
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফিলিস্তিনের গাজায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও নেতানিয়াহু বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ থামেনি। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেই চলছে হামলা। পূর্বাঞ্চলীয় আল-জেইতুন এলাকায় ইসরাইলের হামলায় একই পরিবারের ১১ জন নিহত হয়েছেন।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, প্রায় ১১ দিন আগে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির এটি ভয়াবহ লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে গাজার সিভিল ডিফেন্স।
গাজার সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় গাজা শহরের জেইতুন এলাকায় কোনো সতর্কতা ছাড়াই আবু শাবান পরিবারকে বহনকারী একটি বেসামরিক গাড়ি লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বাহিনী ট্যাংক থেকে গুলি চালায়।
গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল এক বিবৃতিতে বলেন, পরিবারটি যখন তাদের বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করছিল, তখন ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাড়িটিতে গুলি ছোড়ে। নিহতদের মধ্যে সাত শিশু ও তিনজন নারী ছিলেন।
তিনি বলেন, তাদের (পরিবারটিকে) সতর্ক করা বা অন্যভাবে পদক্ষেপ নেওয়া যেত, যা ঘটেছে তা নিশ্চিত করে যে দখলদাররা এখনো রক্তপিপাসু ও নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে অপরাধ করতে বদ্ধপরিকর।
এক বিবৃতিতে হামাস গাজায় শাবানের পরিবারের ওপর ইসরায়েলি হামলাকে নৃশংস বলে আখ্যা দিয়েছে। গোষ্ঠীটি অভিযোগ করেছে, কোনো কারণ ছাড়াই পরিবারটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মধ্যস্থতাকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, ইসরায়েলকে যেন যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলতে বাধ্য করেন।
হামাস জানায়, ওই হামলায় ইসরায়েলি সেনারা ‘ইয়েলো লাইন’ নামে পরিচিত সীমারেখা অতিক্রম করা বেসামরিকদের ওপর গুলি চালায়। যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ইসরায়েলি সেনাদের ওই লাইন থেকে সরে যাওয়ার কথা।

ফিলিস্তিনের গাজায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও নেতানিয়াহু বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ থামেনি। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেই চলছে হামলা। পূর্বাঞ্চলীয় আল-জেইতুন এলাকায় ইসরাইলের হামলায় একই পরিবারের ১১ জন নিহত হয়েছেন।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, প্রায় ১১ দিন আগে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির এটি ভয়াবহ লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে গাজার সিভিল ডিফেন্স।
গাজার সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় গাজা শহরের জেইতুন এলাকায় কোনো সতর্কতা ছাড়াই আবু শাবান পরিবারকে বহনকারী একটি বেসামরিক গাড়ি লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বাহিনী ট্যাংক থেকে গুলি চালায়।
গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল এক বিবৃতিতে বলেন, পরিবারটি যখন তাদের বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করছিল, তখন ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাড়িটিতে গুলি ছোড়ে। নিহতদের মধ্যে সাত শিশু ও তিনজন নারী ছিলেন।
তিনি বলেন, তাদের (পরিবারটিকে) সতর্ক করা বা অন্যভাবে পদক্ষেপ নেওয়া যেত, যা ঘটেছে তা নিশ্চিত করে যে দখলদাররা এখনো রক্তপিপাসু ও নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে অপরাধ করতে বদ্ধপরিকর।
এক বিবৃতিতে হামাস গাজায় শাবানের পরিবারের ওপর ইসরায়েলি হামলাকে নৃশংস বলে আখ্যা দিয়েছে। গোষ্ঠীটি অভিযোগ করেছে, কোনো কারণ ছাড়াই পরিবারটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মধ্যস্থতাকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, ইসরায়েলকে যেন যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলতে বাধ্য করেন।
হামাস জানায়, ওই হামলায় ইসরায়েলি সেনারা ‘ইয়েলো লাইন’ নামে পরিচিত সীমারেখা অতিক্রম করা বেসামরিকদের ওপর গুলি চালায়। যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ইসরায়েলি সেনাদের ওই লাইন থেকে সরে যাওয়ার কথা।

প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশের সময় ইরানি নৌবাহিনীর তিনটি সশস্ত্র স্পিডবোট ‘স্টেনা ইম্পেরেটিভ’ নামে মার্কিন ওই ট্যাংকারটির গতিরোধ করার চেষ্টা করে।
২ দিন আগে
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং আইএসপিআর এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’-এর সদস্যরা নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও শ্রমিকসহ অন্তত ১৮ জন নিরীহ নাগরিককে হত্যা করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এসব হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল বেলুচিস্তানের স্বাভাবিক জীবন ও উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত করা।
২ দিন আগে