
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের তেলঙ্গানা রাজ্যের সাঙ্গারেড্ডি জেলার পাসামিলারাম শিল্প এলাকায় একটি চুল্লিতে বিস্ফোরণের পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়েছে। সবশেষ তথ্য বলছে, ওই বিস্ফোরণে অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩৫ জন।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) ভারতীয় রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা পিটিআই এ তথ্য দিয়েছে। এর আগে সোমবার সকালে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয় ওই রাসায়নিক কারখানায়। বিস্ফোরণের পরই কারখানায় আগুন লেগে যায়।
জেলা পুলিশ সুপার পরিতোষ পঙ্কজ পিটিআইকে বলেন, ধ্বংসাবশেষ সরানোর সময় এখন পর্যন্ত ৩২ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। উদ্ধারকাজ এখনো চলছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সিগাচি কেমিক্যালস কারখানায় ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় চারজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। বাকিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
ভয়াবহ এ বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শোক জানিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে তিনি লিখেছেন, তেলেঙ্গানার সাঙ্গারেড্ডিতে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় আমি শোকাহত। যারা তাদের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন তাদের প্রতি আমাদের সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।
প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে প্রতিটি নিহতের পরিবারকে দুই লাখ টাকা এবং আহতদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন মোদি।
লোকসভার বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধীও শোক জানিয়েছেন এ দুর্ঘটনায়। তেলেঙ্গার স্বাস্থ্যমন্ত্রী সি দামোদর জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী রেভান্ত রেড্ডি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সোমবার কারখানাটির আগুন নেভানোর পর শুরু হয় ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে বেশ কয়েকজন শ্রমিক ১০০ মিটার দূর পর্যন্ত ছিটকে পড়েন।
পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের ফলে কারখানার শেডটি পুরোপুরি উড়ে গেছে। এমনকি বিস্ফোরণের জেরে কারখানার পাশের একটি বাড়ি ভেঙে পড়ে। আরও একটি বাড়িতে ফাটল দেখা গেছে।

ভারতের তেলঙ্গানা রাজ্যের সাঙ্গারেড্ডি জেলার পাসামিলারাম শিল্প এলাকায় একটি চুল্লিতে বিস্ফোরণের পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়েছে। সবশেষ তথ্য বলছে, ওই বিস্ফোরণে অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩৫ জন।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) ভারতীয় রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা পিটিআই এ তথ্য দিয়েছে। এর আগে সোমবার সকালে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয় ওই রাসায়নিক কারখানায়। বিস্ফোরণের পরই কারখানায় আগুন লেগে যায়।
জেলা পুলিশ সুপার পরিতোষ পঙ্কজ পিটিআইকে বলেন, ধ্বংসাবশেষ সরানোর সময় এখন পর্যন্ত ৩২ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। উদ্ধারকাজ এখনো চলছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সিগাচি কেমিক্যালস কারখানায় ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় চারজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। বাকিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
ভয়াবহ এ বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শোক জানিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে তিনি লিখেছেন, তেলেঙ্গানার সাঙ্গারেড্ডিতে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় আমি শোকাহত। যারা তাদের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন তাদের প্রতি আমাদের সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।
প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে প্রতিটি নিহতের পরিবারকে দুই লাখ টাকা এবং আহতদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন মোদি।
লোকসভার বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধীও শোক জানিয়েছেন এ দুর্ঘটনায়। তেলেঙ্গার স্বাস্থ্যমন্ত্রী সি দামোদর জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী রেভান্ত রেড্ডি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সোমবার কারখানাটির আগুন নেভানোর পর শুরু হয় ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে বেশ কয়েকজন শ্রমিক ১০০ মিটার দূর পর্যন্ত ছিটকে পড়েন।
পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের ফলে কারখানার শেডটি পুরোপুরি উড়ে গেছে। এমনকি বিস্ফোরণের জেরে কারখানার পাশের একটি বাড়ি ভেঙে পড়ে। আরও একটি বাড়িতে ফাটল দেখা গেছে।

পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তরের ন্যাশনাল সিসমিক মনিটরিং সেন্টার (এনএসএমসি) জানায়, স্থানীয় সময় রাত ৯টা ১৩ মিনিটে ভূমিকম্পটি রেকর্ড করা হয়। এর গভীরতা ছিল প্রায় ১৯০ কিলোমিটার। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতমালা।
৭ ঘণ্টা আগে
আবার এই সপ্তাহেই, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান ও আমেরিকার মধ্যেকার সংঘাত নিরসনে পাঁচ-দফা শান্তি পরিকল্পনার জন্য চীনের সমর্থন চাইতে বেইজিংয়ে গেছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
একই দিনে দুটি অত্যাধুনিক বিমান হারানোর ঘটনাকে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
৮ ঘণ্টা আগে