
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশে জাফর এক্সপ্রেস ট্রেনে জঙ্গিদের হাতে জিম্মি দেড় শতাধিক যাত্রীকে উদ্ধার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। এ সময় অভিযানে নিহত হয়েছেন অন্তত ২৭ জন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সকালের দিকে জঙ্গিদের ছোড়া গুলিতে ট্রেনের চালক ও কয়েকজন যাত্রী আহত হন। পরে ট্রেনে উঠে সেটির নিয়ন্ত্রণ নেয় সশস্ত্র হামলাকারীরা।
জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী বেলুচিস্তানের বোলান জেলায় হামলার শিকার জাফর এক্সপ্রেসে থাকা ১৫৫ জন জিম্মিকে সফলভাবে মুক্ত করেছে এবং ২৭ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে। এছাড়া শেষ জঙ্গিকে পরাজিত না করা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।
তবে ট্রেনটিতে ঠিক কত সংখ্যক সশস্ত্র জঙ্গি অবস্থান করছে তা এখনও অজানা। নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, অবশিষ্ট জিম্মিদের উদ্ধারের জন্য নিরাপত্তা সদস্যরা অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের খবরে বলা হয়েছে, মাশকাফ টানেলের কাছে বন্ধুকযুদ্ধে নিরাপত্তা কর্মীরাও নিহত হয়েছেন। এর আগে ডন রেলওয়ের নিয়ন্ত্রক মুহাম্মদ কাশিফের বরাতে জানিয়েছে, ৯ কোচ বিশিষ্ট এই ট্রেনটিতে প্রায় ৫০০ যাত্রী রয়েছেন।
সরকারের বিবৃতি অনুসারে, সিবি হাসপাতালে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এবং অ্যাম্বুলেন্স এবং নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তবে পাথুরে ভূখণ্ডের কারণে কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে অসুবিধা হচ্ছে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, রেলওয়ে বিভাগ উদ্ধার কাজে আরও ট্রেন পাঠিয়েছে।
পাকিস্তানের স্বাস্থ্য বিভাগের মুখপাত্র ডা. ওয়াসিম বেগ জানান, কোয়েটার সিভিল হাসপাতালেও জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। সব পরামর্শদাতা, ডাক্তার, ফার্মাসিস্ট, স্টাফ নার্স এবং প্যারামেডিক্যাল কর্মীদের হাসপাতালে ডাকা হয়েছে।
এদিকে ট্রেন অপহরণের ব্যাপারে একটি বিবৃতি দিয়েছে বালোচ লিবারেশন আর্মি। জঙ্গি গোষ্ঠীটির মুখপাত্র জিয়ান্দ বালোচ হুমকি দিয়েছেন, যদি পাকিস্তানের সেনাবাহিনী বা পুলিশ কোনো ধরনের অভিযান চালানোর চেষ্টা করে তাহলে ট্রেনের সব জিম্মিকে হত্যা করা হবে। তিনি দাবি করেছেন, অভিযানে গিয়ে সেনাবাহিনীর ছয় সেনা নিহত হয়েছেন।
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, যারা নিরীহ যাত্রীদের ওপর গুলি চালায়, তারা কোনও ছাড় পাওয়ার যোগ্য নয়।

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশে জাফর এক্সপ্রেস ট্রেনে জঙ্গিদের হাতে জিম্মি দেড় শতাধিক যাত্রীকে উদ্ধার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। এ সময় অভিযানে নিহত হয়েছেন অন্তত ২৭ জন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সকালের দিকে জঙ্গিদের ছোড়া গুলিতে ট্রেনের চালক ও কয়েকজন যাত্রী আহত হন। পরে ট্রেনে উঠে সেটির নিয়ন্ত্রণ নেয় সশস্ত্র হামলাকারীরা।
জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী বেলুচিস্তানের বোলান জেলায় হামলার শিকার জাফর এক্সপ্রেসে থাকা ১৫৫ জন জিম্মিকে সফলভাবে মুক্ত করেছে এবং ২৭ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে। এছাড়া শেষ জঙ্গিকে পরাজিত না করা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।
তবে ট্রেনটিতে ঠিক কত সংখ্যক সশস্ত্র জঙ্গি অবস্থান করছে তা এখনও অজানা। নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, অবশিষ্ট জিম্মিদের উদ্ধারের জন্য নিরাপত্তা সদস্যরা অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের খবরে বলা হয়েছে, মাশকাফ টানেলের কাছে বন্ধুকযুদ্ধে নিরাপত্তা কর্মীরাও নিহত হয়েছেন। এর আগে ডন রেলওয়ের নিয়ন্ত্রক মুহাম্মদ কাশিফের বরাতে জানিয়েছে, ৯ কোচ বিশিষ্ট এই ট্রেনটিতে প্রায় ৫০০ যাত্রী রয়েছেন।
সরকারের বিবৃতি অনুসারে, সিবি হাসপাতালে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এবং অ্যাম্বুলেন্স এবং নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তবে পাথুরে ভূখণ্ডের কারণে কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে অসুবিধা হচ্ছে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, রেলওয়ে বিভাগ উদ্ধার কাজে আরও ট্রেন পাঠিয়েছে।
পাকিস্তানের স্বাস্থ্য বিভাগের মুখপাত্র ডা. ওয়াসিম বেগ জানান, কোয়েটার সিভিল হাসপাতালেও জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। সব পরামর্শদাতা, ডাক্তার, ফার্মাসিস্ট, স্টাফ নার্স এবং প্যারামেডিক্যাল কর্মীদের হাসপাতালে ডাকা হয়েছে।
এদিকে ট্রেন অপহরণের ব্যাপারে একটি বিবৃতি দিয়েছে বালোচ লিবারেশন আর্মি। জঙ্গি গোষ্ঠীটির মুখপাত্র জিয়ান্দ বালোচ হুমকি দিয়েছেন, যদি পাকিস্তানের সেনাবাহিনী বা পুলিশ কোনো ধরনের অভিযান চালানোর চেষ্টা করে তাহলে ট্রেনের সব জিম্মিকে হত্যা করা হবে। তিনি দাবি করেছেন, অভিযানে গিয়ে সেনাবাহিনীর ছয় সেনা নিহত হয়েছেন।
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, যারা নিরীহ যাত্রীদের ওপর গুলি চালায়, তারা কোনও ছাড় পাওয়ার যোগ্য নয়।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একদিকে ট্রাম্পের শান্তিপ্রক্রিয়া আর অন্যদিকে নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থান—এই দুইয়ের টানাপোড়েনে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি এখন খাদের কিনারে এসে দাঁড়িয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
অনেকেই মনে করছেন, এই সাময়িক যুদ্ধবিরতি আসলে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ করে দেবে। দীর্ঘদিনের সংঘাত আর ত্যাগের পর এমন আপসকামিতা তেহরানের মুক্তিকামী মানুষের মনে এক গভীর সংশয় ও আস্থার সংকট তৈরি করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
তবে এই যুদ্ধবিরতির আগে থেকেই নিজ দেশে চরম অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন ট্রাম্প। মূলত ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করে এই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ায় মার্কিন অর্থনীতিতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি তিনি বলেন, যদি ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণ বন্ধ করা হয়, তবে আমাদের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীও তাদের প্রতিরোধমূলক অভিযান বন্ধ করবে।
৪ ঘণ্টা আগে