
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতে নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবিতে সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করেছে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) একটি প্রতিনিধিদল। বৈঠকে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিশ্রুতি মেলেনি বলে জানিয়েছে দলটি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কার নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাদের দাবিগুলো সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য কিছু সময় চেয়েছেন।
সিজেপির তিন দফা দাবি হলো— আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুককে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং আত্মহত্যা করা নিট পরীক্ষার্থীদের প্রত্যেকের পরিবারকে এক কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আশুতোষ রাঙ্কা লেখেন, ‘আমি এবং সৌরভ দাস এখনো নাড্ডাজির বাসভবনে রয়েছি। আমাদের দাবিগুলো নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য নাড্ডাজি কিছু সময় চেয়েছেন।’
সিজেপির আরেক মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাড্ডা তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে দাবিগুলো যথাযথ পর্যায়ে আলোচনা করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, ‘আশুতোষ রাঙ্কা এবং আমি দুপুর ১২টা থেকে জে পি নাড্ডার বাসভবনে রয়েছি। ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্বে পদত্যাগ বা অপসারণসহ সব দাবি তাঁর কাছে তুলে ধরা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীরা থামবেন না।’
সৌরভ দাসের ভাষ্য, নাড্ডা প্রতিনিধিদলকে আরও আশ্বস্ত করেছেন যে যন্তর মন্তর ও আশপাশের আন্দোলনস্থলে আর কোনো দমন-পীড়ন চালানো হবে না।
আন্দোলন প্রত্যাহারের আহ্বান নাড্ডার
বৈঠক শেষে জে পি নাড্ডা বলেন, আলোচনা সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে হয়েছে। তিনি আন্দোলনকারীদের অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করে প্রশাসনকে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নাড্ডা বলেন, ‘আজ সকালে প্রথমবারের মতো আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে সরকারের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব আসে। সকাল ১১টা ৫০ মিনিট থেকে আমাদের আলোচনা চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বৈঠকটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে হয়েছে। তাদের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বিস্তারিত প্রাথমিক মৌখিক আলোচনা হয়েছে। বিকেল চারটার দিকে তারা আমাকে একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছে। আমি সব আন্দোলনকারীকে তাদের অবস্থান কর্মসূচি শেষ করে প্রশাসনকে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়েছি।’
ধর্মেন্দ্র প্রধানের সঙ্গে অমিত শাহর বৈঠক
সৌরভ দাস আরও বলেন, ‘মন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় আর কোনো দমনমূলক অভিযান চালানো হবে না। তবে পুলিশি বাধা পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে— এমন কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।’

এদিকে সিজেপির আন্দোলনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পার্লামেন্ট ভবন কমপ্লেক্সে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের কার্যালয়ে তার সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে ওই বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কর্মকর্তারা কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির ডাকা আন্দোলনের অংশ হিসেবে হাজারো মানুষ সংসদের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময়ই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সংসদ ভবনের বাইরে বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড অতিক্রম করে সংসদ কমপ্লেক্সের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে এবং সীমিত মাত্রায় বলপ্রয়োগ করে। এ সময় সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকেসহ আরও কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।

বর্তমানে মধ্য দিল্লি জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) মোতায়েন করা হয়, যাতে কেউ নিরাপত্তা বলয় ভেঙে প্রবেশ করতে না পারে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আশপাশের কয়েকটি মেট্রো স্টেশনের কয়েকটি প্রবেশপথ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।
বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, সিজেপির ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচির সময় সংসদের কাছে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই) নিকটবর্তী এলাকা থেকে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকেসহ অন্তত সাতজন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।

ভারতে নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবিতে সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করেছে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) একটি প্রতিনিধিদল। বৈঠকে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিশ্রুতি মেলেনি বলে জানিয়েছে দলটি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কার নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাদের দাবিগুলো সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য কিছু সময় চেয়েছেন।
সিজেপির তিন দফা দাবি হলো— আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুককে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং আত্মহত্যা করা নিট পরীক্ষার্থীদের প্রত্যেকের পরিবারকে এক কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আশুতোষ রাঙ্কা লেখেন, ‘আমি এবং সৌরভ দাস এখনো নাড্ডাজির বাসভবনে রয়েছি। আমাদের দাবিগুলো নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য নাড্ডাজি কিছু সময় চেয়েছেন।’
সিজেপির আরেক মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাড্ডা তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে দাবিগুলো যথাযথ পর্যায়ে আলোচনা করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, ‘আশুতোষ রাঙ্কা এবং আমি দুপুর ১২টা থেকে জে পি নাড্ডার বাসভবনে রয়েছি। ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্বে পদত্যাগ বা অপসারণসহ সব দাবি তাঁর কাছে তুলে ধরা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীরা থামবেন না।’
সৌরভ দাসের ভাষ্য, নাড্ডা প্রতিনিধিদলকে আরও আশ্বস্ত করেছেন যে যন্তর মন্তর ও আশপাশের আন্দোলনস্থলে আর কোনো দমন-পীড়ন চালানো হবে না।
আন্দোলন প্রত্যাহারের আহ্বান নাড্ডার
বৈঠক শেষে জে পি নাড্ডা বলেন, আলোচনা সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে হয়েছে। তিনি আন্দোলনকারীদের অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করে প্রশাসনকে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নাড্ডা বলেন, ‘আজ সকালে প্রথমবারের মতো আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে সরকারের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব আসে। সকাল ১১টা ৫০ মিনিট থেকে আমাদের আলোচনা চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বৈঠকটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে হয়েছে। তাদের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বিস্তারিত প্রাথমিক মৌখিক আলোচনা হয়েছে। বিকেল চারটার দিকে তারা আমাকে একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছে। আমি সব আন্দোলনকারীকে তাদের অবস্থান কর্মসূচি শেষ করে প্রশাসনকে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়েছি।’
ধর্মেন্দ্র প্রধানের সঙ্গে অমিত শাহর বৈঠক
সৌরভ দাস আরও বলেন, ‘মন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় আর কোনো দমনমূলক অভিযান চালানো হবে না। তবে পুলিশি বাধা পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে— এমন কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।’

এদিকে সিজেপির আন্দোলনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পার্লামেন্ট ভবন কমপ্লেক্সে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের কার্যালয়ে তার সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে ওই বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কর্মকর্তারা কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির ডাকা আন্দোলনের অংশ হিসেবে হাজারো মানুষ সংসদের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময়ই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সংসদ ভবনের বাইরে বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড অতিক্রম করে সংসদ কমপ্লেক্সের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে এবং সীমিত মাত্রায় বলপ্রয়োগ করে। এ সময় সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকেসহ আরও কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।

বর্তমানে মধ্য দিল্লি জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) মোতায়েন করা হয়, যাতে কেউ নিরাপত্তা বলয় ভেঙে প্রবেশ করতে না পারে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আশপাশের কয়েকটি মেট্রো স্টেশনের কয়েকটি প্রবেশপথ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।
বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, সিজেপির ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচির সময় সংসদের কাছে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই) নিকটবর্তী এলাকা থেকে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকেসহ অন্তত সাতজন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।

ইসলামাবাদে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান এ কথা বলেন। তিনি জানান, তিন দেশের মধ্যে নিয়মিত বৈঠক, পরামর্শ ও যোগাযোগ চলছে। তবে এই মুহূর্তে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্প্রসারণ বা নতুন সদস্য নেওয়ার কোনো আলোচনা নেই।
১৭ ঘণ্টা আগে
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মক্কা চুক্তির আওতায় পাকিস্তান কীভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে— এমন প্রশ্নের জবাবে সাজ্জাদ হায়দার বলেন, ‘এ মুহূর্তে এমন কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে না। সময় এলে আমরা চুক্তির আওতায় পদক্ষেপ নেব।’
১৮ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইয়েমেন সরকারের চারটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, মোখা দখলের মধ্য দিয়ে লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তের বাব এল-মান্দেব প্রণালির ওপর হুতিদের প্রভাব আরও বেড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালির কৌশলগত হানিশ দ্বীপপুঞ্জেও হুতিরা হামলা চালাচ্ছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
২০ ঘণ্টা আগে