
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সৌদি আরবে হুতিদের হামলার জবাবে মক্কা চুক্তির আওতায় পাকিস্তানের পক্ষ থেকে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। তবে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান বলেছেন, চুক্তির আওতায় তারা ‘যথাসময়ে’ পদক্ষেপ নেবে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মক্কা চুক্তির আওতায় পাকিস্তান কীভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে— এমন প্রশ্নের জবাবে সাজ্জাদ হায়দার বলেন, ‘এ মুহূর্তে এমন কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে না। সময় এলে আমরা চুক্তির আওতায় পদক্ষেপ নেব।’
গত মাসে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই হয়। চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এ ছাড়া ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাত নিরসনের প্রচেষ্টায় অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দেশ তিনটি।
ইরান-সমর্থিত হুতিরা চলতি সপ্তাহে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালানোর পর মক্কা চুক্তি নিয়ে এই প্রশ্ন ওঠে। বৃহস্পতিবারের মধ্যে এসব হামলা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের দ্বিতীয় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। হুতিরা সৌদি আরবে হামলা জোরদার করার পর ইরানকে তাদের মিত্র হুতিদের নিয়ন্ত্রণে রাখার আহ্বানও জানিয়েছে পাকিস্তান।
এদিকে হুতি যোদ্ধারা বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোখা ‘দখলে নিয়েছে’ বলে দেশটির সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে নতুন করে বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছে। মোখা দখলের মধ্য দিয়ে লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তের বাব এল-মান্দেব প্রণালির ওপর হুতিদের প্রভাব আরও বেড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতেও মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। দেশটি সৌদি আরবে হুতিদের হামলার নিন্দা জানিয়েছে। তবে প্রতিরক্ষা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এসব হামলার জবাবে পাকিস্তান কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে, সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেয়নি।
সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মক্কা জোটের পরিসর বাড়ানোরও কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন সাজ্জাদ হায়দার খান। আঞ্চলিক অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র যখন হিমশিম খাচ্ছে, তখন মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহেও বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।

সৌদি আরবে হুতিদের হামলার জবাবে মক্কা চুক্তির আওতায় পাকিস্তানের পক্ষ থেকে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। তবে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান বলেছেন, চুক্তির আওতায় তারা ‘যথাসময়ে’ পদক্ষেপ নেবে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মক্কা চুক্তির আওতায় পাকিস্তান কীভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে— এমন প্রশ্নের জবাবে সাজ্জাদ হায়দার বলেন, ‘এ মুহূর্তে এমন কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে না। সময় এলে আমরা চুক্তির আওতায় পদক্ষেপ নেব।’
গত মাসে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই হয়। চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এ ছাড়া ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাত নিরসনের প্রচেষ্টায় অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দেশ তিনটি।
ইরান-সমর্থিত হুতিরা চলতি সপ্তাহে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালানোর পর মক্কা চুক্তি নিয়ে এই প্রশ্ন ওঠে। বৃহস্পতিবারের মধ্যে এসব হামলা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের দ্বিতীয় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। হুতিরা সৌদি আরবে হামলা জোরদার করার পর ইরানকে তাদের মিত্র হুতিদের নিয়ন্ত্রণে রাখার আহ্বানও জানিয়েছে পাকিস্তান।
এদিকে হুতি যোদ্ধারা বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোখা ‘দখলে নিয়েছে’ বলে দেশটির সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে নতুন করে বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছে। মোখা দখলের মধ্য দিয়ে লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তের বাব এল-মান্দেব প্রণালির ওপর হুতিদের প্রভাব আরও বেড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতেও মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। দেশটি সৌদি আরবে হুতিদের হামলার নিন্দা জানিয়েছে। তবে প্রতিরক্ষা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এসব হামলার জবাবে পাকিস্তান কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে, সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেয়নি।
সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মক্কা জোটের পরিসর বাড়ানোরও কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন সাজ্জাদ হায়দার খান। আঞ্চলিক অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র যখন হিমশিম খাচ্ছে, তখন মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহেও বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।

আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।
৭ ঘণ্টা আগে
কোস্টগার্ডের ক্যাপ্টেন নোয়েমি কায়াবিয়াব ফেরিতে থাকা মোট আরোহীর সংখ্যা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই উদ্ধার কাজ জোরদার করা হয়েছে। কোড়ন এলাকাটি স্বচ্ছ নীল পানি ও প্রবাল প্রাচীরের জন্য বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায়, নিখোঁজদের মধ্যে দেশি-বিদেশি পর্যটক থাকতে পারেন বলে ধারণা ক
১০ ঘণ্টা আগে
বিস্ফোরণের খবর পেয়েই দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সিভিল ডিফেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের একাধিক উদ্ধারকারী ইউনিট। তবে ভেতরের গোলাবারুদে একের পর এক সেকেন্ডারি বিস্ফোরণ ঘটতে থাকায় আগুন নেভানোর কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে এলাকাটি থেকে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী বের হতে দেখা যায়। কর্তৃপক্ষ
১১ ঘণ্টা আগে
দুই পক্ষের এসব হামলার পর গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের আশপাশের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে জ্বালানি বাজারে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত ব্রেন্ট তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা গত জুলাইয়ের পর প্রথমবার।
১ দিন আগে