
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফ্রান্স গতকাল বুধবার লোহিত সাগরে তাদের বিমানবাহী রণতরি বহর মোতায়েন করেছে। হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সম্ভাব্য একটি মিশনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ফরাসি কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেহরানকে এই প্রস্তাব বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ফ্রান্সের এক কর্মকর্তা ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ (বুধবার) নতুন করে উদ্যোগ নেওয়ার কারণ হলো— হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ অব্যাহত আছে, ফলে বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি ক্রমশ বাড়ছে এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার ঝুঁকি এতটাই গুরুতর যে তা গ্রহণযোগ্য নয়।’
ফ্রান্স-যুক্তরাজ্য যৌথ প্রস্তাবের প্রস্তুতি
ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য কয়েক সপ্তাহ ধরে একটি যৌথ প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে, যার লক্ষ্য পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে বা সংঘাতের সমাধান হলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ নৌচলাচলের ভিত্তি তৈরি করা। এই মিশনে বারোটি দেশ অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানা গেছে, তবে এর জন্য ইরানের সঙ্গে সমন্বয়ের প্রয়োজন হবে।
ফরাসি সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘চার্লস দ্য গল’ বিমানবাহী রণতরিটি নেতৃত্বাধীন বহর ইতালি ও নেদারল্যান্ডসের যুদ্ধজাহাজসহ দক্ষিণ লোহিত সাগরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
সেনাবাহিনী জানায়, এই রণতরি বহর মোতায়েনের লক্ষ্য হলো— আঞ্চলিক অপারেশনাল পরিবেশ মূল্যায়ন, সংকট ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অংশীদার দেশগুলোর সম্পদকে প্রতিরক্ষামূলক কাঠামোর মধ্যে একীভূত করা এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের অংশীদারদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সহায়তা করা।
ফরাসি ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমাদের প্রস্তাব হলো— ইরানি জাহাজ হরমুজ দিয়ে চলাচলের সুযোগ পাবে এবং এর বিনিময়ে তারা পারমাণবিক উপকরণ, ক্ষেপণাস্ত্র এবং আঞ্চলিক ইস্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সম্মত হবে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে তাদের অবরোধ তুলে নেবে এবং এর বিনিময়ে ইরানের আলোচনায় অংশগ্রহণের প্রতিশ্রুতি পাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই শর্তগুলো পূরণ হলে আমরা একটি বহুজাতিক বাহিনী মোতায়েন করতে পারব, যা হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলা নৌবহরগুলোকে নিরাপত্তা দেবে। তবে এর জন্য অবশ্যই ইরানকে জাহাজে হামলা না করার নিশ্চয়তা দিতে হবে।’
হরমুজ ইরানের কৌশলগত চাপের হাতিয়ার
ইরান এই প্রস্তাব বিবেচনা করবে কি না তা স্পষ্ট নয়। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের আলোচনায় হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ দীর্ঘদিন ধরেই একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
ফরাসি ওই কর্মকর্তা বলেন, 'আমরা সম্মিলিতভাবে একটি বার্তা দিতে চাই— আমরা শুধু হরমুজ প্রণালি নিরাপদ করতে প্রস্তুত নই, বরং তা বাস্তবায়নের সক্ষমতাও আমাদের আছে।'
‘এখন প্রশ্ন হলো ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি আদায় করা যাবে কি না,’— যোগ করেন তিনি।
ইউরোপীয় দেশগুলো এখনো পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতে মূলত পর্যবেক্ষকের ভূমিকায় রয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের নৌপথে প্রভাব এবং তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি ওঠানামা করায় ইউরোপীয় শক্তিগুলো নিজেদের স্বার্থ রক্ষার উপায় খুঁজছে।
এদিকে অবরোধ নীতির প্রতি সমর্থন না দেওয়ায় ইউরোপীয় দেশগুলোর সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ তিনি অভিযোগ করেছেন, এসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন প্রচেষ্টার সঙ্গে একাত্মতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে ফ্রান্সের এই পদক্ষেপকে ওই উদ্বেগ প্রশমনের একটি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
রাজনীতি/আইআর

ফ্রান্স গতকাল বুধবার লোহিত সাগরে তাদের বিমানবাহী রণতরি বহর মোতায়েন করেছে। হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সম্ভাব্য একটি মিশনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ফরাসি কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেহরানকে এই প্রস্তাব বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ফ্রান্সের এক কর্মকর্তা ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ (বুধবার) নতুন করে উদ্যোগ নেওয়ার কারণ হলো— হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ অব্যাহত আছে, ফলে বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি ক্রমশ বাড়ছে এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার ঝুঁকি এতটাই গুরুতর যে তা গ্রহণযোগ্য নয়।’
ফ্রান্স-যুক্তরাজ্য যৌথ প্রস্তাবের প্রস্তুতি
ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য কয়েক সপ্তাহ ধরে একটি যৌথ প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে, যার লক্ষ্য পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে বা সংঘাতের সমাধান হলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ নৌচলাচলের ভিত্তি তৈরি করা। এই মিশনে বারোটি দেশ অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানা গেছে, তবে এর জন্য ইরানের সঙ্গে সমন্বয়ের প্রয়োজন হবে।
ফরাসি সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘চার্লস দ্য গল’ বিমানবাহী রণতরিটি নেতৃত্বাধীন বহর ইতালি ও নেদারল্যান্ডসের যুদ্ধজাহাজসহ দক্ষিণ লোহিত সাগরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
সেনাবাহিনী জানায়, এই রণতরি বহর মোতায়েনের লক্ষ্য হলো— আঞ্চলিক অপারেশনাল পরিবেশ মূল্যায়ন, সংকট ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অংশীদার দেশগুলোর সম্পদকে প্রতিরক্ষামূলক কাঠামোর মধ্যে একীভূত করা এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের অংশীদারদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সহায়তা করা।
ফরাসি ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমাদের প্রস্তাব হলো— ইরানি জাহাজ হরমুজ দিয়ে চলাচলের সুযোগ পাবে এবং এর বিনিময়ে তারা পারমাণবিক উপকরণ, ক্ষেপণাস্ত্র এবং আঞ্চলিক ইস্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সম্মত হবে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে তাদের অবরোধ তুলে নেবে এবং এর বিনিময়ে ইরানের আলোচনায় অংশগ্রহণের প্রতিশ্রুতি পাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই শর্তগুলো পূরণ হলে আমরা একটি বহুজাতিক বাহিনী মোতায়েন করতে পারব, যা হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলা নৌবহরগুলোকে নিরাপত্তা দেবে। তবে এর জন্য অবশ্যই ইরানকে জাহাজে হামলা না করার নিশ্চয়তা দিতে হবে।’
হরমুজ ইরানের কৌশলগত চাপের হাতিয়ার
ইরান এই প্রস্তাব বিবেচনা করবে কি না তা স্পষ্ট নয়। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের আলোচনায় হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ দীর্ঘদিন ধরেই একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
ফরাসি ওই কর্মকর্তা বলেন, 'আমরা সম্মিলিতভাবে একটি বার্তা দিতে চাই— আমরা শুধু হরমুজ প্রণালি নিরাপদ করতে প্রস্তুত নই, বরং তা বাস্তবায়নের সক্ষমতাও আমাদের আছে।'
‘এখন প্রশ্ন হলো ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি আদায় করা যাবে কি না,’— যোগ করেন তিনি।
ইউরোপীয় দেশগুলো এখনো পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতে মূলত পর্যবেক্ষকের ভূমিকায় রয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের নৌপথে প্রভাব এবং তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি ওঠানামা করায় ইউরোপীয় শক্তিগুলো নিজেদের স্বার্থ রক্ষার উপায় খুঁজছে।
এদিকে অবরোধ নীতির প্রতি সমর্থন না দেওয়ায় ইউরোপীয় দেশগুলোর সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ তিনি অভিযোগ করেছেন, এসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন প্রচেষ্টার সঙ্গে একাত্মতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে ফ্রান্সের এই পদক্ষেপকে ওই উদ্বেগ প্রশমনের একটি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
রাজনীতি/আইআর

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
১৩ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
১৭ ঘণ্টা আগে
থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এমন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন, যাতে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। নতুন আইনে শুধু দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১ দিন আগে
অনুসন্ধানে রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোর সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ৫১৬টি ‘মালিকবিহীন সম্পত্তি’র তালিকা বিশ্লেষণ করা হয়। একই ঠিকানা একাধিকবার গণনা না করতে তালিকাগুলো যাচাই-বাছাই করে পুনরাবৃত্তি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং পরে যেসব সম্পত্তির মালিক নিজেদের অধিকার প্রমাণ করতে পেরেছেন, সেগুলোও হিসাব থেকে বা
১ দিন আগে