
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ছয় দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইরানে নিহতের সংখ্যা ১২ শ ছাড়িয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত এ কয়েক দিনে ইসরায়েলে ১১ জন ও ছয়জন মার্কিন সেনা নিহতের তথ্য পাওয়া গেছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এ যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। এসব দেশেও ঘটছে প্রাণহানি। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৭৭ জন নিহত হয়েছেন বাহরাইনে, যেখানে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল।
সবশেষ তথ্য বলছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানে কমপক্ষে এক হাজার ২৩০ জন নিহত হয়েছেন। ইরানের বেসরকারি সংস্থা ফাউন্ডেশন অব মারটারস অ্যান্ড ভেটেরান অ্যাফেয়ার্সের জানিয়েছে, ইরানের সরকারি সংস্থাগুলো বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলাগুলোর মধ্যে মিনাব শহরে মেয়েদের একটি স্কুলে হামলায় শিক্ষার্থীসহ কমপক্ষে ১৭৫ জন নিহত হয়। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারও ইরানের দুটি বিদ্যালয়ে হামলা করেছে ইসরায়েল। এ দুই স্কুলে হতাহতের সংখ্যা এখনো জানা যায়নি।
এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের ১১ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে গত ১ মার্চ ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলের বেইত শেমেশ এলাকায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলাতেই নিহত হয়েছিলেন ৯ জন।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডার (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে কমপক্ষে ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় তারা নিহত হন। মার্কিন সেনাদের মধ্যে গুরুতর আহত রয়েছেন আরও কয়েকজন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজ দেশের এসব সেনার প্রাণহানিতে সমবেদনা জানালেও একই সঙ্গে এ-ও বলেছেন, যুদ্ধে সেনাদের প্রাণহানি স্বাভাবিক ঘটনা। কিছু সেনা মারা যাবেন, এটি স্বাভাবিক।
ইরানের সমর্থনপুষ্ট লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ শুরু থেকেই এ যুদ্ধেও ইরানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ইসরায়েলের ওপর হামলাও চালায় তারা। এ হামলার প্রতিশোধ নিতেই রাজধানী বৈরুতসহ লেবাননের বিভিন্ন শহরে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এসব হামলায় এরই মধ্যে নিহত হয়েছেন ৭৭ জন। চলমান এই যুদ্ধে ইরান ছাড়া আর কোনো দেশে এত প্রাণহানি ঘটেনি।
মধ্যপ্রাচ্যের অন্য যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে তার সবগুলোতেই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। এর মধ্যে কুয়েতে দুই সেনাসহ নিহত হয়েছেন চারজন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিহত হয়েছেন তিনজন।
এ ছাড়া ওমান উপকূলের কাছে একটি ট্যাংকারে হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। বাহরাইনেও সালমান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর অগ্নিকাণ্ডে একজন নিহত হয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের এসব দেশের প্রতিটিতেই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছেন। বাহরাইনে ইরানের হামলায় যে ব্যক্তি নিহত হয়েছেন তিনি বাংলাদেশি। সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিহত তিনজনের একজনও বাংলাদেশি।

ছয় দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইরানে নিহতের সংখ্যা ১২ শ ছাড়িয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত এ কয়েক দিনে ইসরায়েলে ১১ জন ও ছয়জন মার্কিন সেনা নিহতের তথ্য পাওয়া গেছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এ যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। এসব দেশেও ঘটছে প্রাণহানি। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৭৭ জন নিহত হয়েছেন বাহরাইনে, যেখানে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল।
সবশেষ তথ্য বলছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানে কমপক্ষে এক হাজার ২৩০ জন নিহত হয়েছেন। ইরানের বেসরকারি সংস্থা ফাউন্ডেশন অব মারটারস অ্যান্ড ভেটেরান অ্যাফেয়ার্সের জানিয়েছে, ইরানের সরকারি সংস্থাগুলো বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলাগুলোর মধ্যে মিনাব শহরে মেয়েদের একটি স্কুলে হামলায় শিক্ষার্থীসহ কমপক্ষে ১৭৫ জন নিহত হয়। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারও ইরানের দুটি বিদ্যালয়ে হামলা করেছে ইসরায়েল। এ দুই স্কুলে হতাহতের সংখ্যা এখনো জানা যায়নি।
এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের ১১ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে গত ১ মার্চ ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলের বেইত শেমেশ এলাকায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলাতেই নিহত হয়েছিলেন ৯ জন।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডার (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে কমপক্ষে ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় তারা নিহত হন। মার্কিন সেনাদের মধ্যে গুরুতর আহত রয়েছেন আরও কয়েকজন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজ দেশের এসব সেনার প্রাণহানিতে সমবেদনা জানালেও একই সঙ্গে এ-ও বলেছেন, যুদ্ধে সেনাদের প্রাণহানি স্বাভাবিক ঘটনা। কিছু সেনা মারা যাবেন, এটি স্বাভাবিক।
ইরানের সমর্থনপুষ্ট লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ শুরু থেকেই এ যুদ্ধেও ইরানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ইসরায়েলের ওপর হামলাও চালায় তারা। এ হামলার প্রতিশোধ নিতেই রাজধানী বৈরুতসহ লেবাননের বিভিন্ন শহরে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এসব হামলায় এরই মধ্যে নিহত হয়েছেন ৭৭ জন। চলমান এই যুদ্ধে ইরান ছাড়া আর কোনো দেশে এত প্রাণহানি ঘটেনি।
মধ্যপ্রাচ্যের অন্য যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে তার সবগুলোতেই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। এর মধ্যে কুয়েতে দুই সেনাসহ নিহত হয়েছেন চারজন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিহত হয়েছেন তিনজন।
এ ছাড়া ওমান উপকূলের কাছে একটি ট্যাংকারে হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। বাহরাইনেও সালমান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর অগ্নিকাণ্ডে একজন নিহত হয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের এসব দেশের প্রতিটিতেই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছেন। বাহরাইনে ইরানের হামলায় যে ব্যক্তি নিহত হয়েছেন তিনি বাংলাদেশি। সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিহত তিনজনের একজনও বাংলাদেশি।

কুয়ালালামপুরে তিনি যে বাংলাদেশি মালিকের প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন, তারাও হন্যে হয়ে চেষ্টা করছেন কুয়ালালামপুর কিংবা বাংলাদেশের কোথাও তার কোনো স্বজনকে খুঁজে পাওয়া যায় কি না। তাতেও লাভ হয়নি। ফলে মৃত্যুর ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও হাসপাতালের হিমঘর থেকে মুক্তি মিলছে না দীন মোহাম্মদের।
১ দিন আগে
বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রকে আর কখনো ইরানকে হুমকি দেওয়া চলবে না। ইরান ও অঞ্চলটিতে তাদের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে ওয়াশিংটনকে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপ করা নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, অঞ্চল থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেওয়া, যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতির
২ দিন আগে
দাবানল নিয়ন্ত্রণ অভিযানের উপ-প্রধান টাইলার হেক্ট জানান, দুর্ঘটনার পর কর্মীরা কিছু সময়ের জন্য কাজ বন্ধ রেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। পরবর্তীতে পুনরায় কাজ শুরু হয়। তিনি বলেন, “এই দুর্ঘটনা আমাদের কাজের পদ্ধতি বদলে দেবে না। আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যাব এবং মাটিতে থাকা দমকলকর্মীদের সহায়তায় বিমান
২ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মেয়র এদুয়ার্দো নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, ঘটনার পরপরই তিনি ব্রাজিলের ন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন এজেন্সির (এএনএসি) সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং আকাশে চলাচলকারী সকল হেলিকপ্টারের ওপর নজরদারি বাড়িয়ে যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত কর
২ দিন আগে