
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চাঁদ দেখে নয়, জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব মেনে চলতি হিজরি বর্ষপঞ্জির শেষ মাস জিলহজ ও ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করেছে কাতার। দেশটি বলছে, আগামী ১৮ মে শুরু হবে জিলহজ মাস। সে অনুযায়ী দেশটিতে ঈদুল আজহা উদ্যাপন করা হবে আগামী ২৭ মে।
কাতার নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, কাতার ক্যালেন্ডার হাউজ এ সময়সূচি ঘোষণা করেছে। কাতারের শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠান দেশটির হিজরি বর্ষপঞ্জি প্রণয়ন করে থাকে।
খবরে বলা হয়েছে, কাতার ক্যালেন্ডার হাউজের নির্বাহী পরিচালক ড. ফয়সাল আল-আনসারি জানিয়েছেন, জিলহজ মাসের চাঁদ পর্যবেক্ষণের দিন আগামী শনিবার (১৬ মে) রাতে দোহা সময় রাত ১১টা ২ মিনিটে (গ্রিনিচ মান সময় রাত ৮টা ২ মিনিটে) নতুন চাঁদের জন্ম হবে। সূর্যাস্তের সময় চাঁদের জন্ম না হওয়ায় সেদিন কাতারসহ আরব ও ইসলামি বিশ্বের কোথাও খালি চোখে চাঁদ দেখা সম্ভব হবে না।
আল-আনসারি বলেন, জ্যোতির্বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে চাঁদের পৃথিবীকে কেন্দ্র করে আবর্তনের মাধ্যমেই হিজরি মাসের শুরু ও শেষ নির্ধারিত হয়। ১৬ মে চাঁদ দেখা সম্ভব না হওয়ায় ১৭ মে সন্ধ্যায় জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাবে। সে হিসাব অনুযায়ী ১৮ মে থেকে নতুন হিজরি মাস জিলহজ শুরু হবে।
হিজরি বর্ষপঞ্জির জিলহজ মাসটি নানা দিক থেকেই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ মাসের ৯ তারিখে শুরু হয় মুসলিমদের পাঁচটি ফরজের অন্যতম হজের আনুষ্ঠানিকতা। পরদিন ১০ জিলহজ পালন করা হয় ঈদুল আজহা, যা মুসলিমদের সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসবের একটি। গোটা মুসলিম বিশ্বেই মহাসমারোহে ঈদুল আজহা উদ্যাপন করা হয়।
এই ঈদের তাৎপর্য ত্যাগ ও কোরবানির মহিমায়। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে হজরত ইব্রাহিম (আ.) যে আত্মত্যাগের নজির রেখেছিলেন, তার স্মরণেই এই ঈদে মুসলিমরা পশু কুরবানি দেন। একই সঙ্গে এ উৎসব সাম্য, সহমর্মিতা ও দরিদ্রদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগির বার্তাও বহন করে।
বাংলাদেশেও সবচেয়ে বড় উৎসবগুলোর একটি ঈদুল আজহা। আগামী ১৮ মে দেশের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সে দিন চাঁদ দেখা গেলে ১৯ মে শুরু হবে জিলহজ মাস। সে হিসাবে আগামী ২৮ মে ঈদুল আজহা উদ্যাপন করা হবে।
এদিকে বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের পরদিন চাঁদ দেখা যায় বা হিজরি মাস শুরু হয়। সে হিসাবেও কাতারে ১৮ মে জিলহজ মাস শুরু হলে বাংলাদেশে ১৯ মে তা শুরু হওয়ার কথা। তবে চূড়ান্ত ঘোষণা জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক থেকেই আসবে।

চাঁদ দেখে নয়, জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব মেনে চলতি হিজরি বর্ষপঞ্জির শেষ মাস জিলহজ ও ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করেছে কাতার। দেশটি বলছে, আগামী ১৮ মে শুরু হবে জিলহজ মাস। সে অনুযায়ী দেশটিতে ঈদুল আজহা উদ্যাপন করা হবে আগামী ২৭ মে।
কাতার নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, কাতার ক্যালেন্ডার হাউজ এ সময়সূচি ঘোষণা করেছে। কাতারের শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠান দেশটির হিজরি বর্ষপঞ্জি প্রণয়ন করে থাকে।
খবরে বলা হয়েছে, কাতার ক্যালেন্ডার হাউজের নির্বাহী পরিচালক ড. ফয়সাল আল-আনসারি জানিয়েছেন, জিলহজ মাসের চাঁদ পর্যবেক্ষণের দিন আগামী শনিবার (১৬ মে) রাতে দোহা সময় রাত ১১টা ২ মিনিটে (গ্রিনিচ মান সময় রাত ৮টা ২ মিনিটে) নতুন চাঁদের জন্ম হবে। সূর্যাস্তের সময় চাঁদের জন্ম না হওয়ায় সেদিন কাতারসহ আরব ও ইসলামি বিশ্বের কোথাও খালি চোখে চাঁদ দেখা সম্ভব হবে না।
আল-আনসারি বলেন, জ্যোতির্বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে চাঁদের পৃথিবীকে কেন্দ্র করে আবর্তনের মাধ্যমেই হিজরি মাসের শুরু ও শেষ নির্ধারিত হয়। ১৬ মে চাঁদ দেখা সম্ভব না হওয়ায় ১৭ মে সন্ধ্যায় জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাবে। সে হিসাব অনুযায়ী ১৮ মে থেকে নতুন হিজরি মাস জিলহজ শুরু হবে।
হিজরি বর্ষপঞ্জির জিলহজ মাসটি নানা দিক থেকেই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ মাসের ৯ তারিখে শুরু হয় মুসলিমদের পাঁচটি ফরজের অন্যতম হজের আনুষ্ঠানিকতা। পরদিন ১০ জিলহজ পালন করা হয় ঈদুল আজহা, যা মুসলিমদের সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসবের একটি। গোটা মুসলিম বিশ্বেই মহাসমারোহে ঈদুল আজহা উদ্যাপন করা হয়।
এই ঈদের তাৎপর্য ত্যাগ ও কোরবানির মহিমায়। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে হজরত ইব্রাহিম (আ.) যে আত্মত্যাগের নজির রেখেছিলেন, তার স্মরণেই এই ঈদে মুসলিমরা পশু কুরবানি দেন। একই সঙ্গে এ উৎসব সাম্য, সহমর্মিতা ও দরিদ্রদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগির বার্তাও বহন করে।
বাংলাদেশেও সবচেয়ে বড় উৎসবগুলোর একটি ঈদুল আজহা। আগামী ১৮ মে দেশের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সে দিন চাঁদ দেখা গেলে ১৯ মে শুরু হবে জিলহজ মাস। সে হিসাবে আগামী ২৮ মে ঈদুল আজহা উদ্যাপন করা হবে।
এদিকে বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের পরদিন চাঁদ দেখা যায় বা হিজরি মাস শুরু হয়। সে হিসাবেও কাতারে ১৮ মে জিলহজ মাস শুরু হলে বাংলাদেশে ১৯ মে তা শুরু হওয়ার কথা। তবে চূড়ান্ত ঘোষণা জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক থেকেই আসবে।

ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ওয়াটসন ইনস্টিটিউটের ‘কস্ট অব ওয়ার’ প্রকল্পের হিসাবে, ২০০১ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পরিচালিত যুদ্ধ ও সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা কর্মকাণ্ডে ২০২১ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মোট ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় আট ট্রিলিয়ন ডলারে। এর মধ্যে আফগানিস্তান-পাকিস্তান যুদ্ধাঞ্চলের ব্যয়ই ছিল প্রায় ২.৩ ট্র
৬ ঘণ্টা আগে
দুই ইরানি ঊর্ধ্বতন সূত্রসহ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত অন্য ব্যক্তিরা রয়টার্সকে বলেন, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরান চীন থেকে ওষুধ, যানবাহন ও যোগাযোগ সরঞ্জাম কিনেছে। গত এক বছরে অন্তত একবার কয়েক মিলিয়ন ডলার মূল্যের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সরবরাহসংক্রান্ত চুক্তিতেও এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ইসলামাবাদে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান এ কথা বলেন। তিনি জানান, তিন দেশের মধ্যে নিয়মিত বৈঠক, পরামর্শ ও যোগাযোগ চলছে। তবে এই মুহূর্তে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্প্রসারণ বা নতুন সদস্য নেওয়ার কোনো আলোচনা নেই।
১৯ ঘণ্টা আগে
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মক্কা চুক্তির আওতায় পাকিস্তান কীভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে— এমন প্রশ্নের জবাবে সাজ্জাদ হায়দার বলেন, ‘এ মুহূর্তে এমন কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে না। সময় এলে আমরা চুক্তির আওতায় পদক্ষেপ নেব।’
২০ ঘণ্টা আগে