
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইউরোপ জুড়ে চলমান রেকর্ড তাপপ্রবাহে অতিরিক্ত এক হাজার মানুষের মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করেছে ফ্রান্সের জনস্বাস্থ্য সংস্থা। কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, আবাসিক পরিচর্যা কেন্দ্র ও ব্যক্তিগত বাসভবনের মৃত্যুর পূর্ণাঙ্গ তথ্য এলে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। একই সময়ে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জনজীবন, পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
ফরাসি জনস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, তাপপ্রবাহজনিত অতিরিক্ত মৃত্যুর বেশির ভাগই বয়স্ক মানুষের। দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টেফানি রিস্ত বলেন, তাপমাত্রা কিছুটা কমতে শুরু করলেও এর স্বাস্থ্যগত প্রভাব আরও অন্তত ১০ দিন স্থায়ী হতে পারে। তার ভাষায়, 'এই সংকট এখনো শেষ হয়নি।'
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে গত ২০ জুন শুরু হওয়া এই তাপপ্রবাহকে বিজ্ঞানীরা ইউরোপের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ দাবদাহ হিসেবে বর্ণনা করছেন। এরই মধ্যে এটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত করেছে, অবকাঠামোর ক্ষতি করেছে এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি করেছে।
শনিবার রাতে ফ্রান্সের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রঝড়ের পর কিছুটা শীতল আবহাওয়া ফিরে এলেও এর প্রভাবে হাজার হাজার পরিবার বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এনেদিস জানিয়েছে, রোববার বিকেলে উত্তর ও মধ্য ফ্রান্সের প্রায় ৩৬ হাজার পরিবার বিদ্যুৎহীন ছিল। আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, দেশের বেশির ভাগ এলাকায় তাপপ্রবাহের তীব্রতা কমলেও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় এখনো সতর্কতা বহাল রয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বলেছেন, বর্তমানে প্রায় ১৫ কোটি মানুষ চরম তাপপ্রবাহের মধ্যে বসবাস করছে। তার মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে একসময় 'প্রজন্মে একবার' দেখা যাওয়া তাপপ্রবাহ এখন প্রায় প্রতি বছরই ঘটছে। ইউরোপের বাড়িঘর, কর্মস্থল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনও এমন চরম তাপমাত্রা মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট প্রস্তুত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিজ্ঞানীদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন না হলে এ ধরনের তাপপ্রবাহ কার্যত অসম্ভব হতো। গত দুই দশকের তুলনায় এবারের অস্বাভাবিক উষ্ণ রাতের সম্ভাবনা প্রায় ১০০ গুণ বেড়েছে।
এদিকে তাপপ্রবাহ ধীরে ধীরে মধ্য ইউরোপ ও বলকান অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। অস্ট্রিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, জার্মানি ও পোল্যান্ডে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে। জার্মানিতে ট্রেন চলাচল সীমিত করা হয়েছে এবং লাইপজিগ শহরে ট্রাম চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। চেক প্রজাতন্ত্রে উচ্চমাত্রার ভূমিস্তরীয় ওজোনের কারণে ধোঁয়াশা সতর্কতা জারি করে মানুষকে শারীরিক পরিশ্রম এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
চরম গরমের প্রভাব পড়েছে ইউরোপের নদীগুলোতেও। হাঙ্গেরির পাকস পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দানিউব নদীর অতিরিক্ত উষ্ণ পানির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়েছে। ইতালির পো নদীর পানি কমে যাওয়ায় সমুদ্রের লবণাক্ত পানি প্রায় ১৮ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে, যা কৃষি ও নদী বদ্বীপের সংরক্ষিত জলাভূমির জন্য নতুন হুমকি তৈরি করেছে।
আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস, পশ্চিম ইউরোপে তাপপ্রবাহের তীব্রতা ধীরে ধীরে কমলেও আগামী কয়েক দিনে মধ্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশে চরম গরম অব্যাহত থাকতে পারে।

ইউরোপ জুড়ে চলমান রেকর্ড তাপপ্রবাহে অতিরিক্ত এক হাজার মানুষের মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করেছে ফ্রান্সের জনস্বাস্থ্য সংস্থা। কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, আবাসিক পরিচর্যা কেন্দ্র ও ব্যক্তিগত বাসভবনের মৃত্যুর পূর্ণাঙ্গ তথ্য এলে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। একই সময়ে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জনজীবন, পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
ফরাসি জনস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, তাপপ্রবাহজনিত অতিরিক্ত মৃত্যুর বেশির ভাগই বয়স্ক মানুষের। দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টেফানি রিস্ত বলেন, তাপমাত্রা কিছুটা কমতে শুরু করলেও এর স্বাস্থ্যগত প্রভাব আরও অন্তত ১০ দিন স্থায়ী হতে পারে। তার ভাষায়, 'এই সংকট এখনো শেষ হয়নি।'
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে গত ২০ জুন শুরু হওয়া এই তাপপ্রবাহকে বিজ্ঞানীরা ইউরোপের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ দাবদাহ হিসেবে বর্ণনা করছেন। এরই মধ্যে এটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত করেছে, অবকাঠামোর ক্ষতি করেছে এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি করেছে।
শনিবার রাতে ফ্রান্সের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রঝড়ের পর কিছুটা শীতল আবহাওয়া ফিরে এলেও এর প্রভাবে হাজার হাজার পরিবার বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এনেদিস জানিয়েছে, রোববার বিকেলে উত্তর ও মধ্য ফ্রান্সের প্রায় ৩৬ হাজার পরিবার বিদ্যুৎহীন ছিল। আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, দেশের বেশির ভাগ এলাকায় তাপপ্রবাহের তীব্রতা কমলেও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় এখনো সতর্কতা বহাল রয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বলেছেন, বর্তমানে প্রায় ১৫ কোটি মানুষ চরম তাপপ্রবাহের মধ্যে বসবাস করছে। তার মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে একসময় 'প্রজন্মে একবার' দেখা যাওয়া তাপপ্রবাহ এখন প্রায় প্রতি বছরই ঘটছে। ইউরোপের বাড়িঘর, কর্মস্থল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনও এমন চরম তাপমাত্রা মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট প্রস্তুত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিজ্ঞানীদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন না হলে এ ধরনের তাপপ্রবাহ কার্যত অসম্ভব হতো। গত দুই দশকের তুলনায় এবারের অস্বাভাবিক উষ্ণ রাতের সম্ভাবনা প্রায় ১০০ গুণ বেড়েছে।
এদিকে তাপপ্রবাহ ধীরে ধীরে মধ্য ইউরোপ ও বলকান অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। অস্ট্রিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, জার্মানি ও পোল্যান্ডে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে। জার্মানিতে ট্রেন চলাচল সীমিত করা হয়েছে এবং লাইপজিগ শহরে ট্রাম চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। চেক প্রজাতন্ত্রে উচ্চমাত্রার ভূমিস্তরীয় ওজোনের কারণে ধোঁয়াশা সতর্কতা জারি করে মানুষকে শারীরিক পরিশ্রম এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
চরম গরমের প্রভাব পড়েছে ইউরোপের নদীগুলোতেও। হাঙ্গেরির পাকস পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দানিউব নদীর অতিরিক্ত উষ্ণ পানির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়েছে। ইতালির পো নদীর পানি কমে যাওয়ায় সমুদ্রের লবণাক্ত পানি প্রায় ১৮ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে, যা কৃষি ও নদী বদ্বীপের সংরক্ষিত জলাভূমির জন্য নতুন হুমকি তৈরি করেছে।
আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস, পশ্চিম ইউরোপে তাপপ্রবাহের তীব্রতা ধীরে ধীরে কমলেও আগামী কয়েক দিনে মধ্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশে চরম গরম অব্যাহত থাকতে পারে।

পুলিশ জানিয়েছে, তার কাছে প্রায় ১৪ হাজার বিষমিশ্রিত ক্যাপসুল পাওয়া গেছে। এসব ক্যাপসুলে ছিল জিঙ্ক ফসফাইড, যা সাধারণত ইঁদুর মারার বিষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
১ দিন আগে
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত আটটি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
১ দিন আগে
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, এই দুর্যোগে লণ্ডভণ্ড উপকূলীয় লা গুয়াইরা অঞ্চলে যাতায়াতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ। এদিকে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) সতর্ক করে বলেছে, প্রলয়ঙ্করী এই ভূমিকম্পে দেশটির আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৮৭০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
১ দিন আগে
স্থানীয় গণমাধ্যম ডন জানিয়েছে, প্রথমে একটি বিস্ফোরকবাহী গাড়ি দিয়ে সদর দপ্তরের গেটে আঘাত করা হয়। এতে তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। এরপরই শুরু হয় বন্দুকযুদ্ধ। একই সময় করাচির ইউনিভার্সিটি রোডের মিটিওরোলজিক্যাল চৌরাঙ্গি এলাকায় আরও একটি বিস্ফোরণ ও প্রচণ্ড গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে