
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নতুন করে আরও একবার ইরানকে আলটিমেটাম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার তিনি ইরানকে সময় দিয়েছেন ৪৮ ঘণ্টা। বলেছেন, এর মধ্যে যদি ইরান কোনো ‘চুক্তি’ না করে কিংবা হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তাহলে ইরানের ওপর ‘দোজখের আগুন’ নামিয়ে আনা হবে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) ট্রাম্প নতুন এ আলটিমেটাম দেন ইরানকে। দুই দিন সময় বেঁধে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরানের হাতে আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা সময় আছে। এই সময়ের মধ্যে তারা সিদ্ধান্ত না নিলে তাদের ওপর ‘ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ’ বা ‘জাহান্নাম’ নেমে আসবে।
বিবিসি ও আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই দফায় দফায় ইরানকে আলটিমেটাম দিয়ে আসছেন ট্রাম্প। যুদ্ধ শুরুর তিন সপ্তাহ পর ২১ মার্চ ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ইরান যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে না দেয়, তবে তিনি দেশটির বড় বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থাপনা ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেবেন।
একদিনের বিরতি দিয়ে ২৩ মার্চ ট্রাম্পের সুর কিছুটা বদলে যায়। এবার তিনি কিছুটা নরম সুরে বলেন, দুই দেশের মধ্যে ‘খুব ভালো ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে জ্বালানি অবকাঠামোতে যেকোনো ধরনের সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করার ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
ইরানের পক্ষ থেকে অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনার তথ্য অস্বীকার করা হয়। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। যোগাযোগ হয়েছেও, তবে সেটাকে কোনো ধরনের আলোচনা বলার সুযোগ নেই।
দ্বিপাক্ষিক আলোচনা নিয়ে এমন পালটাপালটি দাবির মধ্যেই ২৭ মার্চ ১০ দিনের একটি আলটিমেটাম দেন ট্রাম্প। এবারও তিনি ইরানের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গই টেনে আনেন।
ট্রাম্প বলেন, ইরান সরকারের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি তাদের জ্বালানি কেন্দ্রগুলোতে হামলা আরও ১০ দিনের জন্য স্থগিত রাখছেন। এর মধ্যে ইরান চুক্তিতে না এলে তাদের ‘ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে।
ট্রাম্পের এ আলটিমেটামের সময়সীমা দাঁড়ায় ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। শনিবারের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামটির সময়সীমাও দাঁড়ায় ওই ৬ এপ্রিল পর্যন্তই। তাই ধারণা করা হচ্ছে, ২৭ মার্চের আলটিমেটামটিই নতুন করে চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

নতুন করে আরও একবার ইরানকে আলটিমেটাম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার তিনি ইরানকে সময় দিয়েছেন ৪৮ ঘণ্টা। বলেছেন, এর মধ্যে যদি ইরান কোনো ‘চুক্তি’ না করে কিংবা হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তাহলে ইরানের ওপর ‘দোজখের আগুন’ নামিয়ে আনা হবে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) ট্রাম্প নতুন এ আলটিমেটাম দেন ইরানকে। দুই দিন সময় বেঁধে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরানের হাতে আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা সময় আছে। এই সময়ের মধ্যে তারা সিদ্ধান্ত না নিলে তাদের ওপর ‘ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ’ বা ‘জাহান্নাম’ নেমে আসবে।
বিবিসি ও আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই দফায় দফায় ইরানকে আলটিমেটাম দিয়ে আসছেন ট্রাম্প। যুদ্ধ শুরুর তিন সপ্তাহ পর ২১ মার্চ ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ইরান যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে না দেয়, তবে তিনি দেশটির বড় বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থাপনা ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেবেন।
একদিনের বিরতি দিয়ে ২৩ মার্চ ট্রাম্পের সুর কিছুটা বদলে যায়। এবার তিনি কিছুটা নরম সুরে বলেন, দুই দেশের মধ্যে ‘খুব ভালো ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে জ্বালানি অবকাঠামোতে যেকোনো ধরনের সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করার ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
ইরানের পক্ষ থেকে অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনার তথ্য অস্বীকার করা হয়। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। যোগাযোগ হয়েছেও, তবে সেটাকে কোনো ধরনের আলোচনা বলার সুযোগ নেই।
দ্বিপাক্ষিক আলোচনা নিয়ে এমন পালটাপালটি দাবির মধ্যেই ২৭ মার্চ ১০ দিনের একটি আলটিমেটাম দেন ট্রাম্প। এবারও তিনি ইরানের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গই টেনে আনেন।
ট্রাম্প বলেন, ইরান সরকারের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি তাদের জ্বালানি কেন্দ্রগুলোতে হামলা আরও ১০ দিনের জন্য স্থগিত রাখছেন। এর মধ্যে ইরান চুক্তিতে না এলে তাদের ‘ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে।
ট্রাম্পের এ আলটিমেটামের সময়সীমা দাঁড়ায় ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। শনিবারের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামটির সময়সীমাও দাঁড়ায় ওই ৬ এপ্রিল পর্যন্তই। তাই ধারণা করা হচ্ছে, ২৭ মার্চের আলটিমেটামটিই নতুন করে চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

কর্ণাটকের কোপ্পাল জেলার কুকনুর শহরে বক্তব্য দেওয়ার সময় রায়ারেড্ডি ইসলামকে একটি মহান ও অত্যন্ত মানবিক ধর্ম হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ইসলাম বিজ্ঞানভিত্তিক এবং মানুষকে কীভাবে জীবনযাপন করতে হয়, তা শেখায়।
১ দিন আগে
সৌদি আরবের তায়েফে এক সৌদি তরুণের গুলিতে মো. কামরুল জামান (৩৭) নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত হয়েছেন। পরে নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন ওই সৌদি তরুণ। স্থানীয় সময় রোববার (৩০ আগস্ট) ভোরে তায়েফের হাওয়াইয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
তবে টানেলের ভেতর থেকে এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। টানেলে ঠিক কতজন আটকে আছেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। নেপালি সেনাবাহিনীর প্রযুক্তিগত মূল্যায়নে অন্তত ৩৫ জন সেখানে আটকে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে নেপাল পুলিশের হিসাবে সংখ্যাটি প্রায় ২০০ হতে পারে।
১ দিন আগে
সেই ধারণা থেকেই শুরু হয় তল্লাশি। নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তা সঞ্জু খাত্রির নেতৃত্বে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ সরাতে শুরু করেন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় মনীষাকে। তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে, মা-বাবার কাছে। এ সময় এক আবেগঘন দৃশ্য তৈরি হয়।
২ দিন আগে