
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

২০১৫ সালের ডিসেম্বরে ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ পাকিস্তান গিয়েছিলেন। তার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উত্তেজনা ও অবনতির কারণে আর কোনো ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তান যাননি। প্রায় নয় বছর পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর এবার এসসিও বৈঠকে যোগ দিতে পাকিস্তান সফরে রয়েছেন।
পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
গতকাল বুধবার পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ২০১৫ সালের পর এটাই কোনো ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম পাকিস্তান সফর।
করোনা মহামারি, ইসরায়েল-হামাস-হিজবুল্লাহ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের কথা উল্লেখ করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের সংকটময় পরিস্থিতিতে এই সম্মেলন শুরু হয়েছে। চরম জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক অস্থিরতার মতো ঘটনা প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নকে প্রভাবিত করেছে।
ঋণ একটি গুরুতর উদ্বেগের বিষয়, এমনকি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও পিছিয়ে পড়েছে বিশ্ব। প্রযুক্তির ভালো সম্ভাবনা রয়েছে, পাশাপাশি উদ্বেগের কারণও আছে।
সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থা ও বিচ্ছিন্নতাবাদকে ‘তিনটি শয়তান’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, প্রকৃত অংশীদারির ভিত্তিতে সহযোগিতার সম্পর্ক নির্মিত হয়, একতরফা এজেন্ডার ভিত্তিতে নয়।
এসসিওর সদস্যদের এসব চ্যালেঞ্জ কিভাবে মোকাবেলা করা উচিত? দুই দিনব্যাপী এসসিও সম্মেলনে এবার সভাপতিত্ব করছে পাকিস্তান।
গতকাল সম্মেলনে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) প্রকল্প সম্প্রসারণের আহবান জানান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।
সূত্র : এনডিটিভি

২০১৫ সালের ডিসেম্বরে ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ পাকিস্তান গিয়েছিলেন। তার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উত্তেজনা ও অবনতির কারণে আর কোনো ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তান যাননি। প্রায় নয় বছর পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর এবার এসসিও বৈঠকে যোগ দিতে পাকিস্তান সফরে রয়েছেন।
পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
গতকাল বুধবার পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ২০১৫ সালের পর এটাই কোনো ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম পাকিস্তান সফর।
করোনা মহামারি, ইসরায়েল-হামাস-হিজবুল্লাহ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের কথা উল্লেখ করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের সংকটময় পরিস্থিতিতে এই সম্মেলন শুরু হয়েছে। চরম জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক অস্থিরতার মতো ঘটনা প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নকে প্রভাবিত করেছে।
ঋণ একটি গুরুতর উদ্বেগের বিষয়, এমনকি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও পিছিয়ে পড়েছে বিশ্ব। প্রযুক্তির ভালো সম্ভাবনা রয়েছে, পাশাপাশি উদ্বেগের কারণও আছে।
সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থা ও বিচ্ছিন্নতাবাদকে ‘তিনটি শয়তান’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, প্রকৃত অংশীদারির ভিত্তিতে সহযোগিতার সম্পর্ক নির্মিত হয়, একতরফা এজেন্ডার ভিত্তিতে নয়।
এসসিওর সদস্যদের এসব চ্যালেঞ্জ কিভাবে মোকাবেলা করা উচিত? দুই দিনব্যাপী এসসিও সম্মেলনে এবার সভাপতিত্ব করছে পাকিস্তান।
গতকাল সম্মেলনে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) প্রকল্প সম্প্রসারণের আহবান জানান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।
সূত্র : এনডিটিভি

ট্রাম্পের ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র এখন সামরিক শক্তি পুনর্বিন্যাসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং আগের চেয়ে আরও উন্নত অস্ত্র প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো না গেলে এসব সক্ষমতা ব্যবহার করা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মধ্যেই লেবানন সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসার আগে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা অপরিহার্য। একদিকে ইরান একে ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ বলে দাবি করলেও, ইসরায়েল লেবাননকে এই চুক্তির বাইরে রাখায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলও এই আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তান অভিমুখে রয়েছেন। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এই বৈঠকটি বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে