
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যৌন সুবিধার বিনিময়ে কয়েকজন নারীকে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন একই দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা সুব্রামানিয়ান স্বামী। এরপর একই অভিযোগ করেছেন নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সাংবাদিক ও হিন্দুত্ববাদী লেখিকা মধুপূর্ণিমা কিশওয়ার।
তাদের দুজনেরই দাবি, যৌনতার বিনিময়ে একাধিক নারীকে এমপি-মন্ত্রী করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদির কার্যালয় কিংবা তার দল বিজেপির পক্ষ থেকে কোনো ধরনের মন্তব্য করা হয়নি।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন ও মুম্বাইভিত্তিক ইন্ডিয়া হেরাল্ডের খবরে বলা হয়েছে, ‘এপস্টেইন ফাইলস’ নিয়ে একটি পডকাস্টে আলোচনা করতে গিয়ে সুব্রামানিয়ান স্বামী এমন বিস্ফোরক দাবি করেন। তার এ মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
Subramanian Swamy makes huge allegations again
— Tarun Gautam (@TARUNspeakss) March 24, 2026
“I can give names of 3-4 women who became MPs, who had to sleep with M*di, one even became minister”
And he said this while replying to names of Indians in #EpsteinFiles
Will BJP take action against Swamy? pic.twitter.com/VHN2oi5ysW
সুব্রামানিয়ান স্বামী ভারতের রাজনীতিতে একটি সুপরিচিত নাম। লোকসভা ও রাজ্যসভা— ভারতীয় সংসদের উভয় কক্ষেই নির্বাচিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ১৯৯০-৯১ সালে চন্দ্র শেখর ভারতের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তিনি মন্ত্রীও ছিলেন।
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দীর্ঘ এক পোস্টে একই অভিযোগের কথা তুলে ধরেন মধুপূর্ণিমা কিশওয়ার। এই লেখিকা এর আগে মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। এমনকি মোদিকে মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে তুলনা করে বইও লিখেছেন।
সুব্রামানিয়ান স্বামী পডকাস্টে আলোচনার একপর্যায়ে বলেন, ‘এপস্টেইন তো অনেক ছোট ব্যাপার, সবচেয়ে বড় মাথাকে এবার ধরা উচিত।’ এরপরই তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী বিরুদ্ধে যৌনতার বিনিময়ে একাধিক নারীকে সংসদ সদস্য করার কথা তুলে ধরেন।
সুব্রামানিয়ান বলেন, ‘আমি তিন থেকে চারজন নারীর নাম বলতে পারি, যারা এমপি হয়েছেন এবং এর জন্য তাদের মোদির সঙ্গে বিছানায় যেতে হয়েছে। এমনকি তাদের মধ্যে একজন মন্ত্রীও হয়েছেন।
এ নিয়ে যখন ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়, তখনই এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করেন কিশওয়ার। তার দাবি, তিনি তার বই প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়ার জন্য সাক্ষাৎ এড়িয়ে গিয়েছিলেন। কারণ তিনি আগে থেকেই নারীদের প্রতি মোদির আচরণ সম্পর্কে অবগত ছিলেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক তরুণ গৌতম তার এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেন সুব্রামানিয়ান স্বামীর পডকাস্টের ওই ভিডিও। পরে আরও অনেক সাংবাদিকই সেটি শেয়ার করেছেন। কিশওয়ার নিজেও গৌতমের সেই পোস্টটি শেয়ার করেই তার দীর্ঘ পোস্টটি লিখেছেন।
This explains why I kept a safe distance from Modi from the time he assumed power in May 2014. I did not even go to gift him a copy of my book on him. Just sent an unsigned copy through his favourite bureaucrat Bharat Lal!
— Madhu Purnima Kishwar (@madhukishwar) March 25, 2026
The names of women who were made MPs and ministers by… https://t.co/vgboxAndqq
কিশওয়ার লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী কোনো কোনো সংসদ সদস্যকে স্রেফ ঘনিষ্ঠতার বিনিময়ে মন্ত্রী করেছেন, তাদের নাম হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকদের মুখে মুখে ঘরে। এমনকী হরদীপ সিং পুরী, এস জয়শংকররা যখন মন্ত্রী হলেন, তখনও অনেকের মুখেই শোনা গিয়েছিল যে তারা প্রধানমন্ত্রীকে ‘বিশেষ সেবা’র ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।”
সাবেক ভারতের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী স্মৃতি ইরানির কথা সরাসরিই পোস্টে উল্লেখ করেছেন কিশওয়ার। লিখেছেন, “দ্বাদশ শ্রেণি পাস স্মৃতি ইরানি কীভাবে মন্ত্রী হলেন, সেই ‘কেচ্ছা’ জনসাধারণের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। ২০১৪ সালে আমেরিকায় গিয়েও আমি প্রধানমন্ত্রীর ‘কীর্তিকাহিনী’র শুনেছি।”
কিশওয়ার লিখেছেন, ‘এসব গল্প শুনে আমি এতটাই বিরক্ত হয়ে পড়ি যে যেসব অনুষ্ঠানে— এমনকি বিয়ের অনুষ্ঠানেও— মোদি উপস্থিত থাকতে পারেন, সেগুলো এড়িয়ে চলতাম।’
ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। নেটিজেনদের অনেকেই বলছেন, নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ অনেকটাই ‘ওপেন সিক্রেট’, যা এখন প্রতিষ্ঠিত ও তারকাদের মুখ থেকে এলো।
এ নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও বিজেপির মুখে কুলুপ এঁটে থাকাকে তারা ‘মৌনতায় সম্মতির লক্ষণ’ হিসেবে মনে করছেন। তারা বলছেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা হলে সুব্রামানিয়ান স্বামী ও কিশওয়ারকে ব্যাপক আইনি ব্যবস্থার মুখে পড়তে হতো।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যৌন সুবিধার বিনিময়ে কয়েকজন নারীকে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন একই দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা সুব্রামানিয়ান স্বামী। এরপর একই অভিযোগ করেছেন নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সাংবাদিক ও হিন্দুত্ববাদী লেখিকা মধুপূর্ণিমা কিশওয়ার।
তাদের দুজনেরই দাবি, যৌনতার বিনিময়ে একাধিক নারীকে এমপি-মন্ত্রী করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদির কার্যালয় কিংবা তার দল বিজেপির পক্ষ থেকে কোনো ধরনের মন্তব্য করা হয়নি।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন ও মুম্বাইভিত্তিক ইন্ডিয়া হেরাল্ডের খবরে বলা হয়েছে, ‘এপস্টেইন ফাইলস’ নিয়ে একটি পডকাস্টে আলোচনা করতে গিয়ে সুব্রামানিয়ান স্বামী এমন বিস্ফোরক দাবি করেন। তার এ মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
Subramanian Swamy makes huge allegations again
— Tarun Gautam (@TARUNspeakss) March 24, 2026
“I can give names of 3-4 women who became MPs, who had to sleep with M*di, one even became minister”
And he said this while replying to names of Indians in #EpsteinFiles
Will BJP take action against Swamy? pic.twitter.com/VHN2oi5ysW
সুব্রামানিয়ান স্বামী ভারতের রাজনীতিতে একটি সুপরিচিত নাম। লোকসভা ও রাজ্যসভা— ভারতীয় সংসদের উভয় কক্ষেই নির্বাচিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ১৯৯০-৯১ সালে চন্দ্র শেখর ভারতের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তিনি মন্ত্রীও ছিলেন।
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দীর্ঘ এক পোস্টে একই অভিযোগের কথা তুলে ধরেন মধুপূর্ণিমা কিশওয়ার। এই লেখিকা এর আগে মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। এমনকি মোদিকে মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে তুলনা করে বইও লিখেছেন।
সুব্রামানিয়ান স্বামী পডকাস্টে আলোচনার একপর্যায়ে বলেন, ‘এপস্টেইন তো অনেক ছোট ব্যাপার, সবচেয়ে বড় মাথাকে এবার ধরা উচিত।’ এরপরই তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী বিরুদ্ধে যৌনতার বিনিময়ে একাধিক নারীকে সংসদ সদস্য করার কথা তুলে ধরেন।
সুব্রামানিয়ান বলেন, ‘আমি তিন থেকে চারজন নারীর নাম বলতে পারি, যারা এমপি হয়েছেন এবং এর জন্য তাদের মোদির সঙ্গে বিছানায় যেতে হয়েছে। এমনকি তাদের মধ্যে একজন মন্ত্রীও হয়েছেন।
এ নিয়ে যখন ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়, তখনই এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করেন কিশওয়ার। তার দাবি, তিনি তার বই প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়ার জন্য সাক্ষাৎ এড়িয়ে গিয়েছিলেন। কারণ তিনি আগে থেকেই নারীদের প্রতি মোদির আচরণ সম্পর্কে অবগত ছিলেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক তরুণ গৌতম তার এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেন সুব্রামানিয়ান স্বামীর পডকাস্টের ওই ভিডিও। পরে আরও অনেক সাংবাদিকই সেটি শেয়ার করেছেন। কিশওয়ার নিজেও গৌতমের সেই পোস্টটি শেয়ার করেই তার দীর্ঘ পোস্টটি লিখেছেন।
This explains why I kept a safe distance from Modi from the time he assumed power in May 2014. I did not even go to gift him a copy of my book on him. Just sent an unsigned copy through his favourite bureaucrat Bharat Lal!
— Madhu Purnima Kishwar (@madhukishwar) March 25, 2026
The names of women who were made MPs and ministers by… https://t.co/vgboxAndqq
কিশওয়ার লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী কোনো কোনো সংসদ সদস্যকে স্রেফ ঘনিষ্ঠতার বিনিময়ে মন্ত্রী করেছেন, তাদের নাম হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকদের মুখে মুখে ঘরে। এমনকী হরদীপ সিং পুরী, এস জয়শংকররা যখন মন্ত্রী হলেন, তখনও অনেকের মুখেই শোনা গিয়েছিল যে তারা প্রধানমন্ত্রীকে ‘বিশেষ সেবা’র ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।”
সাবেক ভারতের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী স্মৃতি ইরানির কথা সরাসরিই পোস্টে উল্লেখ করেছেন কিশওয়ার। লিখেছেন, “দ্বাদশ শ্রেণি পাস স্মৃতি ইরানি কীভাবে মন্ত্রী হলেন, সেই ‘কেচ্ছা’ জনসাধারণের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। ২০১৪ সালে আমেরিকায় গিয়েও আমি প্রধানমন্ত্রীর ‘কীর্তিকাহিনী’র শুনেছি।”
কিশওয়ার লিখেছেন, ‘এসব গল্প শুনে আমি এতটাই বিরক্ত হয়ে পড়ি যে যেসব অনুষ্ঠানে— এমনকি বিয়ের অনুষ্ঠানেও— মোদি উপস্থিত থাকতে পারেন, সেগুলো এড়িয়ে চলতাম।’
ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। নেটিজেনদের অনেকেই বলছেন, নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ অনেকটাই ‘ওপেন সিক্রেট’, যা এখন প্রতিষ্ঠিত ও তারকাদের মুখ থেকে এলো।
এ নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও বিজেপির মুখে কুলুপ এঁটে থাকাকে তারা ‘মৌনতায় সম্মতির লক্ষণ’ হিসেবে মনে করছেন। তারা বলছেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা হলে সুব্রামানিয়ান স্বামী ও কিশওয়ারকে ব্যাপক আইনি ব্যবস্থার মুখে পড়তে হতো।

হান্টাভাইরাস আক্রান্ত আট ব্যক্তির শরীরে ভাইরাসটির অ্যান্ডিজ স্ট্রেইন শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। হান্টাভাইরাস সাধারণত মানুষ থেকে মানুষে খুব কম ছড়ালেও এর অ্যান্ডিজ স্ট্রেইনই মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম হান্টাভাইরাসের একমাত্র ধরন।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র চীনের প্রায় ১০টি প্রতিষ্ঠানকে এনভিডিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এআই চিপ এইচ-২০০ কেনার অনুমোদন দিয়েছে। তবে অনুমোদন মিললেও এখন পর্যন্ত একটি চিপও সরবরাহ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন ব্যক্তি। ফলে বহুল আলোচিত এই প্রযুক্তি চুক্তি এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে আটকে আছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্পের সঙ্গে এই সফরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার, অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এবং প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ব্যক্তিত্বরা, যাদের মধ্যে টেসলার ইলন মাস্ক ও এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং রয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার নতুন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, অনুমোদিত স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সরকারি পশু চিকিৎসকের দেওয়া ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো পশু জবাই করা যাবে না। এই নিয়ম গরু, ষাঁড়, বলদ, বাছুর, পুরুষ ও স্ত্রী মহিষ, মহিষের বাছুর এবং খোজা মহ
৬ ঘণ্টা আগে