
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আরব সাগরে মোতায়েনকৃত যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি 'ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন'-কে লক্ষ্য করে ধেয়ে আসা একটি ইরানি ড্রোন ধ্বংস করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী।
মঙ্গলবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকোম) নিশ্চিত করেছে যে, রণতরি থেকে উড্ডয়ন করা একটি এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান ড্রোনটিকে আঘাত হানার আগেই ভূপাতিত করে।
অন্যদিকে, ইরান এই ড্রোনটি তাদের বলে স্বীকার করলেও দাবি করেছে যে সেটি ‘নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে’ মার্কিন নৌবহরের দিকে চলে গিয়েছিল। তেহরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে ইস্তাম্বুলে দুই দেশের আসন্ন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগমুহূর্তে এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় নতুন করে স্নায়ুযুদ্ধ ও উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের (সেন্টকোম) মুখপাত্র ও নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স রয়টার্সকে এ প্রসঙ্গে বলেছেন, “ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনে অবস্থান করা একটি এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান একটি ইরানি ড্রোনকে ধ্বংস করেছে। ড্রোনটি আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকে ধেয়ে আসছিল, আঘাত হানার অনেক আগেই সেটি ধ্বংস করা হয়েছে। এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।”
ইরানের অনলাইন সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজও এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ইরানের একটি সামরিক ড্রোন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরব সাগরে উড়ে বেড়াচ্ছিল এবং মার্কিন নৌবাহিনী সেটি ভূপাতিত করেছে। কিন্তু কী কারনে ড্রোনটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল— সে সম্পর্কিত কোনো তথ্য তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী ড্রোন ভূপাতিত করার খবর নিশ্চিত করার পর এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য জানতে জাতিসংঘের ইরান মিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স, তবে তাদের কেউই কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
গত জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ইরানে যখন তীব্র সরকারবিরোধী আন্দোলন চলছিল, সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইন্দো-প্রশাসন্ত অঞ্চল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হয় ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং অন্যান্য সামরিক জাহাজের বড় একটি নৌবহর। ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় নৌবহর মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বর্তমানে এ নৌবহর আরব সাগরে অবস্থান করছে।
এমন এক সময়ে এ ঘটনা ঘটল, যখন ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সরকারি প্রতিনিধিদের বৈঠক চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। আগামী শুক্রবার এ বৈঠক শুরু হওয়ার কথা।
প্রসঙ্গত, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে প্রায় দুই যুগ ধরে উত্তেজনা চলছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে।

আরব সাগরে মোতায়েনকৃত যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি 'ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন'-কে লক্ষ্য করে ধেয়ে আসা একটি ইরানি ড্রোন ধ্বংস করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী।
মঙ্গলবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকোম) নিশ্চিত করেছে যে, রণতরি থেকে উড্ডয়ন করা একটি এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান ড্রোনটিকে আঘাত হানার আগেই ভূপাতিত করে।
অন্যদিকে, ইরান এই ড্রোনটি তাদের বলে স্বীকার করলেও দাবি করেছে যে সেটি ‘নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে’ মার্কিন নৌবহরের দিকে চলে গিয়েছিল। তেহরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে ইস্তাম্বুলে দুই দেশের আসন্ন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগমুহূর্তে এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় নতুন করে স্নায়ুযুদ্ধ ও উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের (সেন্টকোম) মুখপাত্র ও নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স রয়টার্সকে এ প্রসঙ্গে বলেছেন, “ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনে অবস্থান করা একটি এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান একটি ইরানি ড্রোনকে ধ্বংস করেছে। ড্রোনটি আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকে ধেয়ে আসছিল, আঘাত হানার অনেক আগেই সেটি ধ্বংস করা হয়েছে। এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।”
ইরানের অনলাইন সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজও এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ইরানের একটি সামরিক ড্রোন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরব সাগরে উড়ে বেড়াচ্ছিল এবং মার্কিন নৌবাহিনী সেটি ভূপাতিত করেছে। কিন্তু কী কারনে ড্রোনটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল— সে সম্পর্কিত কোনো তথ্য তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী ড্রোন ভূপাতিত করার খবর নিশ্চিত করার পর এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য জানতে জাতিসংঘের ইরান মিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স, তবে তাদের কেউই কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
গত জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ইরানে যখন তীব্র সরকারবিরোধী আন্দোলন চলছিল, সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইন্দো-প্রশাসন্ত অঞ্চল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হয় ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং অন্যান্য সামরিক জাহাজের বড় একটি নৌবহর। ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় নৌবহর মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বর্তমানে এ নৌবহর আরব সাগরে অবস্থান করছে।
এমন এক সময়ে এ ঘটনা ঘটল, যখন ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সরকারি প্রতিনিধিদের বৈঠক চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। আগামী শুক্রবার এ বৈঠক শুরু হওয়ার কথা।
প্রসঙ্গত, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে প্রায় দুই যুগ ধরে উত্তেজনা চলছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে।

১ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত এ মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের আরলি বার্ক শ্রেণির গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস ডেলবার্ট ডি. ব্ল্যাক ইসরায়েলি নৌবাহিনীর জাহাজ আইএনএস ইলাতের সঙ্গে অংশ নেয়। দুই দেশের নৌবাহিনী একসঙ্গে সামুদ্রিক কৌশল ও সমন্বয় অনুশীলন করে।
১ দিন আগে
রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে দিল্লির অস্বীকৃতির জন্য আরোপিত অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কও প্রত্যাহার করা হবে।
১ দিন আগে
ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে আশাবাদী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের ওপর যেকোনো মার্কিন হামলা আঞ্চলিক সংঘাত উসকে দেবে, দেশটির সর্বোচ্চ নেতা খামেনির সতর্কতার পর রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ট্রাম্প এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
২ দিন আগে
ইরানের সাম্প্রতিক বিক্ষোভে নিহতদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে দেশটির প্রেসিডেন্ট কার্যালয়। এ তালিকায় দুই হাজার ৯৮৬ জনের নাম-পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে।
২ দিন আগে