
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে লাখো মানুষ সমবেত হয়েছেন। রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই পুরো এলাকা শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে ভরে উঠেছে। এই প্রাঙ্গণেই আলি খামেনির মরদেহ বহনকারী কফিন রাখা হয়েছে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য।
এদিকে বিশ্বের প্রায় সব দেশ ইরানে তাদের প্রতিনিধি পাঠিয়েছে আলি খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। মুসলিম দেশগুলো থেকে শুরু রাশিয়াসহ ইউরোপ-আমেরিকার দেশ থেকেও সেখানে হাজির হয়েছেন বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ইরানে আলি খামেনির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি ও ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ইরনার খবরে বলা হয়েছে, শনিবার তেহরানে খামেনির প্রথম জানাজা হবে। সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, এ জানাজায় বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিরাসহ লাখ লাখ মানুষের সমাগম হবে। শনিবার সকাল থেকে গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে লাখো মানুষের উপস্থিতি কর্মকর্তাদের সেই ধারণা সঠিক প্রমাণ করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গ্র্যান্ড মোসাল্লা নামে বিশাল এই কমপ্লেক্সের মূল প্রাঙ্গণ শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে হয়ে গেছে আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই। জানাজা ঘিরে রাজধানী তেহরান জুড়ে কঠোর যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।
এএফপির এক সাংবাদিক জানান, অনেক মানুষ যানজট ও সড়ক নিয়ন্ত্রণের কারণে কয়েক কিলোমিটার পথ হেঁটে গ্র্যান্ড মাসাল্লায় পৌঁছান, যেন তারা শেষবারের মতো প্রয়াত নেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে পারেন।
এর আগে শুক্রবার ইরানি ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিন তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রাক-জানাজা অনুষ্ঠানে কালো পোশাক পরা শোকাহত মানুষের ভিড়, লাল ফুল এবং সাদা প্রজাপতি দিয়ে সাজানো পরিবেশও দেখা গেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ হামলা চালালে প্রথম দিনেই নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। চলমান যুদ্ধাবস্থার জন্য তার জানাজা ও দাফন স্থগিত করা হয়। যুদ্ধবিরতির পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দফায় দফায় আলোচনা ও বৈঠকের মাধ্যমে সমঝোতা হওয়ায় পরিস্থিতি এখন কিছুটা স্বাভাবিক। সে কারণেই এই সময়টিকে আলি খামেনির জানাজার জন্য বেছে নিয়েছে ইরান।
শনিবার তেহরানে জানাজার পর কোম ও ইরাকে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে। পরে আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জন্মস্থান উত্তরপূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরের ইমাম রেজার মাজারে দাফন করা হবে দেশটিকে ৩৬ বছর ধরে নেতৃত্ব দিয়ে যাওয়া সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খামেনিকে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে লাখো মানুষ সমবেত হয়েছেন। রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই পুরো এলাকা শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে ভরে উঠেছে। এই প্রাঙ্গণেই আলি খামেনির মরদেহ বহনকারী কফিন রাখা হয়েছে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য।
এদিকে বিশ্বের প্রায় সব দেশ ইরানে তাদের প্রতিনিধি পাঠিয়েছে আলি খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। মুসলিম দেশগুলো থেকে শুরু রাশিয়াসহ ইউরোপ-আমেরিকার দেশ থেকেও সেখানে হাজির হয়েছেন বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ইরানে আলি খামেনির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি ও ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ইরনার খবরে বলা হয়েছে, শনিবার তেহরানে খামেনির প্রথম জানাজা হবে। সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, এ জানাজায় বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিরাসহ লাখ লাখ মানুষের সমাগম হবে। শনিবার সকাল থেকে গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে লাখো মানুষের উপস্থিতি কর্মকর্তাদের সেই ধারণা সঠিক প্রমাণ করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গ্র্যান্ড মোসাল্লা নামে বিশাল এই কমপ্লেক্সের মূল প্রাঙ্গণ শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে হয়ে গেছে আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই। জানাজা ঘিরে রাজধানী তেহরান জুড়ে কঠোর যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।
এএফপির এক সাংবাদিক জানান, অনেক মানুষ যানজট ও সড়ক নিয়ন্ত্রণের কারণে কয়েক কিলোমিটার পথ হেঁটে গ্র্যান্ড মাসাল্লায় পৌঁছান, যেন তারা শেষবারের মতো প্রয়াত নেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে পারেন।
এর আগে শুক্রবার ইরানি ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিন তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রাক-জানাজা অনুষ্ঠানে কালো পোশাক পরা শোকাহত মানুষের ভিড়, লাল ফুল এবং সাদা প্রজাপতি দিয়ে সাজানো পরিবেশও দেখা গেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ হামলা চালালে প্রথম দিনেই নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। চলমান যুদ্ধাবস্থার জন্য তার জানাজা ও দাফন স্থগিত করা হয়। যুদ্ধবিরতির পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দফায় দফায় আলোচনা ও বৈঠকের মাধ্যমে সমঝোতা হওয়ায় পরিস্থিতি এখন কিছুটা স্বাভাবিক। সে কারণেই এই সময়টিকে আলি খামেনির জানাজার জন্য বেছে নিয়েছে ইরান।
শনিবার তেহরানে জানাজার পর কোম ও ইরাকে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে। পরে আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জন্মস্থান উত্তরপূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরের ইমাম রেজার মাজারে দাফন করা হবে দেশটিকে ৩৬ বছর ধরে নেতৃত্ব দিয়ে যাওয়া সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খামেনিকে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভবিষ্যতে আরও ঘন ঘন ও তীব্র তাপপ্রবাহের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই এখন বড় প্রশ্ন— মানুষের শরীর কি এই পরিবর্তিত আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে?
১৭ ঘণ্টা আগে
নিহত পাইলট যে বিমানে ছিলেন, সেটি পিটি এএমএ নামে একটি বিমান সংস্থার মালিকানাধীন। প্রতিষ্ঠানটি পাপুয়ার দুর্গম এলাকায় খাদ্য, জ্বালানি ও ডাক পরিবহন সেবা দিয়ে থাকে।
১৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সাত দিনব্যাপী দাফনের আনুষ্ঠানিকতা আজ শুক্রবার শুরু হয়েছে। লাখ লাখ শোকাহত মানুষ এতে অংশ নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা, শোকসভা ও শোকমিছিলের আয়োজন করা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
হুংকার ছেড়ে মেজর জেনারেল আমির হাতামি বলেন, আমরা পূর্বের চেয়ে আরও দৃঢ় সংকল্পের সাথে ইরানি জাতির মূল শত্রু—আমেরিকা এবং অপরাধী জায়নবাদী গোষ্ঠীর উদ্দেশ্যে অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় ঘোষণা করছি যে আমাদের শহীদ নেতা খামেনির পবিত্র রক্তের প্রতিটি ফোঁটার প্রতিশোধ আমরা নেবই। এই কাপুরুষোচিত হামলার চড়া মূল্য তাদের
১৮ ঘণ্টা আগে