায়েলে ইরানের হামলা অব্যাহত থাকবে বলে দাবি করেছেন দেশটির সামরিক বাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তার বরাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফারস জানিয়েছে, “গতরাতের সীমিত পদক্ষেপের মধ্যেই এই সংঘাত শেষ হবে না। আগ্রাসনকারীদের জন্য এই হামলা হবে যন্ত্রণাদায়ক ও অনুশোচনামূলক।” খবর আল-জাজিরা ও বিবিসির।
ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরান আগামীতে এই অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতেও পাল্টা হামলা চালাবে।
শুক্রবার (১৩ জুন) ভোরে ইসরায়েল তাদের দীর্ঘদিনের প্রতিপক্ষ ইরানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় বিমান হামলা চালায়। একের পর এক বিমান হামলায় প্রথমে ইরানের সামরিক নেতৃত্ব ও গোয়েন্দা কাঠামোতে আঘাত করে।
এরপর ধারাবাহিক হামলায় ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং শেষে দেশটির বৃহত্তম ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র নাতানজে হামলা চালানো হয়। হামলায় ইরানের শীর্ষ তিন সামরিক কর্মকর্তা ও ৬জন পরমাণু বিজ্ঞানীসহ অন্তত ৭৮ জন নিহত ও ৩২৯ জন আহত হয়েছেন।
এরপর পাল্টা হামলা চালায় ইরান। এতে, এখন পর্যন্ত ৩ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলছে, তারা এখনও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোকে নিশানা করে হামলা চালাচ্ছে। এমনকি তারা ইরানের ভূমি থেকে ভূমিতে ও ভূমি থেকে আকাশে হামলার ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে।
এদিকে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তাদের বিমান বাহিনী ইরানে লক্ষ্যবস্তুতে আবারও হামলা চালাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
এর কিছু আগে সংস্থাটির চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল আইয়াল জামির এবং ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল তোমার বার একটি যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘সর্বাত্মকভাবে ইরানের পথে এগিয়ে যাওয়ার ভিত্তি তৈরি হয়ে গেছে।’
তারা আরও জানান, “বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলো পরিকল্পনা অনুযায়ী তেহরানে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরু করবে।”

ইসরায়েলে ইরানের হামলা অব্যাহত থাকবে বলে দাবি করেছেন দেশটির সামরিক বাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তার বরাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফারস জানিয়েছে, “গতরাতের সীমিত পদক্ষেপের মধ্যেই এই সংঘাত শেষ হবে না। আগ্রাসনকারীদের জন্য এই হামলা হবে যন্ত্রণাদায়ক ও অনুশোচনামূলক।” খবর আল-জাজিরা ও বিবিসির।
ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরান আগামীতে এই অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতেও পাল্টা হামলা চালাবে।
শুক্রবার (১৩ জুন) ভোরে ইসরায়েল তাদের দীর্ঘদিনের প্রতিপক্ষ ইরানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় বিমান হামলা চালায়। একের পর এক বিমান হামলায় প্রথমে ইরানের সামরিক নেতৃত্ব ও গোয়েন্দা কাঠামোতে আঘাত করে।
এরপর ধারাবাহিক হামলায় ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং শেষে দেশটির বৃহত্তম ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র নাতানজে হামলা চালানো হয়। হামলায় ইরানের শীর্ষ তিন সামরিক কর্মকর্তা ও ৬জন পরমাণু বিজ্ঞানীসহ অন্তত ৭৮ জন নিহত ও ৩২৯ জন আহত হয়েছেন।
এরপর পাল্টা হামলা চালায় ইরান। এতে, এখন পর্যন্ত ৩ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলছে, তারা এখনও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোকে নিশানা করে হামলা চালাচ্ছে। এমনকি তারা ইরানের ভূমি থেকে ভূমিতে ও ভূমি থেকে আকাশে হামলার ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে।
এদিকে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তাদের বিমান বাহিনী ইরানে লক্ষ্যবস্তুতে আবারও হামলা চালাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
এর কিছু আগে সংস্থাটির চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল আইয়াল জামির এবং ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল তোমার বার একটি যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘সর্বাত্মকভাবে ইরানের পথে এগিয়ে যাওয়ার ভিত্তি তৈরি হয়ে গেছে।’
তারা আরও জানান, “বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলো পরিকল্পনা অনুযায়ী তেহরানে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরু করবে।”

আলজাজিরা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সূত্রটি জানিয়েছে, গতকাল রাতে নিখোঁজ বিমানের ক্রুকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এরপর তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু হয়। কিন্তু তখন ব্যাপক বাধার মুখেও পড়তে হয় তাদের।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম প্রধান রুট হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ট্রাম্পের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। ট্রাম্পকে ‘ভারসাম্যহীন’ বলে উল্লেখ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড। উলটো দেশটির এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য তাদের পক্ষ থ
১৮ ঘণ্টা আগে
আলজাজিরা খবরে বলা হয়, রাশিয়ার বিভিন্ন হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনে অন্তত ১৫ জন নিহত এবং আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা। একই সময়ে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে ইস্তাম্বুলে বৈঠক করেছেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৪ এপ্রিল) ট্রাম্প নতুন এ আলটিমেটাম দেন ইরানকে। দুই দিন সময় বেঁধে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরানের হাতে আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা সময় আছে। এই সময়ের মধ্যে তারা সিদ্ধান্ত না নিলে তাদের ওপর ‘ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ’ বা ‘জাহান্নাম’ নেমে আসবে।
১৮ ঘণ্টা আগে