
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে সরাসরি ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে ইরান। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের একের পর এক দাবির প্রতিক্রিয়ায় সব দাবিই ‘ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে তেহরান।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এসব বক্তব্য বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন। তার ভাষায়, ‘মিথ্যার আশ্রয়ে তারা যুদ্ধে জিততে পারেনি, আলোচনাতেও সফল হবে না।’ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে ‘প্রচারভিত্তিক কৌশল’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
হরমুজ প্রণালী প্রসঙ্গে তিনি কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, অবরোধ বা চাপ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালী স্বাভাবিকভাবে খোলা রাখা হবে না। এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল নির্ধারিত রুট এবং ইরানের অনুমতির ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে বলে জানান তিনি।
কালিবাফ আরও বলেন, প্রণালী খোলা বা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা রাজনৈতিক বক্তব্যে নয়, বরং মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে নেওয়া হবে। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘মিডিয়া যুদ্ধ’ এবং জনমত প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা বাড়ছে, তবে ইরানের জনগণ এসব কৌশলে বিভ্রান্ত হবে না।
এছাড়া তিনি ইঙ্গিত দেন, দেশের কৌশলগত সম্পদ—বিশেষ করে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম—অন্য কোথাও স্থানান্তরের কোনো পরিকল্পনা নেই। ইরান তার জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় নিজস্ব অবস্থানেই অটল থাকবে বলেও জানান তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে, বিশেষ করে বৈশ্বিক মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহ ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা ইস্যুতে।

ইরান নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে সরাসরি ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে ইরান। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের একের পর এক দাবির প্রতিক্রিয়ায় সব দাবিই ‘ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে তেহরান।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এসব বক্তব্য বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন। তার ভাষায়, ‘মিথ্যার আশ্রয়ে তারা যুদ্ধে জিততে পারেনি, আলোচনাতেও সফল হবে না।’ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে ‘প্রচারভিত্তিক কৌশল’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
হরমুজ প্রণালী প্রসঙ্গে তিনি কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, অবরোধ বা চাপ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালী স্বাভাবিকভাবে খোলা রাখা হবে না। এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল নির্ধারিত রুট এবং ইরানের অনুমতির ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে বলে জানান তিনি।
কালিবাফ আরও বলেন, প্রণালী খোলা বা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা রাজনৈতিক বক্তব্যে নয়, বরং মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে নেওয়া হবে। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘মিডিয়া যুদ্ধ’ এবং জনমত প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা বাড়ছে, তবে ইরানের জনগণ এসব কৌশলে বিভ্রান্ত হবে না।
এছাড়া তিনি ইঙ্গিত দেন, দেশের কৌশলগত সম্পদ—বিশেষ করে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম—অন্য কোথাও স্থানান্তরের কোনো পরিকল্পনা নেই। ইরান তার জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় নিজস্ব অবস্থানেই অটল থাকবে বলেও জানান তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে, বিশেষ করে বৈশ্বিক মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহ ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা ইস্যুতে।

ট্রাম্প লিখেছেন, "আজ তৌসকা নামের প্রায় ৯০০ ফুট দীর্ঘ একটি ইরানি পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ আমাদের নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সেটি তাদের জন্য ভালো হয়নি।" তিনি আরও বলেন, জাহাজটিকে থামার জন্য সতর্ক করা হয়েছিল, কিন্তু জাহাজটি তা মানেনি। "তাই আমাদের নৌবাহিনীর জাহাজ ইঞ্জিনরুমে গুলি চালিয়ে সেটিকে থাম
৫ ঘণ্টা আগে
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোয়াইট হাউজের ওই কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, আগের মতোই জে ডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল যাচ্ছে পাকিস্তানে। এবারও তার সঙ্গী হিসেবে থাকছেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
১৫ ঘণ্টা আগে
ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও লিখেছেন, ‘তারা (ইরান) দ্রুতই নতিস্বীকার করবে, সহজভাবেই করবে। আর যদি চুক্তি গ্রহণ না করে তাহলে যা কিছু প্রয়োজন, তা করা আমার জন্য গৌরবের বিষয় হবে— যা গত ৪৭ বছর ধরে অন্যান্য প্রেসিডেন্টদের করা উচিত ছিল।’
১৬ ঘণ্টা আগে
তাসনিম নিউজের খবরে বলা হয়েছে, প্রথম দফা আলোচনা শেষ হওয়ার পর বর্তমানে দ্বিতীয় দফার বৈঠক নিয়ে আলোচনা চলছে। খবরে বলা হয়, ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত নৌ-অবরোধ যতক্ষণ কার্যকর থাকবে, ততক্ষণ কোনো আলোচনা হবে না।
১৬ ঘণ্টা আগে