
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের সেনাবাহিনীর পরবর্তী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন বর্তমান উপ-সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ। আগামী ৩০ জুন বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর অবসরের দিনই তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘নিউজ এইটটিন’ জানিয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০২৮ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ধীরাজ শেঠ।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে সাঁজোয়া বাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত ধীরাজ শেঠ প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে অপারেশন, কৌশলগত পরিকল্পনা, সক্ষমতা উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তার অভিজ্ঞতা ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন পর্যায়ের অপারেশনাল দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্যতম প্রধান স্ট্রাইক ফরমেশন ‘সুদর্শন চক্র কোর’-এর নেতৃত্বও দিয়েছেন তিনি। পরে দিল্লি অঞ্চলের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সামরিক কার্যক্রম তদারকি করেন।
আর্মি কমান্ডার পদে উন্নীত হওয়ার পর তিনি সাউথ ওয়েস্টার্ন কমান্ড ও সাউদার্ন কমান্ডের নেতৃত্ব দেন। এ ছাড়া বাহিনীর অপারেশনাল পরিকল্পনা, জনবল ব্যবস্থাপনা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অবদানের জন্য ধীরাজ শেঠ ব্যাপকভাবে পরিচিত। সেনাসদরে কৌশলগত পরিকল্পনা ও সক্ষমতা উন্নয়ন বিভাগেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বিভিন্ন সামরিক প্রশিক্ষণ কোর্সে কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্যের জন্যও তিনি প্রশংসিত।
বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী ২০২৪ সালের ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। কর্মজীবনে তিনি ‘পরম বিশিষ্ট সেবা পদক’ ও ‘অতি বিশিষ্ট সেবা পদক’ সহ একাধিক সামরিক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
রাজনীতি/আরআইআর

ভারতের সেনাবাহিনীর পরবর্তী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন বর্তমান উপ-সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ। আগামী ৩০ জুন বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর অবসরের দিনই তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘নিউজ এইটটিন’ জানিয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০২৮ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ধীরাজ শেঠ।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে সাঁজোয়া বাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত ধীরাজ শেঠ প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে অপারেশন, কৌশলগত পরিকল্পনা, সক্ষমতা উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তার অভিজ্ঞতা ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন পর্যায়ের অপারেশনাল দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্যতম প্রধান স্ট্রাইক ফরমেশন ‘সুদর্শন চক্র কোর’-এর নেতৃত্বও দিয়েছেন তিনি। পরে দিল্লি অঞ্চলের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সামরিক কার্যক্রম তদারকি করেন।
আর্মি কমান্ডার পদে উন্নীত হওয়ার পর তিনি সাউথ ওয়েস্টার্ন কমান্ড ও সাউদার্ন কমান্ডের নেতৃত্ব দেন। এ ছাড়া বাহিনীর অপারেশনাল পরিকল্পনা, জনবল ব্যবস্থাপনা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অবদানের জন্য ধীরাজ শেঠ ব্যাপকভাবে পরিচিত। সেনাসদরে কৌশলগত পরিকল্পনা ও সক্ষমতা উন্নয়ন বিভাগেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বিভিন্ন সামরিক প্রশিক্ষণ কোর্সে কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্যের জন্যও তিনি প্রশংসিত।
বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী ২০২৪ সালের ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। কর্মজীবনে তিনি ‘পরম বিশিষ্ট সেবা পদক’ ও ‘অতি বিশিষ্ট সেবা পদক’ সহ একাধিক সামরিক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
রাজনীতি/আরআইআর

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূল রক্ষাকারী সংস্থা ‘ফ্রন্টেক্স’-এর একটি বিমান ক্রিটের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় আইয়েরাপেত্রা উপকূলে ৪০ জন অভিবাসীবাহী একটি নৌকার সন্ধান পায়। খবর পেয়ে গ্রিক কোস্ট গার্ড ও স্থানীয় একটি মাছ ধরার ট্রলার যৌথ অভিযান চালিয়ে
৭ ঘণ্টা আগে
২০১৫ সালে ‘অবাঞ্ছিত সংগঠন’ আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে রাশিয়া শত শত বিদেশি সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। এই তালিকায় রয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, বিভিন্ন স্বাধীন সংবাদমাধ্যম এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও।
১৬ ঘণ্টা আগে
সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের পেছনে পেরুর নতুন ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। গত জুলাইয়ে দায়িত্ব নেওয়ার আগেই তিনি মেক্সিকোর সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।
১৬ ঘণ্টা আগে