
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রয়াণের পর তারই ছেলে মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ পরিষদ।
বুধবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টার দিকে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইরানি টেলিভিশন চ্যানেল ইরান ইন্টারন্যাশনাল এ খবর দিয়েছে।
ইরান ইন্টারন্যাশনাল সূত্রের বরাতে এ খবর দিলেও ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষজ্ঞ পরিষদ বা সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে আলি খামেনির সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের তালিকায় তারই ছেলে মোজতবা খামেনি বরাবরই আলোচনায় ছিলেন। ৫৬ বছর বয়সী এই আলেমকে কট্টরপন্থি ধারার ধারক হিসেবে দেখা হয়। বলা হয়ে থাকে, বাবার মতাদর্শের অনুসারী তিনি। তবে কখনো সরকারি কোনো দায়িত্ব পালন করেননি তিনি।
তবে নিউইয়র্ক টাইমসের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছর দুয়েক হলো তিনি খুব একটা প্রকাশ্য ছিলেন না। এ সময়ে বরং ইরানের ইসলামি বিপ্লবের জনক আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নাতি হাসান খোমেনি অনেক বেশি আলোচনায় ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানের ইসলামি রেভ্যুলেশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) চাপেই মোজতবাকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
ইরানের বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ চলমান অবস্থায় মোজতবার নেতৃত্বকে আলি খামেনির ধারাবাহিকতা হিসেবেই দেখবেন তার অনুসারীরা। আইআরজিসির সঙ্গে মোজতবার সম্পর্কও বেশ ঘনিষ্ঠ। এ কারণেই মুজতবার কাঁধে পড়েছে ইরানের দায়িত্ব।
তবে বিপরীত চিত্রও রয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক মন্তব্যে ইরানের রাজনৈতিক বিশ্লেষক মেহদি রহমতি বলেছিলেন, ইরানের চলমান শাসক গোষ্ঠীর ধারাবাহিকতার জন্য মোজতবা ভালো একটি পছন্দ হতে পারে। একই কারণে যারা ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার বিরোধী, তারা মুজতবাকে সমান পরিমাণ অপছন্দ করবেন। ফলে বহির্শক্তির সঙ্গে যুদ্ধ ছাড়াও ইরানে সরকারবিরোধী যে বিক্ষোভ, তা সহসাই থামবে না যদি মোজতবাকে তার বাবার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
মোজতবা তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। তার বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ছিলেন ইরানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। ১৯৮৯ সাল থেকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহতের আগ পর্যন্ত প্রায় ৩৭ বছর এ পদে ছিলেন তিনি।
এর আগে ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ছিলেন আলি খামেনির গুরু আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। ১৯৭৯ সালে তার নেতৃত্বেই ইরানে ইসলামি বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং শাহ (রাজা) রেজা পাহলভির রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে। এরপরই ইরানে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার অধীনে শাসন চালু হয়।
ইরান সংবিধানে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর পদ থাকলেও ক্ষমতা কাঠামোতে সবার ওপরে স্থান ধর্মীয় নেতার। রাষ্ট্রের সব কৌশলগত সিদ্ধান্ত— সামরিক, পররাষ্ট্রনীতি ও নিরাপত্তা চূড়ান্তভাবে তার হাতেই ন্যস্ত থাকে। একই সঙ্গে তিনি সশস্ত্র বাহিনী ও আইআরজিসির সর্বাধিনায়ক। বলতে গেলে তিনিই ইরান রাষ্ট্র পরিচালনা করে থাকেন। নির্বাচিত হলে আজীবন দায়িত্বে থাকতে পারেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রয়াণের পর তারই ছেলে মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ পরিষদ।
বুধবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টার দিকে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইরানি টেলিভিশন চ্যানেল ইরান ইন্টারন্যাশনাল এ খবর দিয়েছে।
ইরান ইন্টারন্যাশনাল সূত্রের বরাতে এ খবর দিলেও ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষজ্ঞ পরিষদ বা সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে আলি খামেনির সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের তালিকায় তারই ছেলে মোজতবা খামেনি বরাবরই আলোচনায় ছিলেন। ৫৬ বছর বয়সী এই আলেমকে কট্টরপন্থি ধারার ধারক হিসেবে দেখা হয়। বলা হয়ে থাকে, বাবার মতাদর্শের অনুসারী তিনি। তবে কখনো সরকারি কোনো দায়িত্ব পালন করেননি তিনি।
তবে নিউইয়র্ক টাইমসের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছর দুয়েক হলো তিনি খুব একটা প্রকাশ্য ছিলেন না। এ সময়ে বরং ইরানের ইসলামি বিপ্লবের জনক আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নাতি হাসান খোমেনি অনেক বেশি আলোচনায় ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানের ইসলামি রেভ্যুলেশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) চাপেই মোজতবাকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
ইরানের বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ চলমান অবস্থায় মোজতবার নেতৃত্বকে আলি খামেনির ধারাবাহিকতা হিসেবেই দেখবেন তার অনুসারীরা। আইআরজিসির সঙ্গে মোজতবার সম্পর্কও বেশ ঘনিষ্ঠ। এ কারণেই মুজতবার কাঁধে পড়েছে ইরানের দায়িত্ব।
তবে বিপরীত চিত্রও রয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক মন্তব্যে ইরানের রাজনৈতিক বিশ্লেষক মেহদি রহমতি বলেছিলেন, ইরানের চলমান শাসক গোষ্ঠীর ধারাবাহিকতার জন্য মোজতবা ভালো একটি পছন্দ হতে পারে। একই কারণে যারা ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার বিরোধী, তারা মুজতবাকে সমান পরিমাণ অপছন্দ করবেন। ফলে বহির্শক্তির সঙ্গে যুদ্ধ ছাড়াও ইরানে সরকারবিরোধী যে বিক্ষোভ, তা সহসাই থামবে না যদি মোজতবাকে তার বাবার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
মোজতবা তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। তার বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ছিলেন ইরানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। ১৯৮৯ সাল থেকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহতের আগ পর্যন্ত প্রায় ৩৭ বছর এ পদে ছিলেন তিনি।
এর আগে ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ছিলেন আলি খামেনির গুরু আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। ১৯৭৯ সালে তার নেতৃত্বেই ইরানে ইসলামি বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং শাহ (রাজা) রেজা পাহলভির রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে। এরপরই ইরানে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার অধীনে শাসন চালু হয়।
ইরান সংবিধানে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর পদ থাকলেও ক্ষমতা কাঠামোতে সবার ওপরে স্থান ধর্মীয় নেতার। রাষ্ট্রের সব কৌশলগত সিদ্ধান্ত— সামরিক, পররাষ্ট্রনীতি ও নিরাপত্তা চূড়ান্তভাবে তার হাতেই ন্যস্ত থাকে। একই সঙ্গে তিনি সশস্ত্র বাহিনী ও আইআরজিসির সর্বাধিনায়ক। বলতে গেলে তিনিই ইরান রাষ্ট্র পরিচালনা করে থাকেন। নির্বাচিত হলে আজীবন দায়িত্বে থাকতে পারেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।

কুয়ালালামপুরে তিনি যে বাংলাদেশি মালিকের প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন, তারাও হন্যে হয়ে চেষ্টা করছেন কুয়ালালামপুর কিংবা বাংলাদেশের কোথাও তার কোনো স্বজনকে খুঁজে পাওয়া যায় কি না। তাতেও লাভ হয়নি। ফলে মৃত্যুর ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও হাসপাতালের হিমঘর থেকে মুক্তি মিলছে না দীন মোহাম্মদের।
১ দিন আগে
বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রকে আর কখনো ইরানকে হুমকি দেওয়া চলবে না। ইরান ও অঞ্চলটিতে তাদের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে ওয়াশিংটনকে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপ করা নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, অঞ্চল থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেওয়া, যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতির
২ দিন আগে
দাবানল নিয়ন্ত্রণ অভিযানের উপ-প্রধান টাইলার হেক্ট জানান, দুর্ঘটনার পর কর্মীরা কিছু সময়ের জন্য কাজ বন্ধ রেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। পরবর্তীতে পুনরায় কাজ শুরু হয়। তিনি বলেন, “এই দুর্ঘটনা আমাদের কাজের পদ্ধতি বদলে দেবে না। আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যাব এবং মাটিতে থাকা দমকলকর্মীদের সহায়তায় বিমান
২ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মেয়র এদুয়ার্দো নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, ঘটনার পরপরই তিনি ব্রাজিলের ন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন এজেন্সির (এএনএসি) সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং আকাশে চলাচলকারী সকল হেলিকপ্টারের ওপর নজরদারি বাড়িয়ে যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত কর
২ দিন আগে