
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দীর্ঘ টানাপোড়েন আর দুই সপ্তাহের নাজুক যুদ্ধবিরতির পর অবশেষে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে সরাসরি শান্তি আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। লোহিত সাগর ও মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিরসনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মধ্যস্থতায় আয়োজিত এই বৈঠককে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঢাকা হয়েছে রাজধানী ইসলামাবাদকে। সর্বোচ্চ গুরুত্ব বিবেচনায় শহরটিতে দুই দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে পাকিস্তান সরকার।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের নেতৃত্বে শীর্ষ পর্যায়ের কূটনীতিকরা এই ঐতিহাসিক বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।
ইসলামাবাদের রেড জোনের নিরাপত্তা ইতিমধ্যে সেনাবাহিনীর হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে এবং মোতায়েন করা হয়েছে কুইক রেসপন্স ফোর্স।
বিগত বছরগুলোতে দুই দেশের একাধিক আলোচনা ব্যর্থ হলেও এবারের এই সরাসরি বৈঠককে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তবে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মাঝে পারস্পরিক আস্থা অর্জনই এখন দুই দেশের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল না পৌঁছালেও ইরানের প্রতিনিধি দল এরই মধ্যে ইসলামাবাদে রয়েছেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে তারা পাকিস্তানে পৌঁছেছেন।
সূত্রমতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক পরিবহন বিমান সি-১৩০ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) পাকিস্তানের নূর খান এয়ারবেসে অবতরণ করেছে। এতে থাকা অগ্রবর্তী নিরাপত্তা ও কৌশলগত দল বৈঠকের ভেন্যু ও সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে। একই সঙ্গে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস ও সিআইএ সদস্যরাও ইসলামাবাদে পৌঁছে প্রস্তুতি জোরদার করেছেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই বৈঠকের আয়োজন করেন। তার আমন্ত্রণেই দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সরাসরি আলোচনায় বসতে রাজি হয়। ১০ এপ্রিল শুরু হতে যাওয়া এই আলোচনায় অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল গঠন করেছেন। এতে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার।
অন্যদিকে পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের নেতৃত্বে ইরানের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি, প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সচিব, ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এবং কয়েকজন আইনপ্রণেতা।
এই বৈঠককে সামনে রেখে ইসলামাবাদের রেড জোনসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন, কূটনৈতিক এলাকা এবং শহরের প্রবেশ ও প্রস্থান পথগুলোতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রেড জোনের নিরাপত্তা সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে এবং পুলিশ ও রেঞ্জার্স সদস্যদের উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। সেনাবাহিনীর কুইক রেসপন্স ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য।

দীর্ঘ টানাপোড়েন আর দুই সপ্তাহের নাজুক যুদ্ধবিরতির পর অবশেষে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে সরাসরি শান্তি আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। লোহিত সাগর ও মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিরসনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মধ্যস্থতায় আয়োজিত এই বৈঠককে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঢাকা হয়েছে রাজধানী ইসলামাবাদকে। সর্বোচ্চ গুরুত্ব বিবেচনায় শহরটিতে দুই দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে পাকিস্তান সরকার।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের নেতৃত্বে শীর্ষ পর্যায়ের কূটনীতিকরা এই ঐতিহাসিক বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।
ইসলামাবাদের রেড জোনের নিরাপত্তা ইতিমধ্যে সেনাবাহিনীর হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে এবং মোতায়েন করা হয়েছে কুইক রেসপন্স ফোর্স।
বিগত বছরগুলোতে দুই দেশের একাধিক আলোচনা ব্যর্থ হলেও এবারের এই সরাসরি বৈঠককে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তবে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মাঝে পারস্পরিক আস্থা অর্জনই এখন দুই দেশের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল না পৌঁছালেও ইরানের প্রতিনিধি দল এরই মধ্যে ইসলামাবাদে রয়েছেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে তারা পাকিস্তানে পৌঁছেছেন।
সূত্রমতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক পরিবহন বিমান সি-১৩০ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) পাকিস্তানের নূর খান এয়ারবেসে অবতরণ করেছে। এতে থাকা অগ্রবর্তী নিরাপত্তা ও কৌশলগত দল বৈঠকের ভেন্যু ও সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে। একই সঙ্গে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস ও সিআইএ সদস্যরাও ইসলামাবাদে পৌঁছে প্রস্তুতি জোরদার করেছেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই বৈঠকের আয়োজন করেন। তার আমন্ত্রণেই দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সরাসরি আলোচনায় বসতে রাজি হয়। ১০ এপ্রিল শুরু হতে যাওয়া এই আলোচনায় অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল গঠন করেছেন। এতে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার।
অন্যদিকে পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের নেতৃত্বে ইরানের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি, প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সচিব, ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এবং কয়েকজন আইনপ্রণেতা।
এই বৈঠককে সামনে রেখে ইসলামাবাদের রেড জোনসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন, কূটনৈতিক এলাকা এবং শহরের প্রবেশ ও প্রস্থান পথগুলোতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রেড জোনের নিরাপত্তা সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে এবং পুলিশ ও রেঞ্জার্স সদস্যদের উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। সেনাবাহিনীর কুইক রেসপন্স ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য।

এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মধ্যেই লেবানন সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসার আগে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা অপরিহার্য। একদিকে ইরান একে ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ বলে দাবি করলেও, ইসরায়েল লেবাননকে এই চুক্তির বাইরে রাখায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলও এই আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তান অভিমুখে রয়েছেন। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এই বৈঠকটি বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত এ আলোচনা নিয়ে আগের দিনেও অনিশ্চয়তা কাটেনি। তবে দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, দুপক্ষের সঙ্গেই তার কথা হয়েছে। এ আলোচনাকে তিনি ‘বাঁচা-মরার লড়াই’ বলে অভিহিত করেছেন, যেখান থেকে সর্বোচ্চ ইতিবাচক ফল আনতে আশাবাদী পা
১৩ ঘণ্টা আগে