
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনিকে হত্যার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ‘রক্তের বদলা’ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি। এই কাপুরুষোচিত হামলার জন্য শত্রুপক্ষকে চরম মূল্য চোকাতে হবে উল্লেখ করে তিনি একে সরাসরি যুদ্ধের ডাক হিসেবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানী তেহরানে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে অনুষ্ঠিত আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা ও শেষকৃত্য আনুষ্ঠানিকতার ফাঁকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সামরিক প্রধান এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এখন চরম সীমায় পৌঁছেছে।
হুংকার ছেড়ে মেজর জেনারেল আমির হাতামি বলেন, আমরা পূর্বের চেয়ে আরও দৃঢ় সংকল্পের সাথে ইরানি জাতির মূল শত্রু—আমেরিকা এবং অপরাধী জায়নবাদী গোষ্ঠীর উদ্দেশ্যে অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় ঘোষণা করছি যে আমাদের শহীদ নেতা খামেনির পবিত্র রক্তের প্রতিটি ফোঁটার প্রতিশোধ আমরা নেবই। এই কাপুরুষোচিত হামলার চড়া মূল্য তাদের চোকাতে হবে।
সামরিক প্রধানের এমন বক্তব্য থেকে এটি স্পষ্ট যে ইরান কেবল এই শোক কাটিয়ে ওঠার লড়াই করছে না, বরং মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক অবস্থানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের পাল্টা আঘাত বা সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে এখন চরম যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে এবং যেকোনো সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনিকে হত্যার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ‘রক্তের বদলা’ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি। এই কাপুরুষোচিত হামলার জন্য শত্রুপক্ষকে চরম মূল্য চোকাতে হবে উল্লেখ করে তিনি একে সরাসরি যুদ্ধের ডাক হিসেবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানী তেহরানে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে অনুষ্ঠিত আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা ও শেষকৃত্য আনুষ্ঠানিকতার ফাঁকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সামরিক প্রধান এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এখন চরম সীমায় পৌঁছেছে।
হুংকার ছেড়ে মেজর জেনারেল আমির হাতামি বলেন, আমরা পূর্বের চেয়ে আরও দৃঢ় সংকল্পের সাথে ইরানি জাতির মূল শত্রু—আমেরিকা এবং অপরাধী জায়নবাদী গোষ্ঠীর উদ্দেশ্যে অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় ঘোষণা করছি যে আমাদের শহীদ নেতা খামেনির পবিত্র রক্তের প্রতিটি ফোঁটার প্রতিশোধ আমরা নেবই। এই কাপুরুষোচিত হামলার চড়া মূল্য তাদের চোকাতে হবে।
সামরিক প্রধানের এমন বক্তব্য থেকে এটি স্পষ্ট যে ইরান কেবল এই শোক কাটিয়ে ওঠার লড়াই করছে না, বরং মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক অবস্থানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের পাল্টা আঘাত বা সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে এখন চরম যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে এবং যেকোনো সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৯ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
২১ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে