বাহরাইনে মার্কিন বিমান ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইরান

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
ছবি: সংগৃহীত

বাহরাইনে মার্কিন বিমান ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি করল ইরান। মঙ্গলবার ভোরে আইআরজিসির সমন্বিত হামলায় শেখ ইসা বিমান ঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

তেহরানের পক্ষ থেকে একে 'প্রতিশোধমূলক অভিযান' হিসেবে অভিহিত করা হলেও ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে নীরব রয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়।

ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এর সঙ্গে সম্পর্কিত সংবাদ সংস্থা ফার্সের পোস্ট করা ফুটেজে দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে রকেটের একটি ঢেউ বিস্ফোরিত হতে দেখা গেছে।

এতে দাবি করা হয়, আইআরজিসির ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাহরাইনের শেখ ইসা অঞ্চলে একটি মার্কিন কমান্ড এবং স্টাফ বিল্ডিং বিমান ঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে এবং জ্বালানি ট্যাংকগুলো বিস্ফোরিত হয়।

যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত এই হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে যৌথভাবে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরাইল। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির গণমাধ্যম। এরপর থেকে তেহরান পালটা হামলা হিসেবে সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের অবকাঠামো ও ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে।

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

এখনই নাগরিকদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশ

সর্বশেষ সতর্কতার আওতায় থাকা দেশগুলো হলো-বাহরাইন, মিসর, ইরান, ইরাক, ইসরায়েল, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও গাজা, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন।

৪ ঘণ্টা আগে

প্রতিবেশী দেশগুলো নয়, হামলার লক্ষ‍্য মার্কিন ঘাঁটি: ইরান

আরাঘচি বলেন, ‘আমরা আমাদের প্রতিবেশীদের ওপর হামলা চালাচ্ছি না, আমাদের লক্ষ্যবস্তু হলো মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো। এমনকি হোটেলে আশ্রয় নেওয়া মার্কিন সৈন্যরাও আমাদের লক্ষ্যবস্তু থেকে রেহাই পাবে না।’

৪ ঘণ্টা আগে

রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা

সৌদি আরবে জেদ্দা, রিয়াদ এবং জাহরানে যুক্তরাষ্ট্রের মিশনের কর্মীদের জন্য পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশনা জারি করেছে এবং জানিয়েছে যে তারা অঞ্চলে অবস্থিত যেকোনো সামরিক স্থাপনায় অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ সীমিত করবে।

৫ ঘণ্টা আগে

ইরান যুদ্ধ ছড়িয়েছে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে, জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ বিশ্ব জুড়ে

এদিকে মধ্যপ্রাচ্য যখন যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে, তখন সারা বিশ্বে উদ্বেগ ছড়িয়েছে জ্বালানি সংকট। এরই মধ্যে ইউরোপ ও এশিয়ার বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম রাতারাতি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ পরিবহন স্থগিত থাকার পর কাতারের এলএনজি উৎপাদন বন্ধের ঘোষণা বৈশ্বিক জ্বালানি খাতকে অস্থির করে দেবে বল

১৫ ঘণ্টা আগে