
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইউরোপের দেশগুলোকে হামলার সক্ষমতা ইরানের রয়েছে বলে দেশগুলোকে সতর্ক করে দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এ অবস্থায় ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যোগ দিতে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
জেরুজালেম পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, রোববার (২২ মার্চ) আরাদ শহরে ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবন পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় নেতানিয়াহু স্বীকার করে নেন, শনিবারের দিনটি ছিল ইসরায়েলিদের জন্য ভয়াবহ। এর জবাবে ইরানের স্থাপনাগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
নেতানিয়াহু বলেন, তাদের (ইরানের) ইউরোপের গভীরে পৌঁছানোর সামর্থ্য রয়েছে। তারা সবাইকে তাদের লক্ষ্য বানাচ্ছে। ইরান গোটা বিশ্বের জন্যই বিপদের কারণ। গত ৪৮ ঘণ্টায় তারা সেটা প্রমাণ দিয়েছে। তারা যে রকম জেরুজালেমের দিকে আঘাত করেছে, সেটি ধর্মীয় পবিত্র স্থানগুলোর ঠিক পাশেই অবস্থিত।
বিভিন্ন দেশ ইরানের বিরুদ্ধে এগিয়ে আসছে উল্লেখ করে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন সময় এসেছে বাকি দেশের নেতারা একত্রিত হওয়ার। আমি খুশি যে তাদের মধ্যে কিছু দেশ সেই দিকে এগোচ্ছে। তবে আরও বেশি বেশি দেশের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
এর আগে নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলার জেরে দক্ষিণ ইসরায়েলের দিমোনা, আরাদসহ বেশ কয়েকটি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। ইসরায়েলের প্রধান পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছেও হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি। অভিযানে ২০০ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে ইরান দাবি করলেও ইসরায়েল জানায়, অন্তত ১৮০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
নেতানিয়াহু বলেন, ঠিক সময়ে সাইরেন বেজে ওঠায় হামলা ভয়াবহ হলেও কেউ প্রাণ হারাননি। তবে অনেকেই হতাহত হয়েছেন। সবাইকে আহ্বান জানাব, সাইরেন বেজে উঠলেই বাংকারে চলে যাবেন। তাহলে আহতের সংখ্যা কমানো যাবে।

ইউরোপের দেশগুলোকে হামলার সক্ষমতা ইরানের রয়েছে বলে দেশগুলোকে সতর্ক করে দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এ অবস্থায় ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যোগ দিতে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
জেরুজালেম পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, রোববার (২২ মার্চ) আরাদ শহরে ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবন পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় নেতানিয়াহু স্বীকার করে নেন, শনিবারের দিনটি ছিল ইসরায়েলিদের জন্য ভয়াবহ। এর জবাবে ইরানের স্থাপনাগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
নেতানিয়াহু বলেন, তাদের (ইরানের) ইউরোপের গভীরে পৌঁছানোর সামর্থ্য রয়েছে। তারা সবাইকে তাদের লক্ষ্য বানাচ্ছে। ইরান গোটা বিশ্বের জন্যই বিপদের কারণ। গত ৪৮ ঘণ্টায় তারা সেটা প্রমাণ দিয়েছে। তারা যে রকম জেরুজালেমের দিকে আঘাত করেছে, সেটি ধর্মীয় পবিত্র স্থানগুলোর ঠিক পাশেই অবস্থিত।
বিভিন্ন দেশ ইরানের বিরুদ্ধে এগিয়ে আসছে উল্লেখ করে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন সময় এসেছে বাকি দেশের নেতারা একত্রিত হওয়ার। আমি খুশি যে তাদের মধ্যে কিছু দেশ সেই দিকে এগোচ্ছে। তবে আরও বেশি বেশি দেশের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
এর আগে নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলার জেরে দক্ষিণ ইসরায়েলের দিমোনা, আরাদসহ বেশ কয়েকটি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। ইসরায়েলের প্রধান পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছেও হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি। অভিযানে ২০০ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে ইরান দাবি করলেও ইসরায়েল জানায়, অন্তত ১৮০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
নেতানিয়াহু বলেন, ঠিক সময়ে সাইরেন বেজে ওঠায় হামলা ভয়াবহ হলেও কেউ প্রাণ হারাননি। তবে অনেকেই হতাহত হয়েছেন। সবাইকে আহ্বান জানাব, সাইরেন বেজে উঠলেই বাংকারে চলে যাবেন। তাহলে আহতের সংখ্যা কমানো যাবে।

ট্রাম্প এমন সময়ে এমন হুমকি দিয়েছেন যখন সুইজারল্যান্ডে মুখোমুখি আলোচনায় বসেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের পক্ষে সংসদের স্পিকার বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটক
১৪ ঘণ্টা আগে
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, যুদ্ধবিরতি চলাকালীন ৬০ দিন বা তারপরও এই প্রণালিতে কাউকে কোনো টোল দিতে হবে না। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দুপক্ষ চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে টোল আরোপ করবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সুইজারল্যান্ডে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। সে আলোচনায় যোগ দিতেই শনিবার গভীর রাতে ওয়াশিংটন ছাড়েন ভ্যান্স।
১ দিন আগে
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, উইশাহ হামাসের সামরিক শাখার সদস্য ছিলেন এবং স্নাইপার হিসেবে কাজ করতেন। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেনি তারা।
১ দিন আগে