ভবিষ্যতে ন্যাটোর পাশে যুক্তরাষ্ট্র নাও থাকতে পারে: ট্রাম্প

বাসস

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল শুক্রবার হরমুজ প্রণালি সুরক্ষিত করতে সামরিক বাহিনী পাঠাতে ন্যাটো মিত্রদের অস্বীকৃতির বিষয়ে তাঁর হতাশা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বলেন, ভবিষ্যতে অনুরোধ করা হলেও ওয়াশিংটন হয়তো ন্যাটোর পাশে নাও থাকতে পারে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

মিয়ামিতে একটি বিনিয়োগ ফোরামে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা তো ছিলই না।’ ‘আমরা প্রতি বছর ন্যাটোর জন্য শতশত বিলিয়ন ডলার খরচ করি, তাদের রক্ষা করি এবং আমরা সব সময় তাদের পাশে থাকতাম। কিন্তু এখন, তাদের কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে মনে হয় আমাদের থাকার দরকার নেই, তাই না?’

তিনি বলেন, ‘তারা যদি আমাদের পাশে না থাকে, তাহলে আমরা কেন তাদের পাশে থাকব? তারা তো আমাদের পাশে ছিলই না।’

এক মাস আগে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইলি অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে, ট্রাম্প পশ্চিমা মিত্রদের সমর্থনের অভাব এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে বাহিনী পাঠাতে অনীহা নিয়ে বারবার হতাশা প্রকাশ করেছেন।

হরমুজ প্রণালি হলো উপসাগরীয় তেল ও গ্যাস রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ, যা ইরানের আক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছে।

এই জলপথ দিয়ে যান চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে, যার ফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দাম বেড়েছে।

ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি এবং জাপানসহ ছয়টি প্রধান দেশ জানিয়েছে যে তারা ‘উপযুক্ত উদ্যোগে অবদান রাখতে’ প্রস্তুত, কিন্তু এখনো কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি।’

ট্রাম্প ন্যাটোর সবচেয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন। গত সপ্তাহে তিনি ন্যাটোর অন্যান্য সদস্য দেশগুলোকে ‘কাওয়ার্ড’ বা কাপুরুষ বলে অভিহিত করেন এবং ঘোষণা করেন, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া এই জোট কেবল ‘কাগুজে বাঘ’।

গত বৃহস্পতিবার তিনি তার 'ট্রুথ সোশ্যাল' প্ল্যাটফর্মে বলেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাটোর কাছ থেকে কিছুই প্রয়োজন নেই।’

তিনি বলেন, ‘ন্যাটো দেশগুলো এখন সামরিকভাবে বিধ্বস্ত উন্মাদ রাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সাহায্য করার জন্য বিন্দুমাত্র কিছুই করেনি।’

Ad
Ad
ad
ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

নির্বাচনে রিপাবলিকানরা জিতলে প্রত্যেক নাগরিককে ৫ হাজার ডলার দেবেন ট্রাম্প

ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা

১৫ ঘণ্টা আগে

যুদ্ধে টিকতে না পেরে মার্কিন নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে মরিয়া ইরান: ট্রাম্প

ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।

১৯ ঘণ্টা আগে

মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা: একাধিক যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত

আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।

১৯ ঘণ্টা আগে

ফিলিপাইনে ফেরিতে আগুন: নিহত ৫, নিখোঁজ অন্তত ৮৭ জন

কোস্টগার্ডের ক্যাপ্টেন নোয়েমি কায়াবিয়াব ফেরিতে থাকা মোট আরোহীর সংখ্যা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই উদ্ধার কাজ জোরদার করা হয়েছে। কোড়ন এলাকাটি স্বচ্ছ নীল পানি ও প্রবাল প্রাচীরের জন্য বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায়, নিখোঁজদের মধ্যে দেশি-বিদেশি পর্যটক থাকতে পারেন বলে ধারণা ক

১ দিন আগে
Advertisement