নিজ নাগরিকদের ইরান ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১০: ৪৭
ছবি: সংগৃহীত

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চরম সহিংস রূপ ধারণ করায় দেশটিতে অবস্থানরত নিজস্ব নাগরিকদের ‘এই মুহূর্তে’ ইরান ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) মার্কিন ভার্চুয়াল দূতাবাস থেকে জারি করা এক জরুরি সতর্কবার্তায় জানানো হয়, যেকোনো সময় পুরো দেশ রণক্ষেত্রে পরিণত হতে পারে। সড়ক অবরোধ, গণপরিবহন বন্ধ এবং দীর্ঘমেয়াদী ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের আশঙ্কায় মার্কিন নাগরিকদের আকাশপথের পরিবর্তে জরুরি ভিত্তিতে স্থলপথে তুরস্ক বা আর্মেনিয়ায় চলে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যারা দেশ ছাড়তে পারছেন না, তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে পর্যাপ্ত খাবার ও ওষুধ মজুদের পাশাপাশি মার্কিন সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভর না করারও কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ইরানের বিক্ষোভ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এটি সহিংস আকার ধারণ করতে পারে। যার ফলে অনেকে গ্রেপ্তার, আহত— রাস্তাবন্ধ, গণপরিবহণ বন্ধ এবং ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন থাকায় প্রতিদিনের জীবন ব্যাপক বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

চলমান সংকটের কারণে অনেক বিমান সংস্থা অন্তত আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যূন্ত ইরানে ফ্লাইট বাতিল অথবা স্থগিত করেছে। এমন পরিস্থিতিতে স্থলভাবে আর্মেনিয়া অথবা তুরস্কে চলে যাওয়ার জন্য নাগরিকদের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

নির্দেশনায় এ ব্যাপারে দেশটি বলেছে, ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে এমন প্রস্তুতি রাখুন। যোগাযোগের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন এবং স্থলপথে আর্মেনিয়া অথবা তুরস্কে চলে যান। এ মুহূর্তে ইরান ছাড়ুন।

যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হবে এমন কোনো পরিকল্পনা না রাখতেও ইরানে থাকা জনগণকে আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

আর যারা ইরান ছাড়তে পারবেন না তাদের কোনো নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়া এবং খাবার মজুদ করার পরামর্শ দিয়েছে মার্কিন দূতাবাস। তারা বলেছে, যদি আপনি ইরান ছাড়তে না পারেন তাহলে আপনার আবাসস্থল বা অন্য কোনো ভবনে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে নিন। খাবার, পানি, ওষুধ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মজুদ করে সঙ্গে রাখুন।

এছাড়া যেসব জায়গায় আন্দোলন চলছে সেসব জায়গায় না যেতেও আহ্বান জানানো হয়েছে মার্কিন নাগরিকদের।

Ad
Ad
ad
ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

হরমুজ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই ইরানের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ট্রাম্পের

ইরান ও ওমানকে আলাদা করা এই নৌপথ দিয়ে যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবাহিত হতো। এখন হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে ট্রাম্পের নতুন ক্ষতিপূরণ দাবিতে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি পুনরায় খুলে দেওয়ার প্রচেষ্টা আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

১৫ ঘণ্টা আগে

এ শতাব্দীর সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপছে কলম্বিয়া, নিহত বেড়ে ১৩২

কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, চলতি একবিংশ শতাব্দীতে এটিই কলম্বিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।

১৭ ঘণ্টা আগে

৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে তছনছ কলম্বিয়ায় নিহত ১১১, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু মানুষ

রিসারালদার প্রধান শহর পেরেইরায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে শহরটিতে ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। পরে বিভাগের অন্যান্য এলাকায় প্রাণহানির সংখ্যা বাড়তে থাকে। আহতদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে পেরেইরার একাধিক হাসপাতালও চাপের মুখে পড়ে।

১ দিন আগে

পরমাণু চুক্তির আশায় ‘গুঁড়ে বালি’, ইরান যুদ্ধের সমাপ্তি হরমুজের দরজায়?

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরমাণু চুক্তি ছাড়াই সংঘাত শেষ করে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়াকে যুদ্ধের বিজয় হিসেবে তুলে ধরার পরিকল্পনা নিয়েও ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন তিনি। তবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিনিময়ে

১ দিন আগে