
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউজের লনে আয়োজিত ‘আলটিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ’ (ইউএফসি) মিক্সড মার্শাল আর্টস ইভেন্টে একটি বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ করার দাবি করছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই। গতকাল মঙ্গলবার তারা এ দাবি করে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতোমধ্যে পাঁচজনকে হেফাজতে নেওয়ার কথা জানিয়েছে এফবিআই।
আদালতের নথিতে এফবিআই অভিযোগ করেছে, হামলাকারীদের পরিকল্পনা ছিল বিস্ফোরক বোঝাই ড্রোন দিয়ে হোয়াইট হাউজের উত্তর পাশে আঘাত হানা। এর উদ্দেশ্য ছিল সেখানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তি ও অতিথিদের আতঙ্কিত করে একটি নির্দিষ্ট বের হওয়ার পথের দিকে ঠেলে দেওয়া। এরপর সেই পথ দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় রাজনীতিবিদ ও অন্যান্যদের ওপর ওঁৎ পেতে থাকা স্নাইপারদের মাধ্যমে নির্বিচারে গুলি চালানো।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে গত রোববার এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উপস্থিত ছিলেন, এ দিনই ছিল তার ৮০তম জন্মদিন। ট্রাম্পের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা, অনুদানকারী এবং প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ওই ইভেন্টে অংশ নিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
আদালতের নথি অনুযায়ী, অভিযুক্ত পাঁচ ব্যক্তি সরকারবিরোধী বিভিন্ন ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাসী ছিলেন। কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনের তদন্ত সংক্রান্ত ফাইলগুলো যেভাবে দেখভাল করা হয়েছে, তা নিয়ে ক্ষোভ থেকেই মূলত তারা এই হামলার পরিকল্পনা করেন।
এ ছাড়া অভিযুক্তদের একজন ইসরায়েলপন্থি গোষ্ঠীগুলোর কাছ থেকে নির্বাচনি তহবিল বা অনুদান নেওয়া আইনপ্রণেতাদেরও লক্ষ্যবস্তু করার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে এফবিআই পরিচালক ক্যাশ প্যাটেল বলেন, “গত ১০ জুন এফবিআই এবং আমাদের সহযোগী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ‘ইউএফসি আমেরিকা ২৫০’ ইভেন্টে একটি সম্ভাব্য হুমকির বিষয়ে জানতে পারে। এই ষড়যন্ত্রের সাথে ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়নের (রাজধানী অঞ্চল) বাইরের কিছু ব্যক্তি জড়িত ছিল।”
গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজনের মধ্যে অন্তত তিনজনের বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ছাড়া এই গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং অস্ত্র আইনের বিভিন্ন ধারাতেও মামলা করা হয়েছে। তবে আদালতে এখনও তারা কোনো স্বীকারোক্তি দেননি। এদিকে ফক্স নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই চক্রটিতে ২৩ জন পর্যন্ত সদস্য জড়িত থাকতে পারে।
কর্তৃপক্ষ যেভাবে এই চক্রান্তের সন্ধান পায়, তা বেশ নাটকীয়। ওহাইও অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা ১৯ বছর বয়সী টাইসেন প্রপার নামের এক সন্দেহভাজনের মা স্থানীয় পুলিশকে ফোন করে জানান যে, তার ছেলে বেশ কিছু অস্ত্র কিনেছে এবং অনলাইনে সন্দেহভাজন কিছু মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। পরবর্তীতে এফবিআই হেফাজতে টাইসেন প্রপার স্বীকার করেন যে, ইউএফসি ইভেন্টে একটি সুসমন্বিত হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি আগে থেকেই জানতেন।
ফ্রান্সের এভিয়ানে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই পরিকল্পিত হামলার ব্যাপারে তিনি আগে কিছু শোনেননি। অন্যদিকে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেছেন, এই ধরনের সহিংসতার পেছনে থাকা গোপন নেটওয়ার্কগুলো খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ।
ভ্যান্স আরও বলেন, ‘মোটা অঙ্কের অর্থায়ন এবং সুনির্দিষ্ট সমন্বয় ছাড়া ২৩ জন মানুষ ওয়াশিংটন ডিসিতে এত বড় একটি গণ-সন্ত্রাসী হামলা চালানোর পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে না। এটি কেবল কয়েকজন পাগলাটে মানুষের বিচ্ছিন্ন কোনো কর্মকাণ্ড নয়, এটি ছিল একটি সুসমন্বিত ও সুপরিকল্পিত সন্ত্রাসী চক্রান্ত।’

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউজের লনে আয়োজিত ‘আলটিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ’ (ইউএফসি) মিক্সড মার্শাল আর্টস ইভেন্টে একটি বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ করার দাবি করছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই। গতকাল মঙ্গলবার তারা এ দাবি করে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতোমধ্যে পাঁচজনকে হেফাজতে নেওয়ার কথা জানিয়েছে এফবিআই।
আদালতের নথিতে এফবিআই অভিযোগ করেছে, হামলাকারীদের পরিকল্পনা ছিল বিস্ফোরক বোঝাই ড্রোন দিয়ে হোয়াইট হাউজের উত্তর পাশে আঘাত হানা। এর উদ্দেশ্য ছিল সেখানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তি ও অতিথিদের আতঙ্কিত করে একটি নির্দিষ্ট বের হওয়ার পথের দিকে ঠেলে দেওয়া। এরপর সেই পথ দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় রাজনীতিবিদ ও অন্যান্যদের ওপর ওঁৎ পেতে থাকা স্নাইপারদের মাধ্যমে নির্বিচারে গুলি চালানো।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে গত রোববার এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উপস্থিত ছিলেন, এ দিনই ছিল তার ৮০তম জন্মদিন। ট্রাম্পের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা, অনুদানকারী এবং প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ওই ইভেন্টে অংশ নিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
আদালতের নথি অনুযায়ী, অভিযুক্ত পাঁচ ব্যক্তি সরকারবিরোধী বিভিন্ন ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাসী ছিলেন। কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনের তদন্ত সংক্রান্ত ফাইলগুলো যেভাবে দেখভাল করা হয়েছে, তা নিয়ে ক্ষোভ থেকেই মূলত তারা এই হামলার পরিকল্পনা করেন।
এ ছাড়া অভিযুক্তদের একজন ইসরায়েলপন্থি গোষ্ঠীগুলোর কাছ থেকে নির্বাচনি তহবিল বা অনুদান নেওয়া আইনপ্রণেতাদেরও লক্ষ্যবস্তু করার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে এফবিআই পরিচালক ক্যাশ প্যাটেল বলেন, “গত ১০ জুন এফবিআই এবং আমাদের সহযোগী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ‘ইউএফসি আমেরিকা ২৫০’ ইভেন্টে একটি সম্ভাব্য হুমকির বিষয়ে জানতে পারে। এই ষড়যন্ত্রের সাথে ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়নের (রাজধানী অঞ্চল) বাইরের কিছু ব্যক্তি জড়িত ছিল।”
গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজনের মধ্যে অন্তত তিনজনের বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ছাড়া এই গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং অস্ত্র আইনের বিভিন্ন ধারাতেও মামলা করা হয়েছে। তবে আদালতে এখনও তারা কোনো স্বীকারোক্তি দেননি। এদিকে ফক্স নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই চক্রটিতে ২৩ জন পর্যন্ত সদস্য জড়িত থাকতে পারে।
কর্তৃপক্ষ যেভাবে এই চক্রান্তের সন্ধান পায়, তা বেশ নাটকীয়। ওহাইও অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা ১৯ বছর বয়সী টাইসেন প্রপার নামের এক সন্দেহভাজনের মা স্থানীয় পুলিশকে ফোন করে জানান যে, তার ছেলে বেশ কিছু অস্ত্র কিনেছে এবং অনলাইনে সন্দেহভাজন কিছু মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। পরবর্তীতে এফবিআই হেফাজতে টাইসেন প্রপার স্বীকার করেন যে, ইউএফসি ইভেন্টে একটি সুসমন্বিত হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি আগে থেকেই জানতেন।
ফ্রান্সের এভিয়ানে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই পরিকল্পিত হামলার ব্যাপারে তিনি আগে কিছু শোনেননি। অন্যদিকে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেছেন, এই ধরনের সহিংসতার পেছনে থাকা গোপন নেটওয়ার্কগুলো খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ।
ভ্যান্স আরও বলেন, ‘মোটা অঙ্কের অর্থায়ন এবং সুনির্দিষ্ট সমন্বয় ছাড়া ২৩ জন মানুষ ওয়াশিংটন ডিসিতে এত বড় একটি গণ-সন্ত্রাসী হামলা চালানোর পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে না। এটি কেবল কয়েকজন পাগলাটে মানুষের বিচ্ছিন্ন কোনো কর্মকাণ্ড নয়, এটি ছিল একটি সুসমন্বিত ও সুপরিকল্পিত সন্ত্রাসী চক্রান্ত।’

যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যখন একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির প্রক্রিয়া চলছে, ঠিক তখনই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দক্ষিণ লেবানন দখল রাখার ঘোষণা এবং এই নতুন হামলায় অঞ্চলটিতে আবারও চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জি-৭ সম্মেলনের এই বিশেষ অধিবেশনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, ইতালি, জাপান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনের সাইডলাইনে প্রেসিডেন্ট জেলেঙ্কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও'র সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সামাজি
১২ ঘণ্টা আগে
তিনটি গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান সংঘাত ইরানকে বুঝিয়ে দিয়েছে— হরমুজ প্রণালি সাময়িকভাবে অচল করে দিলেই বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ, বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে বিশাল ধাক্কা দেওয়া সম্ভব। ফলে যুদ্ধ শেষ হলেও ভবিষ্যতের যেকোনো সংকটে এই কৌশল
১ দিন আগে