
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের মধ্যেই ইরানের গণমাধ্যম ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে নিয়ে ভুয়া খবর ছড়াচ্ছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছ জেরুজালেম পোস্ট। ইসরায়েলের এ গণমাধ্যম বলছে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইসরায়েলিদের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি করতে কোনো বাছবিচার ছাড়াই ইরানি গণমাধ্যম এসব ভুয়া খবর ছড়িয়ে চলেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) জেরুজালেম পোস্ট এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়া নিয়ে ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ভিত্তিহীন। এর পক্ষে কোনো প্রমাণ বা সরকারি নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
খবরে বলা হয়েছে, সোমবার ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজে নেতানিয়াহুর নিহতদের গুঞ্জন নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়, যার পক্ষে কোনো তথ্যপ্রমাণ হাজির করা হয়নি। বরং সাম্প্রতিক সময়ে নেতানিয়াহুর কোনো ভিডিও প্রকাশ না হওয়া, তার বাসভবনের নিরাপত্তা জোরদারের কিছু খবর এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সম্ভাব্য সফর স্থগিত হওয়ার মতো কিছু ঘটনাকে তুলে ধরে সন্দেহ ও ধোঁয়াশা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমটি বলছে, তাসনিম নিউজের খবরে রুশ গণমাধ্যমের বরাতে সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের একটি বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, ইরান নাকি নেতানিয়াহুর লুকিয়ে থাকার জায়গায় বোমা হামলা চালিয়েছে এবং এতে তার ভাই নিহত হয়েছেন। তবে তাসনিম নিউজেও এসব তথ্যের পেছনে সরকারি বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
জেরুজালেম পোস্ট বলছে, সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজকে সাধারণত ইরানের সামরিক বাহিনী আইআরজিসির ঘনিষ্ঠ মনে করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগও এই সংবাদমাধ্যমকে আইআরজিসির সঙ্গে যুক্ত বলে তালিকাভুক্ত করেছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, এ ধরনের প্রতিবেদন ইরান ও ইরানপন্থি তথ্যযুদ্ধের একটি পরিচিত কৌশলের অংশ। এতে জনসমক্ষে থাকা বিচ্ছিন্ন তথ্যের খণ্ডাংশ জুড়ে নাটকীয় একটি বর্ণনা তৈরি করা হয় এবং সেটিকে এমনভাবে প্রচার করা হয় যেন তা কোনো গোপন ঘটনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
নেতানিয়াহুর মৃত্যুর খবরকে গুজব হিসেবে তুলে ধরতে জেরুজালেম পোস্ট কিছু ঘটনার উল্লেখ করেছে। এর মধ্যে গত ৭ মার্চ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহুর বক্তব্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ইসরায়েল সরকারের সরকারি ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে, ৬ মার্চ তিনি বিয়ারশেবা শহরে একটি হামলার স্থল পরিদর্শন করেন।
স্বাধীন কয়েকটি প্রতিবেদনেও সাম্প্রতিক সময়ে নেতানিয়াহুর জনসমক্ষে সক্রিয় থাকার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে তার ফোনালাপ, যার তথ্য ফরাসি প্রেসিডেন্সি এলিসে প্রাসাদ প্রকাশ করেছে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের মধ্যেই ইরানের গণমাধ্যম ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে নিয়ে ভুয়া খবর ছড়াচ্ছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছ জেরুজালেম পোস্ট। ইসরায়েলের এ গণমাধ্যম বলছে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইসরায়েলিদের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি করতে কোনো বাছবিচার ছাড়াই ইরানি গণমাধ্যম এসব ভুয়া খবর ছড়িয়ে চলেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) জেরুজালেম পোস্ট এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়া নিয়ে ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ভিত্তিহীন। এর পক্ষে কোনো প্রমাণ বা সরকারি নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
খবরে বলা হয়েছে, সোমবার ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজে নেতানিয়াহুর নিহতদের গুঞ্জন নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়, যার পক্ষে কোনো তথ্যপ্রমাণ হাজির করা হয়নি। বরং সাম্প্রতিক সময়ে নেতানিয়াহুর কোনো ভিডিও প্রকাশ না হওয়া, তার বাসভবনের নিরাপত্তা জোরদারের কিছু খবর এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সম্ভাব্য সফর স্থগিত হওয়ার মতো কিছু ঘটনাকে তুলে ধরে সন্দেহ ও ধোঁয়াশা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমটি বলছে, তাসনিম নিউজের খবরে রুশ গণমাধ্যমের বরাতে সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের একটি বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, ইরান নাকি নেতানিয়াহুর লুকিয়ে থাকার জায়গায় বোমা হামলা চালিয়েছে এবং এতে তার ভাই নিহত হয়েছেন। তবে তাসনিম নিউজেও এসব তথ্যের পেছনে সরকারি বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
জেরুজালেম পোস্ট বলছে, সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজকে সাধারণত ইরানের সামরিক বাহিনী আইআরজিসির ঘনিষ্ঠ মনে করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগও এই সংবাদমাধ্যমকে আইআরজিসির সঙ্গে যুক্ত বলে তালিকাভুক্ত করেছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, এ ধরনের প্রতিবেদন ইরান ও ইরানপন্থি তথ্যযুদ্ধের একটি পরিচিত কৌশলের অংশ। এতে জনসমক্ষে থাকা বিচ্ছিন্ন তথ্যের খণ্ডাংশ জুড়ে নাটকীয় একটি বর্ণনা তৈরি করা হয় এবং সেটিকে এমনভাবে প্রচার করা হয় যেন তা কোনো গোপন ঘটনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
নেতানিয়াহুর মৃত্যুর খবরকে গুজব হিসেবে তুলে ধরতে জেরুজালেম পোস্ট কিছু ঘটনার উল্লেখ করেছে। এর মধ্যে গত ৭ মার্চ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহুর বক্তব্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ইসরায়েল সরকারের সরকারি ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে, ৬ মার্চ তিনি বিয়ারশেবা শহরে একটি হামলার স্থল পরিদর্শন করেন।
স্বাধীন কয়েকটি প্রতিবেদনেও সাম্প্রতিক সময়ে নেতানিয়াহুর জনসমক্ষে সক্রিয় থাকার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে তার ফোনালাপ, যার তথ্য ফরাসি প্রেসিডেন্সি এলিসে প্রাসাদ প্রকাশ করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ কখন শেষ হবে তা যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরানই ঠিক করবে বলে জানিয়েছে তেহরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধের সময়সীমা নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তার জবাবে এই ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
১১ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ‘এমেক হা-এলা’ লক্ষ্য করে এক ঝাঁক আত্মঘাতী ড্রোন দিয়ে এই হামলা চালানো হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন অসমর্থিত সূত্র ও গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হচ্ছে যে, নেতানিয়াহু যে বাঙ্কারে বা সুরক্ষিত স্থানে অবস্থান করছিলেন, সেখানে আইআরজিসি-র নজিরবিহীন নিখুঁত হামলার সময় তিনি গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারেন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্
১২ ঘণ্টা আগে
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পর রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাদের প্রতিবেদকেরা তেহরানে সোমবার রাতে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। তবে বিস্ফোরণের লক্ষ্যবস্তু এবং প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।
১৫ ঘণ্টা আগে