
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সামরিক অভ্যুত্থান পরিকল্পনার দায়ে ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জেয়ার বলসোনারোকে ২৭ বছর তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। রায়ে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের নির্বাচনে বামপন্থি প্রতিদ্বন্দ্বী লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে পরাজিত হওয়ার পরও ক্ষমতায় টিকে থাকতে ষড়যন্ত্র পরিকল্পনার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলসোনারো।
বিবিসি ও রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, পাঁচ বিচারপতির এক প্যানেলের চারজন তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন, বাকি একজন তার খালাসের পক্ষে ভোট দেন। বিচারপতিদের এ সিদ্ধান্তের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ২৭ বছরের সাজা ঘোষণা করা হয়।
বলসোনারোর আইনজীবীরা এ সাজাকে ‘অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেছেন। জানিয়েছেন, তারা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আপিল করবেন।
এ রায়ের ফলে ৭০ বছর বয়সী সাবেক প্রেসিডেন্ট বলসোনারো এখন কার্যত জীবনের বাকি সময় কারাগারেই কাটাবেন। সম্ভবত তার আইনজীবীরা শাস্তি কমানোর পাশাপাশি তাকে জেলে না পাঠিয়ে গৃহবন্দি অবস্থায় রাখার আবেদন করবেন।
তারা এরই মধ্যে দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছে। তবে আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত পাঁচ বিচারপতির মধ্যে অন্তত দুজন খালাসের পক্ষে ভোট দিলে আপিলের সুযোগ থাকায় তা কঠিন হবে।
বিচারের আগেই পালিয়ে যাওয়ার শঙ্কা থেকে গৃহবন্দি রাখা হয়েছিল বলসোনারোকে। বিচার প্রক্রিয়ার এই শেষ ধাপে সশরীরে আদালতে হাজির হননি তিনি।
বলসোনারো এর আগে অভিযোগ করেছিলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনে তার অংশগ্রহণ ঠেকাতেই এই মামলা করা হয়েছে। একে তিনি ‘উইচ হান্ট’ বা তার মতাদর্শের জন্য সংঘবদ্ধ প্রচারণা বলেও অভিহিত করেছেন। তবে অন্য একটি মামলায় এর আগেই তাকে সরকারি পদের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হয়।
বলসোনারোর বক্তব্যের প্রতিধ্বনি শোনা গেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকেও। বলসোনারোর বিচারের প্রতিশোধ হিসেবে ব্রাজিলীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন ট্রাম্প।
এই রায়কে ‘খুবই বিস্ময়কর’ আখ্যা দিয়ে একে নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে তুলনা করেন ট্রাম্প। বলেন, আমার সঙ্গেও এমনটা করার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু তারা কোনোভাবেই সফল হয়নি।

নিজ বাড়িতে গৃহবন্দি রয়েছেন বলসোনারো। ছবি: রয়টার্স
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট অন্যায়ভাবে সাবেক প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসোনারোকে কারাদণ্ড দিয়েছে। একইসঙ্গে এই ‘উইচ হান্টের জবাব’ দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যেনিজ বাড়িতে গৃহবন্দি রয়েছেন বলসোনারো। ছবি: রয়টার্সর প্রতিক্রিয়ায় ব্রাজিলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তথ্যপ্রমাণ ও রেকর্ডে থাকা জোরালো উপাত্তকে উপেক্ষা করে ব্রাজিলীয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আজ যেভাবে আক্রমণাত্মক হুমকি দিয়েছেন, তা আমাদের গণতন্ত্রকে ভয় দেখাতে পারবে না।
মোট পাঁচটি অভিযোগে বলসোনারো দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, যার সবগুলোই ২০২২ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের পর ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার চেষ্টার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
বাদীপক্ষ জানিয়েছে, সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে অভ্যুত্থানের প্রস্তাব দিয়ে এবং ভোটের প্রক্রিয়া নিয়ে ভিত্তিহীন সন্দেহ ছড়িয়ে অনেক আগে থেকেই তিনি ক্ষমতায় থাকার ষড়যন্ত্র শুরু করেছিলেন।
তারা আরও জানিয়েছে, লুলা ও তার ভাইস-প্রেসিডেন্ট প্রার্থীসহ সুপ্রিম কোর্টের এক বিচারপতিকে হত্যার পরিকল্পনার বিষয়েও বলসোনারো অবগত ছিলেন।
বিচারপতিরা রায়ে বলেন, তিনি ষড়যন্ত্রের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এ মামলায় তার আরও সাত সহযোগীকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে রয়েছেন সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দুই সাবেক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, এক সাবেক গোয়েন্দা প্রধান এবং সাবেক নিরাপত্তা মন্ত্রী।
যদিও সেনাবাহিনীর পর্যাপ্ত সমর্থন না থাকায় অভ্যুত্থান কার্যকর হয়নি, তবে ২০২৩ সালের ৮ জানুয়ারি বলসোনারোর সমর্থকেরা সরকারি ভবনে হামলা চালায়। পরে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং দেড় হাজারেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিচার কার্যক্রম তদারক করা বিচারপতি আলেক্সান্দ্রে দে মোরাসের মতে, ব্রাজিল প্রায় একনায়কতন্ত্রে ফিরে যাচ্ছিল। দোষী সাব্যস্ত করে নিজের ভোটটি দেওয়ার আগে তিনি বলেন, আমরা ধীরে ধীরে ভুলে যাচ্ছি যে ব্রাজিল প্রায় ২০ বছরের সামরিক শাসনে ফিরে যাচ্ছিল, কারণ এক রাজনৈতিক দলের ছদ্মবেশী এক অপরাধীদের সংগঠন একটি নির্বাচনে হার মেনে নিতে জানে না।
বৃহস্পতিবার আদালতে বিচারপতি কারমেন লুসিয়ার রায়েও ব্রাজিলের সামরিক শাসনের ইতিহাস ও সাম্প্রতিক অতীত প্রভাব রেখেছে। অভ্যুত্থান প্রচেষ্টাকে তিনি ‘ভাইরাসে’র সঙ্গে তুলনা করেন, যার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে যে সমাজের মধ্যে ঢুকেছে তাকেই শেষ করে দেবে।
পাঁচ সদস্যের প্যানেলে একমাত্র ভিন্নমত পোষণ করেন বিচারপতি লুইজ ফাক্স। বুধবার টানা ১১ ঘণ্টার বক্তব্যে তিনি অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেন এবং বলসোনারোর খালাসের পক্ষে ভোট দেন।
তবে বৃহস্পতিবার প্যানেলের একমাত্র নারী বিচারপতি কারমেন লুসিয়া স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ব্রাজিলের গণতান্ত্রিক শৃঙ্খলা গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘স্বৈরতন্ত্র থেকে কোনো জাতিই সম্পূর্ণ সুরক্ষিত নয়।’

সামরিক অভ্যুত্থান পরিকল্পনার দায়ে ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জেয়ার বলসোনারোকে ২৭ বছর তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। রায়ে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের নির্বাচনে বামপন্থি প্রতিদ্বন্দ্বী লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে পরাজিত হওয়ার পরও ক্ষমতায় টিকে থাকতে ষড়যন্ত্র পরিকল্পনার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলসোনারো।
বিবিসি ও রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, পাঁচ বিচারপতির এক প্যানেলের চারজন তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন, বাকি একজন তার খালাসের পক্ষে ভোট দেন। বিচারপতিদের এ সিদ্ধান্তের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ২৭ বছরের সাজা ঘোষণা করা হয়।
বলসোনারোর আইনজীবীরা এ সাজাকে ‘অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেছেন। জানিয়েছেন, তারা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আপিল করবেন।
এ রায়ের ফলে ৭০ বছর বয়সী সাবেক প্রেসিডেন্ট বলসোনারো এখন কার্যত জীবনের বাকি সময় কারাগারেই কাটাবেন। সম্ভবত তার আইনজীবীরা শাস্তি কমানোর পাশাপাশি তাকে জেলে না পাঠিয়ে গৃহবন্দি অবস্থায় রাখার আবেদন করবেন।
তারা এরই মধ্যে দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছে। তবে আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত পাঁচ বিচারপতির মধ্যে অন্তত দুজন খালাসের পক্ষে ভোট দিলে আপিলের সুযোগ থাকায় তা কঠিন হবে।
বিচারের আগেই পালিয়ে যাওয়ার শঙ্কা থেকে গৃহবন্দি রাখা হয়েছিল বলসোনারোকে। বিচার প্রক্রিয়ার এই শেষ ধাপে সশরীরে আদালতে হাজির হননি তিনি।
বলসোনারো এর আগে অভিযোগ করেছিলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনে তার অংশগ্রহণ ঠেকাতেই এই মামলা করা হয়েছে। একে তিনি ‘উইচ হান্ট’ বা তার মতাদর্শের জন্য সংঘবদ্ধ প্রচারণা বলেও অভিহিত করেছেন। তবে অন্য একটি মামলায় এর আগেই তাকে সরকারি পদের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হয়।
বলসোনারোর বক্তব্যের প্রতিধ্বনি শোনা গেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকেও। বলসোনারোর বিচারের প্রতিশোধ হিসেবে ব্রাজিলীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন ট্রাম্প।
এই রায়কে ‘খুবই বিস্ময়কর’ আখ্যা দিয়ে একে নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে তুলনা করেন ট্রাম্প। বলেন, আমার সঙ্গেও এমনটা করার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু তারা কোনোভাবেই সফল হয়নি।

নিজ বাড়িতে গৃহবন্দি রয়েছেন বলসোনারো। ছবি: রয়টার্স
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট অন্যায়ভাবে সাবেক প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসোনারোকে কারাদণ্ড দিয়েছে। একইসঙ্গে এই ‘উইচ হান্টের জবাব’ দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যেনিজ বাড়িতে গৃহবন্দি রয়েছেন বলসোনারো। ছবি: রয়টার্সর প্রতিক্রিয়ায় ব্রাজিলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তথ্যপ্রমাণ ও রেকর্ডে থাকা জোরালো উপাত্তকে উপেক্ষা করে ব্রাজিলীয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আজ যেভাবে আক্রমণাত্মক হুমকি দিয়েছেন, তা আমাদের গণতন্ত্রকে ভয় দেখাতে পারবে না।
মোট পাঁচটি অভিযোগে বলসোনারো দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, যার সবগুলোই ২০২২ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের পর ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার চেষ্টার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
বাদীপক্ষ জানিয়েছে, সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে অভ্যুত্থানের প্রস্তাব দিয়ে এবং ভোটের প্রক্রিয়া নিয়ে ভিত্তিহীন সন্দেহ ছড়িয়ে অনেক আগে থেকেই তিনি ক্ষমতায় থাকার ষড়যন্ত্র শুরু করেছিলেন।
তারা আরও জানিয়েছে, লুলা ও তার ভাইস-প্রেসিডেন্ট প্রার্থীসহ সুপ্রিম কোর্টের এক বিচারপতিকে হত্যার পরিকল্পনার বিষয়েও বলসোনারো অবগত ছিলেন।
বিচারপতিরা রায়ে বলেন, তিনি ষড়যন্ত্রের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এ মামলায় তার আরও সাত সহযোগীকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে রয়েছেন সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দুই সাবেক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, এক সাবেক গোয়েন্দা প্রধান এবং সাবেক নিরাপত্তা মন্ত্রী।
যদিও সেনাবাহিনীর পর্যাপ্ত সমর্থন না থাকায় অভ্যুত্থান কার্যকর হয়নি, তবে ২০২৩ সালের ৮ জানুয়ারি বলসোনারোর সমর্থকেরা সরকারি ভবনে হামলা চালায়। পরে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং দেড় হাজারেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিচার কার্যক্রম তদারক করা বিচারপতি আলেক্সান্দ্রে দে মোরাসের মতে, ব্রাজিল প্রায় একনায়কতন্ত্রে ফিরে যাচ্ছিল। দোষী সাব্যস্ত করে নিজের ভোটটি দেওয়ার আগে তিনি বলেন, আমরা ধীরে ধীরে ভুলে যাচ্ছি যে ব্রাজিল প্রায় ২০ বছরের সামরিক শাসনে ফিরে যাচ্ছিল, কারণ এক রাজনৈতিক দলের ছদ্মবেশী এক অপরাধীদের সংগঠন একটি নির্বাচনে হার মেনে নিতে জানে না।
বৃহস্পতিবার আদালতে বিচারপতি কারমেন লুসিয়ার রায়েও ব্রাজিলের সামরিক শাসনের ইতিহাস ও সাম্প্রতিক অতীত প্রভাব রেখেছে। অভ্যুত্থান প্রচেষ্টাকে তিনি ‘ভাইরাসে’র সঙ্গে তুলনা করেন, যার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে যে সমাজের মধ্যে ঢুকেছে তাকেই শেষ করে দেবে।
পাঁচ সদস্যের প্যানেলে একমাত্র ভিন্নমত পোষণ করেন বিচারপতি লুইজ ফাক্স। বুধবার টানা ১১ ঘণ্টার বক্তব্যে তিনি অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেন এবং বলসোনারোর খালাসের পক্ষে ভোট দেন।
তবে বৃহস্পতিবার প্যানেলের একমাত্র নারী বিচারপতি কারমেন লুসিয়া স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ব্রাজিলের গণতান্ত্রিক শৃঙ্খলা গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘স্বৈরতন্ত্র থেকে কোনো জাতিই সম্পূর্ণ সুরক্ষিত নয়।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যেসব প্রবাসী কর্মীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ১২ মাসের বেশি সময় পার হয়েছে এবং যেসব কর্মী সৌদি আরবে নতুন যোগদান বা অন্য প্রতিষ্ঠানে ট্রান্সফারের ছয় মাস পার হলেও এখনো ওয়ার্ক পারমিট পাননি, তাদের চলতি পঞ্জিকা বছরের মধ্যেই ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু বা নবায়ন সম্পন্ন করতে হবে।
১২ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনই এক নির্বাহী আদেশে অবৈধ অভিবাসী ও অস্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশিদের সন্তানদের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব না দেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপরই কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট অ্যাটর্নি জেনারেল ও নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলো আদালতে এ আদেশের বিরুদ্ধে মামলা করে।
১২ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের নির্বাহী ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও বাকি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আদালত তার অবস্থানের বিপক্ষে রায় দিয়েছেন। ফলে একই দিনে বড় একটি আইনি সাফল্যের পাশাপাশি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ধাক্কার মুখে পড়েছেন তিনি।
১৭ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মুসাদিক মালিক ও তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, একতরফাভাবে এই আন্তর্জাতিক চুক্তি স্থগিত বা বাতিলের সুযোগ নেই এবং কেউ পাকিস্তানের পানির ওপর হাত বাড়ালে তা ‘কেটে ফেলা হবে’।
১ দিন আগে