
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

একটি বহুতল ভবনে একাধিক হোটেল ও গেস্ট হাউস। প্রত্যেক তলায় ঘুপচি ঘুপচি ঘর, আর আসা-যাওয়ার জন্য রয়েছে কেবল একটি মাত্র সংকীর্ণ পথ। কলকাতার নিউ মার্কেট সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের (ফ্রি স্কুল স্ট্রিট) ওই বহুতলে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশি ৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় এখন সামনে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক প্রশ্ন ও চরম অবহেলার তথ্য।
মঙ্গলবার গভীর রাতে বহুতলটির তিনতলার একটি হোটেলে প্রথম আগুন লাগে। আগুনের তীব্রতা খুব বেশি না হলেও পুরো ভবন মুহূর্তেই ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। আবাসিকদের অভিযোগ, অগ্নিকাণ্ডের পর হোটেল কর্তৃপক্ষের কাউকেই পাওয়া যায়নি। ভবনে ছিল না কোনো জরুরি নির্গমন পথ কিংবা ন্যূনতম অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। ধোঁয়ায় পথ দেখতে না পেয়ে অনেকে শৌচাগারে আশ্রয় নেন এবং সেখানকার জানালা ভেঙে বের হওয়ার আকুল চেষ্টা চালান। পরবর্তীতে দমকল বাহিনী এসে তাদের উদ্ধার করে। এক আবাসিক বলেন, "দমকলকর্মীরা সময়মতো না পৌঁছালে হয়তো আমরাও বাঁচতে পারতাম না।"
সাধারণত বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজ্য ও দেশ থেকে চিকিৎসার জন্য আসা মানুষ এসব গেস্ট হাউসে থাকেন। কিন্তু পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে বছরের পর বছর এসব হোটেল চলছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ভবনটির এক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, "হোটেলগুলোতে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিতে বার বার বলা সত্ত্বেও কেউ নিয়ম মানেনি। এমনকি স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি।"
রাজনৈতিক মহলের পক্ষ থেকেও উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিজেপি নেতা সন্তোষ পাঠকের অভিযোগ, ভবনটির নিয়ম মেনে নির্মাণ করা হয়নি। ঘরের সংখ্যা বাড়াতে বেআইনিভাবে মূল পিলার কেটে জায়গা তৈরি করা হয়েছিল, যার ফলে ভবনটি কাঠামোগতভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। তিনি আরও দাবি করেন, এটি মূলত একটি আবাসিক ভবন ছিল, যা বেআইনিভাবে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছিল।
উল্লেখ্য, এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত শিশুসহ মোট ৯ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ২ জন নারী এবং ১টি শিশু রয়েছে।

একটি বহুতল ভবনে একাধিক হোটেল ও গেস্ট হাউস। প্রত্যেক তলায় ঘুপচি ঘুপচি ঘর, আর আসা-যাওয়ার জন্য রয়েছে কেবল একটি মাত্র সংকীর্ণ পথ। কলকাতার নিউ মার্কেট সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের (ফ্রি স্কুল স্ট্রিট) ওই বহুতলে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশি ৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় এখন সামনে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক প্রশ্ন ও চরম অবহেলার তথ্য।
মঙ্গলবার গভীর রাতে বহুতলটির তিনতলার একটি হোটেলে প্রথম আগুন লাগে। আগুনের তীব্রতা খুব বেশি না হলেও পুরো ভবন মুহূর্তেই ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। আবাসিকদের অভিযোগ, অগ্নিকাণ্ডের পর হোটেল কর্তৃপক্ষের কাউকেই পাওয়া যায়নি। ভবনে ছিল না কোনো জরুরি নির্গমন পথ কিংবা ন্যূনতম অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। ধোঁয়ায় পথ দেখতে না পেয়ে অনেকে শৌচাগারে আশ্রয় নেন এবং সেখানকার জানালা ভেঙে বের হওয়ার আকুল চেষ্টা চালান। পরবর্তীতে দমকল বাহিনী এসে তাদের উদ্ধার করে। এক আবাসিক বলেন, "দমকলকর্মীরা সময়মতো না পৌঁছালে হয়তো আমরাও বাঁচতে পারতাম না।"
সাধারণত বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজ্য ও দেশ থেকে চিকিৎসার জন্য আসা মানুষ এসব গেস্ট হাউসে থাকেন। কিন্তু পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে বছরের পর বছর এসব হোটেল চলছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ভবনটির এক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, "হোটেলগুলোতে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিতে বার বার বলা সত্ত্বেও কেউ নিয়ম মানেনি। এমনকি স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি।"
রাজনৈতিক মহলের পক্ষ থেকেও উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিজেপি নেতা সন্তোষ পাঠকের অভিযোগ, ভবনটির নিয়ম মেনে নির্মাণ করা হয়নি। ঘরের সংখ্যা বাড়াতে বেআইনিভাবে মূল পিলার কেটে জায়গা তৈরি করা হয়েছিল, যার ফলে ভবনটি কাঠামোগতভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। তিনি আরও দাবি করেন, এটি মূলত একটি আবাসিক ভবন ছিল, যা বেআইনিভাবে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছিল।
উল্লেখ্য, এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত শিশুসহ মোট ৯ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ২ জন নারী এবং ১টি শিশু রয়েছে।

ইউক্রেনীয় রেল কর্তৃপক্ষের ধারণা, হামলার লক্ষ্য ওই কূটনৈতিক ট্রেনটিও হয়ে থাকতে পারে। তবে মস্কো বলেছে, তারা ইউক্রেনের রেল অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, যেগুলো ইউরোপ থেকে সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
শনিবার ইয়েমেনি সরকারি বাহিনী জানায়, লোহিত সাগর উপকূলে হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। সরকারি সংবাদ সংস্থা সাবার প্রতিবেদনে বলা হয়, মোখার কাছে হামলায় হুতিদের কয়েকটি যান ও অস্ত্র ধ্বংস এবং বেশ কয়েকজন যোদ্ধা নিহত হয়েছে। মোখা-ধুবাব সড়কেও হুতিদের যান ও সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলা চালান
১৪ ঘণ্টা আগে
পেজেশকিয়ান বলেন, সীমিত কিছু আর্থিক ও বাণিজ্যিক ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা উদীয়মান অর্থনীতিগুলোকে রাজনৈতিক অভিঘাতের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। ব্রিকসকে তাই এখন শুধু উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে থাকলে চলবে না, বরং আরও ভারসাম্যপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায়সঙ্গত বৈশ্বিক অর্
১৪ ঘণ্টা আগে
তবে ট্রাম্পের এই আশাবাদী পূর্বাভাসের সঙ্গে মিলছে না তার প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তাদের আশঙ্কা— মার্কিন সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ সহ্য করে যুদ্ধকে আরও দীর্ঘায়িত করতে পারে ইরান।
১৪ ঘণ্টা আগে