
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আংশিকভাবে আকাশপথ খুলে দিয়েছে ইরান। দেশটির অ্যাভিয়েশন অথোরিটি এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ইরানি এয়ারলাইনস জানিয়েছে, ইরানের পূর্বদিকের আকাশসীমা এবং রাজধানী তেহরানসহ মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর পুনরায় আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুনরায় সচল হওয়া বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রবেশপথ: ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (তেহরান) এবং মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (তেহরান)।
এ ছাড়া অন্য যে চারটি শহরের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো: মাশহাদ, বিরজান্দ, গোরগান ও জাহেদান।
অ্যাসোসিয়েশন অব ইরানি এয়ারলাইনসের সম্পাদক জানিয়েছেন, বিমানবন্দরগুলো খুলে দেওয়ার পরপরই এয়ারলাইনসগুলো তাদের নিয়মিত ফ্লাইট সূচি পুনরায় সাজাতে শুরু করেছে। অভ্যন্তরীণ রুটের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলোও দ্রুত চালুর প্রক্রিয়া চলছে। ইরানের জাতীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি নিশ্চিত করেছে, যাত্রীদের জন্য ইতিমধ্যেই টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।
আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানের অধিকাংশ আকাশপথ এবং বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট চলাচল স্থবির হয়ে পড়েছিল। এর ফলে হাজার হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েন এবং পর্যটন শিল্প বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। পূর্বদিকের আকাশসীমা উন্মুক্ত হওয়ার ফলে এখন থেকে ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোও কিছুটা নিরাপদ রুট ব্যবহারের সুযোগ পাবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপটি ইরানের বেসামরিক জনজীবন স্বাভাবিক করার একটি বড় প্রচেষ্টা। তবে আকাশপথ আংশিক উন্মুক্ত হলেও পশ্চিম দিকের রুটগুলো নিয়ে এখনো সতর্কতা বজায় রাখা হয়েছে। সামরিক উত্তেজনার মাঝেও বাণিজ্যিক বিমান চলাচল শুরু হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন ভ্রমণপিপাসু ও ব্যবসায়ীরা।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আংশিকভাবে আকাশপথ খুলে দিয়েছে ইরান। দেশটির অ্যাভিয়েশন অথোরিটি এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ইরানি এয়ারলাইনস জানিয়েছে, ইরানের পূর্বদিকের আকাশসীমা এবং রাজধানী তেহরানসহ মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর পুনরায় আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুনরায় সচল হওয়া বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রবেশপথ: ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (তেহরান) এবং মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (তেহরান)।
এ ছাড়া অন্য যে চারটি শহরের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো: মাশহাদ, বিরজান্দ, গোরগান ও জাহেদান।
অ্যাসোসিয়েশন অব ইরানি এয়ারলাইনসের সম্পাদক জানিয়েছেন, বিমানবন্দরগুলো খুলে দেওয়ার পরপরই এয়ারলাইনসগুলো তাদের নিয়মিত ফ্লাইট সূচি পুনরায় সাজাতে শুরু করেছে। অভ্যন্তরীণ রুটের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলোও দ্রুত চালুর প্রক্রিয়া চলছে। ইরানের জাতীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি নিশ্চিত করেছে, যাত্রীদের জন্য ইতিমধ্যেই টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।
আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানের অধিকাংশ আকাশপথ এবং বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট চলাচল স্থবির হয়ে পড়েছিল। এর ফলে হাজার হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েন এবং পর্যটন শিল্প বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। পূর্বদিকের আকাশসীমা উন্মুক্ত হওয়ার ফলে এখন থেকে ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোও কিছুটা নিরাপদ রুট ব্যবহারের সুযোগ পাবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপটি ইরানের বেসামরিক জনজীবন স্বাভাবিক করার একটি বড় প্রচেষ্টা। তবে আকাশপথ আংশিক উন্মুক্ত হলেও পশ্চিম দিকের রুটগুলো নিয়ে এখনো সতর্কতা বজায় রাখা হয়েছে। সামরিক উত্তেজনার মাঝেও বাণিজ্যিক বিমান চলাচল শুরু হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন ভ্রমণপিপাসু ও ব্যবসায়ীরা।

নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। গত মার্চের শুরুর দিকে দেশটির নীতি-নির্ধারণী পরিষদ 'অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস' তাঁকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।
১৫ ঘণ্টা আগে
চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১ দিন আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
১ দিন আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
১ দিন আগে