
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধে ৪০ দিন পর যখন প্রথম যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে, ঠিক সেদিনই লেবাননে সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। দিনভর হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৫৪ জন, আহত হয়েছেন সহস্রাধিক মানুষ।
এই হামলাকে ইরান যুদ্ধবিরতির সুস্পষ্ট লক্ষ্মণ বলে অভিহিত করেছে। দেশটি সতর্ক করে বলেছে, পরিস্থিতি না বদলালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি থেকে তেহরান সরে আসতে পারে। তবে ইসরায়েল বলছে, লেবাবন যুদ্ধবিরতির অংশ নয় বলে সেখানে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের অভিযান চলমান থাকবে।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলি জাজিরা ও ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতের দিকে (বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোর) যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন ট্রাম্প। ইরানও আলোচনায় বসতে রাজি বলে জানায়। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লেবাবনে শুরু হয় ইসরায়েলি হামলা।
খবরে বলা হয়, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান রাজধানী বৈরুতের কেন্দ্রস্থলে একাধিক ভবন গুঁড়িয়ে দেয়। আকাশ ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়। দেশ জুড়ে হিজবুল্লাহর শতাধিক সামরিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালানো হয়। বিস্ফোরণে বৈরুতের সড়কে গাড়ি দুমড়ে-মুচড়ে পড়ে থাকে, আর দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা ভবনের আগুন নেভাতে হিমশিম খেতে হয় উদ্ধারকর্মীদের।
লেবাননের হাসপাতালগুলো জরুরি ভিত্তিতে রক্তদানের আহ্বান জানিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সাধারণ মানুষকে সড়ক খালি রাখতে অনুরোধ করে, যেন অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত আহতদের কাছে পৌঁছাতে পারে। হামলার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই পরিবারের খোঁজে বাড়ির দিকে ছুটে যান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া শিশুদের ছবি ছড়িয়ে পড়ে, পরিবারগুলো একে অন্যকে খুঁজতে থাকে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ একে আকস্মিক আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেন, যার লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহ। এবারের যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হিজবুল্লাহ ইরানকে সমর্থন জানিয়ে আসছে। একপর্যায়ে তারা ইসরায়লের ওপর হামলাও শুরু করে। ইসরায়েলও লেবানন জুড়ে হিজবুল্লাহর বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা করতে থাকে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ একে আকস্মিক আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেন, যার লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহ। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি লেবাননের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, যা পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দেওয়া আগের ঘোষণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, লেবানন একটি ‘আলাদা সংঘাত’ এবং এটি চুক্তির অংশ নয়।
ইরানের বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকলে ইরান চুক্তি থেকে সরে যেতে প্রস্তুত। এ নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেন, ইরান ও লেবানন— এই দুই ফ্রন্ট আলাদা। তার ভাষায়, লক্ষ্য হলো লেবাননের বাস্তবতা বদলে দেওয়া এবং উত্তরের বাসিন্দাদের জন্য হুমকি দূর করা। তিনি সরাসরি হিজবুল্লাহ নেতা নাইম কাসেমকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের হয়ে হামলা চালানোর জন্য হিজবুল্লাহকে চড়া মূল্য দিতে হবে, নাইম কাসেমের পালাও আসবে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র জানান, বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলের বাইরে শহরের অন্যান্য এলাকাতেও হামলা বিস্তৃত করা হতে পারে। তিনি দাবি করেন, হিজবুল্লাহ মিশ্র জনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থান নিচ্ছে এবং তাদের যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই হামলা চালানো হবে।
এ ঘোষণার পর পশ্চিম বৈরুতের তালেত আল-খায়েত এলাকায় নতুন করে একটি ভবন ধ্বংস করা হয়, যা এর আগে এই যুদ্ধে লক্ষ্যবস্তু হয়নি। এতে আতঙ্ক আরও বেড়ে যায়।
ট্রাম্প জানান, তিনি ইসরায়েলের এই হামলার বিষয়ে অবগত ছিলেন এবং পুনরায় বলেন, লেবানন চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়। হিজবুল্লাহর কারণে এটিকে তিনি ‘আলাদা সংঘাত’ হিসেবে দেখছেন।
কূটনৈতিক সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় ইসরায়েল সরাসরি অংশ নেয়নি। যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার ঠিক আগে ট্রাম্প ফোনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে সিদ্ধান্তটি জানান।
ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ায়ির লাপিড দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কঠোর সমালোচনা করে বলেন, আমাদের ইতিহাসে এত বড় রাজনৈতিক বিপর্যয় আর হয়নি। জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ইসরায়েল আলোচনার টেবিলেই ছিল না।
এদিকে পাঁচ সপ্তাহের এ যুদ্ধে লেবানন প্রায় ভেঙে পড়ার মুখে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় এক হাজার ৫৩০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন চার হজার ৮১২ জন আহত হয়েছেন। প্রায় ১১ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, যাদের অনেকেই এখন খোলা আকাশের নিচে জীবন কাটাচ্ছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধে ৪০ দিন পর যখন প্রথম যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে, ঠিক সেদিনই লেবাননে সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। দিনভর হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৫৪ জন, আহত হয়েছেন সহস্রাধিক মানুষ।
এই হামলাকে ইরান যুদ্ধবিরতির সুস্পষ্ট লক্ষ্মণ বলে অভিহিত করেছে। দেশটি সতর্ক করে বলেছে, পরিস্থিতি না বদলালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি থেকে তেহরান সরে আসতে পারে। তবে ইসরায়েল বলছে, লেবাবন যুদ্ধবিরতির অংশ নয় বলে সেখানে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের অভিযান চলমান থাকবে।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলি জাজিরা ও ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতের দিকে (বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোর) যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন ট্রাম্প। ইরানও আলোচনায় বসতে রাজি বলে জানায়। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লেবাবনে শুরু হয় ইসরায়েলি হামলা।
খবরে বলা হয়, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান রাজধানী বৈরুতের কেন্দ্রস্থলে একাধিক ভবন গুঁড়িয়ে দেয়। আকাশ ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়। দেশ জুড়ে হিজবুল্লাহর শতাধিক সামরিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালানো হয়। বিস্ফোরণে বৈরুতের সড়কে গাড়ি দুমড়ে-মুচড়ে পড়ে থাকে, আর দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা ভবনের আগুন নেভাতে হিমশিম খেতে হয় উদ্ধারকর্মীদের।
লেবাননের হাসপাতালগুলো জরুরি ভিত্তিতে রক্তদানের আহ্বান জানিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সাধারণ মানুষকে সড়ক খালি রাখতে অনুরোধ করে, যেন অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত আহতদের কাছে পৌঁছাতে পারে। হামলার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই পরিবারের খোঁজে বাড়ির দিকে ছুটে যান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া শিশুদের ছবি ছড়িয়ে পড়ে, পরিবারগুলো একে অন্যকে খুঁজতে থাকে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ একে আকস্মিক আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেন, যার লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহ। এবারের যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হিজবুল্লাহ ইরানকে সমর্থন জানিয়ে আসছে। একপর্যায়ে তারা ইসরায়লের ওপর হামলাও শুরু করে। ইসরায়েলও লেবানন জুড়ে হিজবুল্লাহর বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা করতে থাকে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ একে আকস্মিক আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেন, যার লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহ। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি লেবাননের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, যা পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দেওয়া আগের ঘোষণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, লেবানন একটি ‘আলাদা সংঘাত’ এবং এটি চুক্তির অংশ নয়।
ইরানের বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকলে ইরান চুক্তি থেকে সরে যেতে প্রস্তুত। এ নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেন, ইরান ও লেবানন— এই দুই ফ্রন্ট আলাদা। তার ভাষায়, লক্ষ্য হলো লেবাননের বাস্তবতা বদলে দেওয়া এবং উত্তরের বাসিন্দাদের জন্য হুমকি দূর করা। তিনি সরাসরি হিজবুল্লাহ নেতা নাইম কাসেমকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের হয়ে হামলা চালানোর জন্য হিজবুল্লাহকে চড়া মূল্য দিতে হবে, নাইম কাসেমের পালাও আসবে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র জানান, বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলের বাইরে শহরের অন্যান্য এলাকাতেও হামলা বিস্তৃত করা হতে পারে। তিনি দাবি করেন, হিজবুল্লাহ মিশ্র জনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থান নিচ্ছে এবং তাদের যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই হামলা চালানো হবে।
এ ঘোষণার পর পশ্চিম বৈরুতের তালেত আল-খায়েত এলাকায় নতুন করে একটি ভবন ধ্বংস করা হয়, যা এর আগে এই যুদ্ধে লক্ষ্যবস্তু হয়নি। এতে আতঙ্ক আরও বেড়ে যায়।
ট্রাম্প জানান, তিনি ইসরায়েলের এই হামলার বিষয়ে অবগত ছিলেন এবং পুনরায় বলেন, লেবানন চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়। হিজবুল্লাহর কারণে এটিকে তিনি ‘আলাদা সংঘাত’ হিসেবে দেখছেন।
কূটনৈতিক সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় ইসরায়েল সরাসরি অংশ নেয়নি। যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার ঠিক আগে ট্রাম্প ফোনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে সিদ্ধান্তটি জানান।
ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ায়ির লাপিড দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কঠোর সমালোচনা করে বলেন, আমাদের ইতিহাসে এত বড় রাজনৈতিক বিপর্যয় আর হয়নি। জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ইসরায়েল আলোচনার টেবিলেই ছিল না।
এদিকে পাঁচ সপ্তাহের এ যুদ্ধে লেবানন প্রায় ভেঙে পড়ার মুখে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় এক হাজার ৫৩০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন চার হজার ৮১২ জন আহত হয়েছেন। প্রায় ১১ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, যাদের অনেকেই এখন খোলা আকাশের নিচে জীবন কাটাচ্ছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তাবকে ‘বাস্তবায়নযোগ্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই প্রস্তাবটি ভবিষ্যতের একটি বড় শান্তি চুক্তির ভিত্তি হতে পারে এবং দুই দেশের বহু জটিল ইস্যু নীতিগতভাবে সমাধানের পথে রয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ‘শোচনীয় পরাজয়’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
ইরানের সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি দেশটির বেসামরিক ও গবেষণা অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েল-এর বিরুদ্ধে। সাম্প্রতিক কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের অন্তত ৩০টি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি ক
১১ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্যভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী ইরান যুদ্ধের ৪০ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা ৬ বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের মোট ৫ হাজার ৩৬৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে ইরানের ৩ হাজার ৬৩৬ জন এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ২৬ জন নিহত হয়েছেন।
১৩ ঘণ্টা আগে