
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের নজিরবিহীন ভরাডুবি হয়েছে। গেরুয়া ঝড়ে তৃণমূলের টানা তিন মেয়াদের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটেছে। ২০১১ সালে বামপন্থি সরকার পতনের পর এবার মমতার দুর্গের পতনের কারণ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নানা বিশ্লেষণ ও আলোচনা।
মঙ্গলবার (৫ মে) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে সামনে এসেছে নির্বাচনে ভোটার তালিকা থেকে রেকর্ডসংখ্যক নাম বাদ পড়া।
নির্বাচনের ঠিক আগে, ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) কার্যক্রম শুরুর কয়েক মাসের মধ্যেই রাজ্যের ৯০ লাখেরও বেশি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ে। মৃত ও দ্বৈত ভোটারদের তালিকা পরিশুদ্ধ করার লক্ষ্যে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তৃণমূল আগেই অভিযোগ তুলেছিল, এসআইআর প্রক্রিয়াটি পক্ষপাতদুষ্ট ও লক্ষ্যভিত্তিক ছিল এবং এতে তাদের ভোটব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এনডিটিভি বলছে, শেষ পর্যন্ত দলটি ক্ষমতা হারানোয়, ভোটার বাদ পড়ার এই প্রক্রিয়া তৃণমূল ও বিজেপির ভোটফলের সঙ্গে কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল, তা বিশ্লেষণের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
এসআইআর বনাম ভোটের ফল
এসআইআর প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গের ১৪৭টি আসনে ২৫ হাজারের বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়েছিল। এনডিটিভির পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এসব আসনের বড় অংশই গেছে বিজেপির দখলে। এই ১৪৭টির মধ্যে বিজেপি জয় পেয়ছে ৯৫টিতে, তৃণমূল ৫১টিতে এবং কংগ্রেস জিতেছে মাত্র একটি আসনে।
যে ৬৭টি আসনে ১৫ হাজার থেকে ২৫ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, সেখানেও বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। এসব আসনের মধ্যে বিজেপি জয় পেয়ছে ৪৭টিতে, তৃণমূল ১৯টিতে এবং কংগ্রেস জিতেছে একটি আসনে।
এ ছাড়া ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ভোটার বাদ পড়া ৬২টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৫০টিতে, বাকি আসনগুলোতে জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর ৫ হাজারের নিচে ভোটার বাদ পড়া ১৩টি আসনের সবকটিই জিতেছে বিজেপি।
জেলাভিত্তিক চিত্র
মুর্শিদাবাদ জেলায় ভোটার তালিকা থেকে সর্বোচ্চ ৪ লাখ ৫৫ হাজারের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়। পরের অবস্থানেই রয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনা, যেখানে বাদ পড়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬৬৬ জন। এ ছাড়া মালদা জেলায় বাদ পড়েছে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৩৭৫ ভোটার।
মুর্শিদাবাদে ২০২১ সালে ২২টির মধ্যে ২০টি আসন জিতেছিল তৃণমূল, যা এবার কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৯টিতে। এই ফলাফল থেকে বোঝা যায় যে ইঙ্গিত দেয় যে সংখ্যালঘুদের ভোট ভাগ হয়েছে এবং হিন্দুদের বেশিরভাগ ভোট বিজেপির পক্ষে গেছে।
উত্তর চব্বিশ পরগনাতেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। ৩৩টি আসনের মধ্যে ২০২১ সালে তৃণমূল জিতেছিল ২৮টি, যা এবার কমে মাত্র ৮টিতে নেমে এসেছে। মালদার ১২টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের আসন সংখ্যা ২০২১ সালের ৮ থেকে কমে এবার দাঁড়িয়েছে ৬টিতে। বাকি আসনগুলো জিতেছে বিজেপি।
এসআইআর প্রক্রিয়া
ভারতীয় নির্বাচন কমিশন পরিচালিত এসআইআর কার্যক্রমটি পশ্চিমবঙ্গে একটি বিতর্কিত ইস্যুতে পরিণত হয়। ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে প্রথম থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল এসআইআর। এই প্রক্রিয়ায় রেকর্ড পড়ায় ৯১ লাখ ভোটারকে নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর শুরু হয়েছিল গত বছরের ৪ নভেম্বর থেকে। এই কার্যক্রমের বিজ্ঞপ্তি জারির আগে রাজ্যে মোট ভোটার ছিল প্রায় ৭ কোটি ৬৬ লাখ। ডিসেম্বরের খসড়া তালিকায় দেখা যায়, ৫৮ লাখ ২০ হাজারের বেশি নাম বাদ পড়েছে। চূড়ান্ত তালিকা ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশের পর এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৩ লাখ ৬৬ হাজারে।
প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তার দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে ৬০ লাখ ৬ হাজারের বেশি মামলা ‘বিচারিক নিষ্পত্তি’র জন্য পাঠানো হয়। এর মধ্যে ২৭ লাখ ১৬ হাজার ৩৯৩ জন ভোটারকে ‘বাতিলযোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, ফলে মোট বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা দাঁড়ায় ৯০ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪৫ জন।
পশ্চিমবঙ্গে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে দুই দফা মিলিয়ে ভোট পড়েছে প্রায় ৯৩ শতাংশ, যা ইতিহাসে সর্বোচ্চ। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায়। তবে এই ধারণার বিপরীত যুক্তিও ছিল।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও পশ্চিমবঙ্গে তা কেন্দ্র সরকারের পক্ষেই গেছে বরাবর। বিজেপির পালটা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সেবারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
নির্বাচন কমিশন প্রথম থেকেই দাবি করে এসেছিল, কোনো যোগ্য ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ যাবে না। তবে তৃণমূলের প্রাথমিক অভিযোগ ছিল, ‘অনুপ্রবেশকারী’ তকমা দিয়ে ‘যোগ্য’ ভোটারদের ভোট দেওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছিল তারা। অন্যদিকে, বিজেপির দাবি ছিল, পশ্চিমবঙ্গে ‘স্বচ্ছ’ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এসআইআরের ‘ছাঁকনি’র প্রয়োজন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের নজিরবিহীন ভরাডুবি হয়েছে। গেরুয়া ঝড়ে তৃণমূলের টানা তিন মেয়াদের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটেছে। ২০১১ সালে বামপন্থি সরকার পতনের পর এবার মমতার দুর্গের পতনের কারণ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নানা বিশ্লেষণ ও আলোচনা।
মঙ্গলবার (৫ মে) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে সামনে এসেছে নির্বাচনে ভোটার তালিকা থেকে রেকর্ডসংখ্যক নাম বাদ পড়া।
নির্বাচনের ঠিক আগে, ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) কার্যক্রম শুরুর কয়েক মাসের মধ্যেই রাজ্যের ৯০ লাখেরও বেশি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ে। মৃত ও দ্বৈত ভোটারদের তালিকা পরিশুদ্ধ করার লক্ষ্যে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তৃণমূল আগেই অভিযোগ তুলেছিল, এসআইআর প্রক্রিয়াটি পক্ষপাতদুষ্ট ও লক্ষ্যভিত্তিক ছিল এবং এতে তাদের ভোটব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এনডিটিভি বলছে, শেষ পর্যন্ত দলটি ক্ষমতা হারানোয়, ভোটার বাদ পড়ার এই প্রক্রিয়া তৃণমূল ও বিজেপির ভোটফলের সঙ্গে কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল, তা বিশ্লেষণের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
এসআইআর বনাম ভোটের ফল
এসআইআর প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গের ১৪৭টি আসনে ২৫ হাজারের বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়েছিল। এনডিটিভির পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এসব আসনের বড় অংশই গেছে বিজেপির দখলে। এই ১৪৭টির মধ্যে বিজেপি জয় পেয়ছে ৯৫টিতে, তৃণমূল ৫১টিতে এবং কংগ্রেস জিতেছে মাত্র একটি আসনে।
যে ৬৭টি আসনে ১৫ হাজার থেকে ২৫ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, সেখানেও বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। এসব আসনের মধ্যে বিজেপি জয় পেয়ছে ৪৭টিতে, তৃণমূল ১৯টিতে এবং কংগ্রেস জিতেছে একটি আসনে।
এ ছাড়া ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ভোটার বাদ পড়া ৬২টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৫০টিতে, বাকি আসনগুলোতে জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর ৫ হাজারের নিচে ভোটার বাদ পড়া ১৩টি আসনের সবকটিই জিতেছে বিজেপি।
জেলাভিত্তিক চিত্র
মুর্শিদাবাদ জেলায় ভোটার তালিকা থেকে সর্বোচ্চ ৪ লাখ ৫৫ হাজারের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়। পরের অবস্থানেই রয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনা, যেখানে বাদ পড়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬৬৬ জন। এ ছাড়া মালদা জেলায় বাদ পড়েছে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৩৭৫ ভোটার।
মুর্শিদাবাদে ২০২১ সালে ২২টির মধ্যে ২০টি আসন জিতেছিল তৃণমূল, যা এবার কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৯টিতে। এই ফলাফল থেকে বোঝা যায় যে ইঙ্গিত দেয় যে সংখ্যালঘুদের ভোট ভাগ হয়েছে এবং হিন্দুদের বেশিরভাগ ভোট বিজেপির পক্ষে গেছে।
উত্তর চব্বিশ পরগনাতেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। ৩৩টি আসনের মধ্যে ২০২১ সালে তৃণমূল জিতেছিল ২৮টি, যা এবার কমে মাত্র ৮টিতে নেমে এসেছে। মালদার ১২টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের আসন সংখ্যা ২০২১ সালের ৮ থেকে কমে এবার দাঁড়িয়েছে ৬টিতে। বাকি আসনগুলো জিতেছে বিজেপি।
এসআইআর প্রক্রিয়া
ভারতীয় নির্বাচন কমিশন পরিচালিত এসআইআর কার্যক্রমটি পশ্চিমবঙ্গে একটি বিতর্কিত ইস্যুতে পরিণত হয়। ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে প্রথম থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল এসআইআর। এই প্রক্রিয়ায় রেকর্ড পড়ায় ৯১ লাখ ভোটারকে নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর শুরু হয়েছিল গত বছরের ৪ নভেম্বর থেকে। এই কার্যক্রমের বিজ্ঞপ্তি জারির আগে রাজ্যে মোট ভোটার ছিল প্রায় ৭ কোটি ৬৬ লাখ। ডিসেম্বরের খসড়া তালিকায় দেখা যায়, ৫৮ লাখ ২০ হাজারের বেশি নাম বাদ পড়েছে। চূড়ান্ত তালিকা ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশের পর এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৩ লাখ ৬৬ হাজারে।
প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তার দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে ৬০ লাখ ৬ হাজারের বেশি মামলা ‘বিচারিক নিষ্পত্তি’র জন্য পাঠানো হয়। এর মধ্যে ২৭ লাখ ১৬ হাজার ৩৯৩ জন ভোটারকে ‘বাতিলযোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, ফলে মোট বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা দাঁড়ায় ৯০ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪৫ জন।
পশ্চিমবঙ্গে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে দুই দফা মিলিয়ে ভোট পড়েছে প্রায় ৯৩ শতাংশ, যা ইতিহাসে সর্বোচ্চ। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায়। তবে এই ধারণার বিপরীত যুক্তিও ছিল।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও পশ্চিমবঙ্গে তা কেন্দ্র সরকারের পক্ষেই গেছে বরাবর। বিজেপির পালটা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সেবারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
নির্বাচন কমিশন প্রথম থেকেই দাবি করে এসেছিল, কোনো যোগ্য ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ যাবে না। তবে তৃণমূলের প্রাথমিক অভিযোগ ছিল, ‘অনুপ্রবেশকারী’ তকমা দিয়ে ‘যোগ্য’ ভোটারদের ভোট দেওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছিল তারা। অন্যদিকে, বিজেপির দাবি ছিল, পশ্চিমবঙ্গে ‘স্বচ্ছ’ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এসআইআরের ‘ছাঁকনি’র প্রয়োজন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে টানা তিন বার ক্ষমতায় থাকার পর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজয়ের পর পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
৪ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে নিজের বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেছেন যে এবারের নির্বাচনে তৃণমূলের লড়াই কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে ছিল না, বরং তাদের লড়াই করতে হয়েছে খোদ ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে।
৫ ঘণ্টা আগে
বহুত্ববাদী সমাজ হিসেবে পরিচিত পশ্চিমবঙ্গে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি অতীতে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। তবে প্রতিবেশী বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন মোড় এনে দিয়েছে এবং বিজেপির জন্য ক্ষমতায় যাওয়ার পথ তৈরি করেছে বলে মনে করেন দ্য প্রিন্টের কন্ট্রিবিউটিং এডিটর দ্বীপ হালদার।
৮ ঘণ্টা আগে
১৫ বছরের শাসনের অবসান এবং ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের পরাজয়ের পর নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে মমতার তোলা ‘ভোট চুরির’ অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজ্য় রাজনীতিতে এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
১০ ঘণ্টা আগে