
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকার পালটাপালটি দাবি করছে দুই দেশ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ দাবির এক দিন পর ইরানের বাসিজ বাহিনীর প্রধান হোসেইন তাইয়েব বলেছেন, হরমুজ প্রণালি এখন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ‘ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে।
একই সঙ্গে ইরানের সামরিক কমান্ডও তেহরানের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজকে হরমুজ দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে। ফলে চলমান যুদ্ধ ও ভেঙে পড়া অন্তর্বর্তী চুক্তির মধ্যে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের পালটাপালটি দাবিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইরানের বাসিজ বাহিনীর প্রধান হোসেইন তাইয়েব বলেন, হরমুজ প্রণালিতে আরেকটি যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে ইরানের জনপ্রিয়তা নষ্ট করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ইরানের বিমানবাহিনী বা নৌবাহিনী নেই— এমন দাবি করার পরও যুক্তরাষ্ট্র আবারও পরাজিত হয়েছে।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স জানায়, তাইয়েব আরও বলেছেন, ‘আজ আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, হরমুজ প্রণালি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’ তিনি বলেন, ইরান সম্পূর্ণ নিরাপত্তার সঙ্গে তার গতিপথে এগিয়ে যাচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তেহরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে রেখেছে। এর আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হতো।
এরপর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন জানায়, ইরানের বাইরে অন্যান্য দেশের বন্দর থেকে যেসব জাহাজ যাতায়াত করবে, সেগুলোর চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার পরে ইরানের যৌথ সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স জানায়, তেহরানের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে পারবে না। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কমান্ডটি বলে, ‘হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের স্বাভাবিক চলাচল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভিত্তিহীন দাবিগুলো... মিথ্যা ও অসত্য ছাড়া আর কিছুই নয়।’
এর আগে জুনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি অন্তর্বর্তী চুক্তিতে পৌঁছেছিল। এতে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা দ্রুত ফিরিয়ে আনার কথা বলা হয়েছিল। তবে কয়েক সপ্তাহ পরই ওই চুক্তি ভেস্তে যায়। ইরান ফের সীমিত পরিসরে জাহাজে হামলা শুরু করে। তেহরানের দাবি ছিল, এসব জাহাজ চুক্তির আওতায় নির্ধারিত ব্যবস্থার বিপরীতে চলাচল করছিল।
ইরানের এসব হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে হামলা শুরু করে। ওয়াশিংটনের দাবি, উপসাগরে জাহাজে হামলা চালানোর তেহরানের সক্ষমতা কমিয়ে দেওয়াই এসব হামলার লক্ষ্য।
এদিকে বৃহস্পতিবার পৃথক এক বক্তব্যে ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তা রাসুল সানাই-রাদ বলেন, অন্তর্বর্তী চুক্তির আওতায় অপর পক্ষ তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ না করা পর্যন্ত ইরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলবে না।
তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে এই জলপথ খুলতে পারবে না। এ ছাড়া ভবিষ্যতে কোনো সংঘাত হলে ইরান আরও কঠোরভাবে জবাব দেবে বলেও সতর্ক করেন সানাই-রাদ। তিনি বলেন, ‘সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ যুদ্ধে আমরা আরও দৃঢ় ও আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানে থাকব।’

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকার পালটাপালটি দাবি করছে দুই দেশ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ দাবির এক দিন পর ইরানের বাসিজ বাহিনীর প্রধান হোসেইন তাইয়েব বলেছেন, হরমুজ প্রণালি এখন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ‘ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে।
একই সঙ্গে ইরানের সামরিক কমান্ডও তেহরানের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজকে হরমুজ দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে। ফলে চলমান যুদ্ধ ও ভেঙে পড়া অন্তর্বর্তী চুক্তির মধ্যে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের পালটাপালটি দাবিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইরানের বাসিজ বাহিনীর প্রধান হোসেইন তাইয়েব বলেন, হরমুজ প্রণালিতে আরেকটি যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে ইরানের জনপ্রিয়তা নষ্ট করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ইরানের বিমানবাহিনী বা নৌবাহিনী নেই— এমন দাবি করার পরও যুক্তরাষ্ট্র আবারও পরাজিত হয়েছে।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স জানায়, তাইয়েব আরও বলেছেন, ‘আজ আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, হরমুজ প্রণালি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’ তিনি বলেন, ইরান সম্পূর্ণ নিরাপত্তার সঙ্গে তার গতিপথে এগিয়ে যাচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তেহরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে রেখেছে। এর আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হতো।
এরপর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন জানায়, ইরানের বাইরে অন্যান্য দেশের বন্দর থেকে যেসব জাহাজ যাতায়াত করবে, সেগুলোর চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার পরে ইরানের যৌথ সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স জানায়, তেহরানের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে পারবে না। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কমান্ডটি বলে, ‘হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের স্বাভাবিক চলাচল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভিত্তিহীন দাবিগুলো... মিথ্যা ও অসত্য ছাড়া আর কিছুই নয়।’
এর আগে জুনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি অন্তর্বর্তী চুক্তিতে পৌঁছেছিল। এতে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা দ্রুত ফিরিয়ে আনার কথা বলা হয়েছিল। তবে কয়েক সপ্তাহ পরই ওই চুক্তি ভেস্তে যায়। ইরান ফের সীমিত পরিসরে জাহাজে হামলা শুরু করে। তেহরানের দাবি ছিল, এসব জাহাজ চুক্তির আওতায় নির্ধারিত ব্যবস্থার বিপরীতে চলাচল করছিল।
ইরানের এসব হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে হামলা শুরু করে। ওয়াশিংটনের দাবি, উপসাগরে জাহাজে হামলা চালানোর তেহরানের সক্ষমতা কমিয়ে দেওয়াই এসব হামলার লক্ষ্য।
এদিকে বৃহস্পতিবার পৃথক এক বক্তব্যে ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তা রাসুল সানাই-রাদ বলেন, অন্তর্বর্তী চুক্তির আওতায় অপর পক্ষ তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ না করা পর্যন্ত ইরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলবে না।
তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে এই জলপথ খুলতে পারবে না। এ ছাড়া ভবিষ্যতে কোনো সংঘাত হলে ইরান আরও কঠোরভাবে জবাব দেবে বলেও সতর্ক করেন সানাই-রাদ। তিনি বলেন, ‘সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ যুদ্ধে আমরা আরও দৃঢ় ও আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানে থাকব।’

অবরুদ্ধ পরিবার দুটির সদস্যরা জানিয়েছেন, তাদের খাবার, পানি ও বিদ্যুতের সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। খাবারের যে মজুত ছিল, তাও ফুরিয়ে আসছে। এ অবস্থায় তাদের রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।
২০ ঘণ্টা আগে
পরে বুধবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দীপকে বলেন, ‘ইনস্টাগ্রামে অনেকেই মন্তব্য করে জানতে চাইছেন, যন্তর মন্তর সিজন-টু কবে আসছে। তাদের আমি জানাতে চাই, খুব শিগগিরই যন্তর মন্তর সিজন-টু আসছে।’
২১ ঘণ্টা আগে
বুধবার (১২ আগস্ট) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইরানি ওই কর্মকর্তার মন্তব্য সংকটের দ্রুত সমাধানের সম্ভাবনা আরও ক্ষীণ হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর মধ্যে মঙ্গলবার ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচলে পৃথক হামলার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে। এতে তেলের দামও বেড়েছে।
১ দিন আগে
লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দাব প্রণালিতে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় একটি পণ্যবাহী জাহাজের চার নাবিক নিহত হয়েছেন। পরে উদ্ধারকাজে গিয়ে হুতিবিরোধী দুই ইয়েমেনি উদ্ধারকর্মীও নিহত হন। সব মিলিয়ে এ ঘটনায় ৩ পাকিস্তানিসহ ছয়জন নিহত এবং অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
১ দিন আগে