
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে টানা তিন দিন ধরে চালানো বড় ধরনের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, এই অভিযানে ‘ভারত-সমর্থিত’ সশস্ত্র গোষ্ঠীর ১৯৭ জন সদস্য নিহত হয়েছেন।
অভিযান চলাকালে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্মুখ সমরে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২২ জন পাকিস্তানি সেনা। এছাড়া সংঘর্ষ ও বিচ্ছিন্ন হামলার ঘটনায় শিশুসহ ৩৬ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে গত তিন দিনের এই রক্তক্ষয়ী সহিংসতায় নিহতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫৫ জনে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ৩১ জানুয়ারি বেলুচিস্তানজুড়ে সমন্বিত হামলার পরপরই এই অভিযান শুরু হয়। ওই দিন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘বেলুচ লিবারেশন আর্মি’ (বিএলএ) প্রদেশটির ১২টি শহর ও জনপদে একযোগে হামলা চালায়। এর ফলে পুরো অঞ্চলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। বিএলএ-র চালানো সেদিনের সেই প্রাথমিক হামলায় ১৭ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং ৩১ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন।
পরবর্তী সময়ে কোয়েটা, মাস্তুং, নুশকি, দালবান্দিন, খারান, পাঞ্জগুর, টুম্প, গোয়াদার ও পাসনিসহ বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের ওপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনা ঘটে। নিরাপত্তা সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত তিন দিনে এসব হামলায় নারী ও শিশুসহ মোট ৩৬ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারান।
এই পরিস্থিতির পর পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো প্রদেশজুড়ে ব্যাপক ক্লিয়ারেন্স অপারেশন শুরু করে। অভিযানের প্রথম ধাপেই ৯২ জনকে হত্যা করা হয়, যাদের পাকিস্তান সরকার ‘ভারত-সমর্থিত জঙ্গি’ হিসেবে বর্ণনা করছে। নিহতদের মধ্যে তিনজন আত্মঘাতী হামলাকারী ছিলেন বলে জানানো হয়েছে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং আইএসপিআর এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’-এর সদস্যরা নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও শ্রমিকসহ অন্তত ১৮ জন নিরীহ নাগরিককে হত্যা করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এসব হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল বেলুচিস্তানের স্বাভাবিক জীবন ও উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত করা।
আইএসপিআর আরও জানায়, নিরাপত্তা বাহিনী পেশাদার দক্ষতা ও দৃঢ় অবস্থানের মাধ্যমে এসব হামলার জবাব দিয়েছে। তবে তীব্র সংঘর্ষ ও দীর্ঘস্থায়ী মুখোমুখি লড়াইয়ে সেদিনই ১৫ জন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হন।
পরবর্তী পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্যানিটাইজেশন অপারেশন চালানো হয়। এর লক্ষ্য ছিল হামলার পরিকল্পনাকারী, সহযোগী ও মদদদাতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা। আইএসপিআরের দাবি, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে যে এসব হামলার পরিকল্পনা ও নির্দেশনা পাকিস্তানের বাইরে অবস্থানরত জঙ্গি নেতাদের কাছ থেকে এসেছে এবং পুরো সময়জুড়ে তারা হামলাকারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেলুচ লিবারেশন আর্মির তৎপরতা বেড়েছে বলে জানাচ্ছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। বিশেষ করে বেলুচিস্তানে কর্মরত অন্যান্য প্রদেশের নাগরিক এবং বিদেশি জ্বালানি কোম্পানিগুলোর ওপর হামলার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর সংগঠনটি একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে হামলা চালায়, যার জেরে দুই দিন ধরে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে টানা তিন দিন ধরে চালানো বড় ধরনের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, এই অভিযানে ‘ভারত-সমর্থিত’ সশস্ত্র গোষ্ঠীর ১৯৭ জন সদস্য নিহত হয়েছেন।
অভিযান চলাকালে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্মুখ সমরে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২২ জন পাকিস্তানি সেনা। এছাড়া সংঘর্ষ ও বিচ্ছিন্ন হামলার ঘটনায় শিশুসহ ৩৬ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে গত তিন দিনের এই রক্তক্ষয়ী সহিংসতায় নিহতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫৫ জনে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ৩১ জানুয়ারি বেলুচিস্তানজুড়ে সমন্বিত হামলার পরপরই এই অভিযান শুরু হয়। ওই দিন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘বেলুচ লিবারেশন আর্মি’ (বিএলএ) প্রদেশটির ১২টি শহর ও জনপদে একযোগে হামলা চালায়। এর ফলে পুরো অঞ্চলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। বিএলএ-র চালানো সেদিনের সেই প্রাথমিক হামলায় ১৭ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং ৩১ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন।
পরবর্তী সময়ে কোয়েটা, মাস্তুং, নুশকি, দালবান্দিন, খারান, পাঞ্জগুর, টুম্প, গোয়াদার ও পাসনিসহ বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের ওপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনা ঘটে। নিরাপত্তা সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত তিন দিনে এসব হামলায় নারী ও শিশুসহ মোট ৩৬ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারান।
এই পরিস্থিতির পর পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো প্রদেশজুড়ে ব্যাপক ক্লিয়ারেন্স অপারেশন শুরু করে। অভিযানের প্রথম ধাপেই ৯২ জনকে হত্যা করা হয়, যাদের পাকিস্তান সরকার ‘ভারত-সমর্থিত জঙ্গি’ হিসেবে বর্ণনা করছে। নিহতদের মধ্যে তিনজন আত্মঘাতী হামলাকারী ছিলেন বলে জানানো হয়েছে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং আইএসপিআর এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’-এর সদস্যরা নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও শ্রমিকসহ অন্তত ১৮ জন নিরীহ নাগরিককে হত্যা করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এসব হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল বেলুচিস্তানের স্বাভাবিক জীবন ও উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত করা।
আইএসপিআর আরও জানায়, নিরাপত্তা বাহিনী পেশাদার দক্ষতা ও দৃঢ় অবস্থানের মাধ্যমে এসব হামলার জবাব দিয়েছে। তবে তীব্র সংঘর্ষ ও দীর্ঘস্থায়ী মুখোমুখি লড়াইয়ে সেদিনই ১৫ জন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হন।
পরবর্তী পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্যানিটাইজেশন অপারেশন চালানো হয়। এর লক্ষ্য ছিল হামলার পরিকল্পনাকারী, সহযোগী ও মদদদাতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা। আইএসপিআরের দাবি, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে যে এসব হামলার পরিকল্পনা ও নির্দেশনা পাকিস্তানের বাইরে অবস্থানরত জঙ্গি নেতাদের কাছ থেকে এসেছে এবং পুরো সময়জুড়ে তারা হামলাকারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেলুচ লিবারেশন আর্মির তৎপরতা বেড়েছে বলে জানাচ্ছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। বিশেষ করে বেলুচিস্তানে কর্মরত অন্যান্য প্রদেশের নাগরিক এবং বিদেশি জ্বালানি কোম্পানিগুলোর ওপর হামলার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর সংগঠনটি একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে হামলা চালায়, যার জেরে দুই দিন ধরে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যেই বৈরুতে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ এবং নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থানের কারণে দুই নেতার মধ্যকার সম্পর্কের নজিরবিহীন অবনতি ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিশেষ বিবৃতিতে দেশটির ‘খাতাম-আল আম্বিয়া’ কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর জানায়, “এতদ্বারা ঘোষণা করা হচ্ছে যে, সব ধরনের জাহাজ চলাচলের জন্য এখন থেকে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।”
১৬ ঘণ্টা আগে
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক চাপের মুখে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চরম রাজনৈতিক সংকটে রূপ নেওয়ার পর আজ শনিবার বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা (স্টেট অব ইমার্জেন্সি) ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ।
১৯ ঘণ্টা আগে
লেবাননে ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা না পেরোতেই সেখানে নতুন করে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট নিরসনের যে প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে, তা শুরুর দিকেই বড় এক পরীক্ষার মুখে পড়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে