
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের আরাদ, দিমোনা ও তেল আবিব শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। এতে অন্তত ২০০ জন আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া লেবানন সীমান্তে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হামলায় এক ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪ হাজার ২৯২ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায়ই আনা হয়েছে ৩০৩ জনকে। এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে।
গতকাল শনিবার (২১ মার্চ) আরাদ শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১১৬ জন আহত হন, যাদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হামলায় শহরের কেন্দ্রস্থলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রায় একই সময়ে দিমোনা শহরে হামলায় আহত হন আরও ৬৪ জন। সেখানে কয়েকটি আবাসিক ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে এবং অনেকেই স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হামলার সময় আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় হয়েছিল। তবে সব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা সম্ভব হয়নি। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা জানিয়েছেন, দুই শহরেই ইন্টারসেপ্টর ছোড়া হলেও সেগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ফলে কয়েক শ কেজি ওজনের ওয়ারহেডসহ ইরানের দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানে।
এদিকে ইরান দাবি করেছে, তাদের নাতানজ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার জবাব হিসেবেই ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দিমোনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই শহরটি ইসরায়েলের পারমাণবিক স্থাপনা থেকে মাত্র ১৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আরাদ শহরে হামলার পর প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু শহরের মেয়রের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ইরানি এ হামলাকে শহরটির জন্য ‘অত্যন্ত কঠিন এক সন্ধ্যা’ বলে মন্তব্য করেছেন।
আজ রোববার (২২ মার্চ) তেল আবিবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আয়ালোন হাইওয়ে ও রামাত গানসহ বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আরও অন্তত ১০ জন আহত হন। মধ্য ইসরায়েলের পেতাহ তিকভা শহরেও একটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে সেখানে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া আজ ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তে লেবানন থেকে ছোড়া রকেট হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, রকেটটি কয়েকটি গাড়িতে সরাসরি আঘাত হানলে একটি গাড়ির আরোহী ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং দুটি গাড়ি আগুনে পুড়ে যায়।

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের আরাদ, দিমোনা ও তেল আবিব শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। এতে অন্তত ২০০ জন আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া লেবানন সীমান্তে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হামলায় এক ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪ হাজার ২৯২ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায়ই আনা হয়েছে ৩০৩ জনকে। এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে।
গতকাল শনিবার (২১ মার্চ) আরাদ শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১১৬ জন আহত হন, যাদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হামলায় শহরের কেন্দ্রস্থলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রায় একই সময়ে দিমোনা শহরে হামলায় আহত হন আরও ৬৪ জন। সেখানে কয়েকটি আবাসিক ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে এবং অনেকেই স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হামলার সময় আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় হয়েছিল। তবে সব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা সম্ভব হয়নি। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা জানিয়েছেন, দুই শহরেই ইন্টারসেপ্টর ছোড়া হলেও সেগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ফলে কয়েক শ কেজি ওজনের ওয়ারহেডসহ ইরানের দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানে।
এদিকে ইরান দাবি করেছে, তাদের নাতানজ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার জবাব হিসেবেই ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দিমোনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই শহরটি ইসরায়েলের পারমাণবিক স্থাপনা থেকে মাত্র ১৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আরাদ শহরে হামলার পর প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু শহরের মেয়রের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ইরানি এ হামলাকে শহরটির জন্য ‘অত্যন্ত কঠিন এক সন্ধ্যা’ বলে মন্তব্য করেছেন।
আজ রোববার (২২ মার্চ) তেল আবিবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আয়ালোন হাইওয়ে ও রামাত গানসহ বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আরও অন্তত ১০ জন আহত হন। মধ্য ইসরায়েলের পেতাহ তিকভা শহরেও একটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে সেখানে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া আজ ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তে লেবানন থেকে ছোড়া রকেট হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, রকেটটি কয়েকটি গাড়িতে সরাসরি আঘাত হানলে একটি গাড়ির আরোহী ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং দুটি গাড়ি আগুনে পুড়ে যায়।

রোববার (২২ মার্চ) দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। মন্ত্রণালয় জানায়, নিখোঁজ থাকা শেষ আরোহীকে খুঁজে বের করতে বিশেষায়িত উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে দুর্ঘটনার কারণ এবং নিহতদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করনি মন্ত্রণালয়।
৮ ঘণ্টা আগে
নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর একটি আকাশেই সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। অপর দুটি জনবসতিহীন এলাকায় গিয়ে পড়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের পদক্ষেপ ইরান যে নীতির কথা বলে, তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। একই সঙ্গে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, এ ধরনের আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর এর গুরুতর প্রভাব পড়বে।
১৪ ঘণ্টা আগে