
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে এই যুদ্ধবিরতি লেবাননে চলমান সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
বুধবার (৮ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (আগে টুইটর) দেওয়া এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই উদ্যোগকে ইসরায়েল সমর্থন করে, যার লক্ষ্য হলো ইরান যেন আর কখনও যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, আরব প্রতিবেশী দেশ ও বিশ্বের জন্য ‘পারমাণবিক, ক্ষেপণাস্ত্র ও সন্ত্রাসী হুমকি’ হয়ে উঠতে না পারে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘দুই সপ্তাহের এই যুদ্ধবিরতি লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করে না।’
এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং তাদের মিত্ররা লেবাননসহ সব ফ্রন্টে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। তিনি জানান, সিদ্ধান্তটি সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়েছে। কিন্তু নেতানিয়াহুর বক্তব্যে স্পষ্ট হলো, অন্তত লেবাননের ক্ষেত্রে ইসরায়েল সেই অবস্থান থেকে সরে আসেনি।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গত ২ মার্চ হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা চালালে লেবাননও সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। হিজবুল্লাহর দাবি, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার জবাব এবং ২০২৪ সালের নভেম্বরের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়ায় তারা এই হামলা চালায়।
এরপর থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় দেড় হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েল স্থল অভিযানও চালাচ্ছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদক জেইনা খোদর বলেন, ইরানকে সমর্থন দিয়ে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে হিজবুল্লাহ সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করেছে এবং ইসরায়েলকে একাধিক ফ্রন্টে ব্যস্ত রেখেছে। তার মতে, আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ ফ্রন্টও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।
তিনি আরও বলেন, লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নিজেও মনে করেন, দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক অভিযানের পেছনে ইরানের প্রভাব রয়েছে। ফলে আগামী দুই সপ্তাহের আলোচনা লেবাননের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে এই যুদ্ধবিরতি লেবাননে চলমান সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
বুধবার (৮ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (আগে টুইটর) দেওয়া এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই উদ্যোগকে ইসরায়েল সমর্থন করে, যার লক্ষ্য হলো ইরান যেন আর কখনও যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, আরব প্রতিবেশী দেশ ও বিশ্বের জন্য ‘পারমাণবিক, ক্ষেপণাস্ত্র ও সন্ত্রাসী হুমকি’ হয়ে উঠতে না পারে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘দুই সপ্তাহের এই যুদ্ধবিরতি লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করে না।’
এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং তাদের মিত্ররা লেবাননসহ সব ফ্রন্টে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। তিনি জানান, সিদ্ধান্তটি সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়েছে। কিন্তু নেতানিয়াহুর বক্তব্যে স্পষ্ট হলো, অন্তত লেবাননের ক্ষেত্রে ইসরায়েল সেই অবস্থান থেকে সরে আসেনি।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গত ২ মার্চ হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা চালালে লেবাননও সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। হিজবুল্লাহর দাবি, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার জবাব এবং ২০২৪ সালের নভেম্বরের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়ায় তারা এই হামলা চালায়।
এরপর থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় দেড় হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েল স্থল অভিযানও চালাচ্ছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদক জেইনা খোদর বলেন, ইরানকে সমর্থন দিয়ে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে হিজবুল্লাহ সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করেছে এবং ইসরায়েলকে একাধিক ফ্রন্টে ব্যস্ত রেখেছে। তার মতে, আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ ফ্রন্টও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।
তিনি আরও বলেন, লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নিজেও মনে করেন, দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক অভিযানের পেছনে ইরানের প্রভাব রয়েছে। ফলে আগামী দুই সপ্তাহের আলোচনা লেবাননের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। গত মার্চের শুরুর দিকে দেশটির নীতি-নির্ধারণী পরিষদ 'অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস' তাঁকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।
১ দিন আগে
চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১ দিন আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
১ দিন আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
২ দিন আগে