
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যে একটি গ্রীষ্মকালীন উৎসবের কাছে বন্দুকধারীদের এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণে অন্তত ১২ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন বন্দুকধারীরা সম্ভবত একে অপরকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ছিল। তবে ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা এখনও পলাতক রয়েছে।
রোববার (৭ জুন) এনবিসি নিউজের খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার পরপরই ওহাইওর টলেডো শহরে আয়োজিত বার্ষিক ‘ওল্ড ওয়েস্ট এন্ড ফেস্টিভ্যাল’ উৎসবে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
টলেডো পুলিশ বিভাগের ডেপুটি চিফ জোসেফ হেফারনান জানান, অন্তত দুজন বন্দুকধারী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তিনি আরও জানান, গুলিবিদ্ধদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। শনিবার রাত পর্যন্ত বন্দুকধারীদের কাউকেই গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ লেফটেন্যান্ট ড্যান গারকেন জানিয়েছেন, এই হামলায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে সবচেয়ে প্রবীণ ব্যক্তির বয়স ৬১ বছর এবং সর্বকনিষ্ঠ জনের বয়স ১৪ বছর। তবে গুলিবিদ্ধ হওয়া ব্যক্তিদের বেশিরভাগেরই বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গোলাগুলির সময় উৎসবস্থলে কয়েক শ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। টলেডো শহরের একটি দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় আয়োজন এই বার্ষিক উৎসব। এতে লাইভ মিউজিক, ফুড মার্কেট, বিয়ার গার্ডেন এবং শিশুদের জন্য বিভিন্ন বিনোদনমূলক ইভেন্টের ব্যবস্থা থাকে।
লেফটেন্যান্ট গারকেন বলেন, তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা বর্তমানে ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলছেন এবং ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছেন।
ডেপুটি চিফ হেফারনান জানান, উৎসব উপলক্ষ্যে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক অফ-ডিউটি (ছুটিতে থাকা) পুলিশ কর্মকর্তা উৎসবের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। পুরো এলাকা নজরদারির জন্য মোবাইল সিকিউরিটি ক্যামেরাও ব্যবহার করা হচ্ছিল।

জনপ্রিয় এই আয়োজনে এমন হামলায় দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক যে, মাত্র কয়েকজন মানুষ— তাদের মাথায় কী চলছিল কে জানে— একটি দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী ও প্রিয় সামাজিক অনুষ্ঠানকে এভাবে নস্যাৎ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল।’
ওহাইও অঙ্গরাজ্যের গভর্নর মাইক ডিওয়াইন এই শুটআউটের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘গ্রীষ্মকালীন উৎসবগুলো হওয়া উচিত পরিবারের সঙ্গে ভয়হীন পরিবেশে সময় কাটানোর একটি নিরাপদ জায়গা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি এবং ফার্স্ট লেডি ফ্রান ওল্ড ওয়েস্ট এন্ড ফেস্টিভ্যালের এই সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত সবার জন্য প্রার্থনা করছি। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুতই এই কাণ্ডজ্ঞানহীন অপরাধের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করতে সক্ষম হবে।’
এদিকে এক বিবৃতিতে ওল্ড ওয়েস্ট এন্ড অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর রোববারের সমস্ত উৎসব ও কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। আয়োজক কমিটি তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, ‘উৎসবের আয়োজক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং টলেডো শহর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর আমরা মনে করছি যে, এই মুহূর্তে উৎসব চালিয়ে যাওয়া কোনোভাবেই দায়িত্বশীল বা সম্ভবপর কাজ হবে না।’

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যে একটি গ্রীষ্মকালীন উৎসবের কাছে বন্দুকধারীদের এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণে অন্তত ১২ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন বন্দুকধারীরা সম্ভবত একে অপরকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ছিল। তবে ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা এখনও পলাতক রয়েছে।
রোববার (৭ জুন) এনবিসি নিউজের খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার পরপরই ওহাইওর টলেডো শহরে আয়োজিত বার্ষিক ‘ওল্ড ওয়েস্ট এন্ড ফেস্টিভ্যাল’ উৎসবে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
টলেডো পুলিশ বিভাগের ডেপুটি চিফ জোসেফ হেফারনান জানান, অন্তত দুজন বন্দুকধারী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তিনি আরও জানান, গুলিবিদ্ধদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। শনিবার রাত পর্যন্ত বন্দুকধারীদের কাউকেই গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ লেফটেন্যান্ট ড্যান গারকেন জানিয়েছেন, এই হামলায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে সবচেয়ে প্রবীণ ব্যক্তির বয়স ৬১ বছর এবং সর্বকনিষ্ঠ জনের বয়স ১৪ বছর। তবে গুলিবিদ্ধ হওয়া ব্যক্তিদের বেশিরভাগেরই বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গোলাগুলির সময় উৎসবস্থলে কয়েক শ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। টলেডো শহরের একটি দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় আয়োজন এই বার্ষিক উৎসব। এতে লাইভ মিউজিক, ফুড মার্কেট, বিয়ার গার্ডেন এবং শিশুদের জন্য বিভিন্ন বিনোদনমূলক ইভেন্টের ব্যবস্থা থাকে।
লেফটেন্যান্ট গারকেন বলেন, তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা বর্তমানে ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলছেন এবং ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছেন।
ডেপুটি চিফ হেফারনান জানান, উৎসব উপলক্ষ্যে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক অফ-ডিউটি (ছুটিতে থাকা) পুলিশ কর্মকর্তা উৎসবের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। পুরো এলাকা নজরদারির জন্য মোবাইল সিকিউরিটি ক্যামেরাও ব্যবহার করা হচ্ছিল।

জনপ্রিয় এই আয়োজনে এমন হামলায় দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক যে, মাত্র কয়েকজন মানুষ— তাদের মাথায় কী চলছিল কে জানে— একটি দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী ও প্রিয় সামাজিক অনুষ্ঠানকে এভাবে নস্যাৎ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল।’
ওহাইও অঙ্গরাজ্যের গভর্নর মাইক ডিওয়াইন এই শুটআউটের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘গ্রীষ্মকালীন উৎসবগুলো হওয়া উচিত পরিবারের সঙ্গে ভয়হীন পরিবেশে সময় কাটানোর একটি নিরাপদ জায়গা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি এবং ফার্স্ট লেডি ফ্রান ওল্ড ওয়েস্ট এন্ড ফেস্টিভ্যালের এই সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত সবার জন্য প্রার্থনা করছি। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুতই এই কাণ্ডজ্ঞানহীন অপরাধের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করতে সক্ষম হবে।’
এদিকে এক বিবৃতিতে ওল্ড ওয়েস্ট এন্ড অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর রোববারের সমস্ত উৎসব ও কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। আয়োজক কমিটি তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, ‘উৎসবের আয়োজক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং টলেডো শহর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর আমরা মনে করছি যে, এই মুহূর্তে উৎসব চালিয়ে যাওয়া কোনোভাবেই দায়িত্বশীল বা সম্ভবপর কাজ হবে না।’

গত ২৯ জুন কয়েকজন ব্যক্তি ৬০ বছর বয়সী মালাউই নাগরিক ইব্রাহিম হুসেইনের বাড়িতে ঢুকে তাকে মারধর করে মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নেয়। তিনি ২০০০ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করছেন।
১ দিন আগে
ওয়াশিংটনের ভাষ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ইরানের হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রতি রাতেই ইরানে হামলা চালাচ্ছিল। অন্যদিকে ইরান বলছে, বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখাই তাদের লক্ষ্য।
১ দিন আগে
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোতে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা হামলা চালিয়ে দুটি মসজিদে আগুন দিয়েছেন। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদসহ গ্রামের ভবনগুলোর দেয়ালে হিব্রু ভাষায় বিভিন্ন স্লোগানও লিখেছেন তারা। রোববার ভোরে এসব হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা।
১ দিন আগে
হামলায় বিরতির বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প সব সময়ই স্পষ্ট করে বলেছেন, কূটনৈতিক সমাধানই তার প্রথম পছন্দ। তবে ইরান যদি আন্তরিকভাবে আলোচনার টেবিলে না আসে, তাহলে কী ঘটতে পারে, সেটিও তিনি তাদের দেখিয়ে দিয়েছেন।
১ দিন আগে