
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

এবারের হজ মৌসুম (১৪৪৭ হিজরি) সামনে রেখে পরিবহন ও লজিস্টিকস খাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে সৌদি আরব। বিমান, সড়ক, রেল ও নৌ— সব ধরনের পরিবহন ব্যবস্থাকে সমন্বিত করে হজযাত্রীর নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করা হবে। দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) গালফ নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
সৌদি আরবের পরিবহন ও লজিস্টিকস মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সকল পরিবহন ব্যবস্থাকে সমন্বিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনার আওতায় এই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যাতে হজযাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তার সঙ্গে তাদের পবিত্র সফর সম্পন্ন করতে পারেন।
বিমান পরিবহনে হজযাত্রীদের জন্য ৩১ লাখের বেশি আসন বরাদ্দ করা হয়েছে। এ জন্য নির্ধারিত ও চার্টার মিলিয়ে ১২ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট পরিচালিত হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমান সংস্থা ও বিমানবন্দরের সেবার মান নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রক দল মাঠে কাজ করছে।
হজ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য ছয়টি প্রধান বিমানবন্দর নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে ২২ হাজারের বেশি কর্মী দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন উদ্যোগ হিসেবে চালু হয়েছে ‘ব্যাগেজ-ফ্রি ট্রাভেলার’ সেবা, যার মাধ্যমে যাত্রীরা তাদের লাগেজ সরাসরি আবাসন থেকে পাঠাতে পারবেন। পাশাপাশি জমজম কূপের পানির প্রি-শিপমেন্ট ব্যবস্থাও সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
হজ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য ছয়টি প্রধান বিমানবন্দর নির্ধারণ করা হয়েছে; এসব বিমানবন্দরে ২২ হাজারের বেশি কর্মী দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন উদ্যোগ হিসেবে চালু হয়েছে ‘ব্যাগেজ-ফ্রি ট্রাভেলার’ সেবা, যার মাধ্যমে হজযাত্রীরা তাদের লাগেজ সরাসরি হোটেল বা আবাসস্থল থেকেই পাঠাতে পারবেন। একই সঙ্গে জমজম কূপের পানির আগাম প্রেরণ (প্রি-শিপমেন্ট) ব্যবস্থাও আরও সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
সৌদির বিমান সংস্থাগুলোও তাদের সক্ষমতা বাড়িয়েছে। সাউদিয়া এক মিলিয়নের বেশি আসন সরবরাহ করেছে এবং উন্নত ডিজিটাল সেবা চালু করেছে। অপরদিকে বেসরকারি বিমান সংস্থা ফ্লাইনাস জানিয়েছে, তারা ২০টি আন্তর্জাতিক গন্তব্য থেকে ১ লাখ ৪৭ হাজারের বেশি হজযাত্রী পরিবহনে প্রস্তুত।
রেল পরিবহন ব্যবস্থাও হজযাত্রীদের চলাচলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সৌদি রেলওয়ে ‘মাশায়ের ট্রেন’ দিয়ে ২ হাজারের বেশি ট্রিপ পরিচালনার পরিকল্পনা করেছে, যা মিনায়, মুজদালিফা ও আরাফাতের মধ্যে ২০ লাখের বেশি যাত্রী পরিবহন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া হারামাইন উচ্চগতির রেলপথে ৫ হাজার ৩০৮টি যাত্রা পরিচালিত হবে, যেখানে ২২ লাখের বেশি আসন থাকবে। এই রেলপথ মক্কা ও মদিনাকে কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার কাজ করা হয়েছে। ৫ কোটি ৬০ লাখ ঘনমিটার বালুর টিলা অপসারণ, ১ লাখ ৭৮ হাজার আলোকসজ্জা ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিরাপত্তা বাড়াতে ৪ হাজারের বেশি নির্দেশনা ও সতর্কতা চিহ্ন স্থাপন করা হয়েছে।
গণপরিবহন ব্যবস্থায় যুক্ত করা হয়েছে ৩৩ হাজারের বেশি বাস ও ৫ হাজার ট্যাক্সি। একই সঙ্গে নিরাপত্তা মান নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে তদারকি বাড়ানো হয়েছে। লজিস্টিকস ও ডাক সেবাও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বিমানবন্দর ও হাসপাতালসহ উচ্চ ঘনত্বপূর্ণ এলাকায় সেবা নিশ্চিত করতে ট্রাক, ডেলিভারি ভ্যান, মোটরবাইক ও বৈদ্যুতিক স্কুটার মোতায়েন করা হয়েছে।
সমুদ্রপথেও নেওয়া ব্যাপক হয়েছে প্রস্তুতি। জেদ্দা ইসলামিক বন্দরে হজযাত্রীদের পরিবহনে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের সেবা দিতে সেখানে বিশেষ টিম নিয়োজিত থাকবে। যেকোনো দুর্ঘটনা মোকাবিলায় সব খাতে জরুরি সেবা ও সাড়া প্রদানকারী দল ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত থাকবে বলে জানিয়েছে সৌদি জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা কেন্দ্র।

এবারের হজ মৌসুম (১৪৪৭ হিজরি) সামনে রেখে পরিবহন ও লজিস্টিকস খাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে সৌদি আরব। বিমান, সড়ক, রেল ও নৌ— সব ধরনের পরিবহন ব্যবস্থাকে সমন্বিত করে হজযাত্রীর নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করা হবে। দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) গালফ নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
সৌদি আরবের পরিবহন ও লজিস্টিকস মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সকল পরিবহন ব্যবস্থাকে সমন্বিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনার আওতায় এই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যাতে হজযাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তার সঙ্গে তাদের পবিত্র সফর সম্পন্ন করতে পারেন।
বিমান পরিবহনে হজযাত্রীদের জন্য ৩১ লাখের বেশি আসন বরাদ্দ করা হয়েছে। এ জন্য নির্ধারিত ও চার্টার মিলিয়ে ১২ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট পরিচালিত হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমান সংস্থা ও বিমানবন্দরের সেবার মান নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রক দল মাঠে কাজ করছে।
হজ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য ছয়টি প্রধান বিমানবন্দর নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে ২২ হাজারের বেশি কর্মী দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন উদ্যোগ হিসেবে চালু হয়েছে ‘ব্যাগেজ-ফ্রি ট্রাভেলার’ সেবা, যার মাধ্যমে যাত্রীরা তাদের লাগেজ সরাসরি আবাসন থেকে পাঠাতে পারবেন। পাশাপাশি জমজম কূপের পানির প্রি-শিপমেন্ট ব্যবস্থাও সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
হজ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য ছয়টি প্রধান বিমানবন্দর নির্ধারণ করা হয়েছে; এসব বিমানবন্দরে ২২ হাজারের বেশি কর্মী দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন উদ্যোগ হিসেবে চালু হয়েছে ‘ব্যাগেজ-ফ্রি ট্রাভেলার’ সেবা, যার মাধ্যমে হজযাত্রীরা তাদের লাগেজ সরাসরি হোটেল বা আবাসস্থল থেকেই পাঠাতে পারবেন। একই সঙ্গে জমজম কূপের পানির আগাম প্রেরণ (প্রি-শিপমেন্ট) ব্যবস্থাও আরও সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
সৌদির বিমান সংস্থাগুলোও তাদের সক্ষমতা বাড়িয়েছে। সাউদিয়া এক মিলিয়নের বেশি আসন সরবরাহ করেছে এবং উন্নত ডিজিটাল সেবা চালু করেছে। অপরদিকে বেসরকারি বিমান সংস্থা ফ্লাইনাস জানিয়েছে, তারা ২০টি আন্তর্জাতিক গন্তব্য থেকে ১ লাখ ৪৭ হাজারের বেশি হজযাত্রী পরিবহনে প্রস্তুত।
রেল পরিবহন ব্যবস্থাও হজযাত্রীদের চলাচলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সৌদি রেলওয়ে ‘মাশায়ের ট্রেন’ দিয়ে ২ হাজারের বেশি ট্রিপ পরিচালনার পরিকল্পনা করেছে, যা মিনায়, মুজদালিফা ও আরাফাতের মধ্যে ২০ লাখের বেশি যাত্রী পরিবহন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া হারামাইন উচ্চগতির রেলপথে ৫ হাজার ৩০৮টি যাত্রা পরিচালিত হবে, যেখানে ২২ লাখের বেশি আসন থাকবে। এই রেলপথ মক্কা ও মদিনাকে কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার কাজ করা হয়েছে। ৫ কোটি ৬০ লাখ ঘনমিটার বালুর টিলা অপসারণ, ১ লাখ ৭৮ হাজার আলোকসজ্জা ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিরাপত্তা বাড়াতে ৪ হাজারের বেশি নির্দেশনা ও সতর্কতা চিহ্ন স্থাপন করা হয়েছে।
গণপরিবহন ব্যবস্থায় যুক্ত করা হয়েছে ৩৩ হাজারের বেশি বাস ও ৫ হাজার ট্যাক্সি। একই সঙ্গে নিরাপত্তা মান নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে তদারকি বাড়ানো হয়েছে। লজিস্টিকস ও ডাক সেবাও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বিমানবন্দর ও হাসপাতালসহ উচ্চ ঘনত্বপূর্ণ এলাকায় সেবা নিশ্চিত করতে ট্রাক, ডেলিভারি ভ্যান, মোটরবাইক ও বৈদ্যুতিক স্কুটার মোতায়েন করা হয়েছে।
সমুদ্রপথেও নেওয়া ব্যাপক হয়েছে প্রস্তুতি। জেদ্দা ইসলামিক বন্দরে হজযাত্রীদের পরিবহনে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের সেবা দিতে সেখানে বিশেষ টিম নিয়োজিত থাকবে। যেকোনো দুর্ঘটনা মোকাবিলায় সব খাতে জরুরি সেবা ও সাড়া প্রদানকারী দল ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত থাকবে বলে জানিয়েছে সৌদি জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা কেন্দ্র।

পাকিস্তানের জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে রাজধানীসহ পেশওয়ার, সোয়াত, চিত্রাল ও মালাকান্দসহ অন্তত ডজনখানেক শহরে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। গভীর উৎপত্তিস্থল হওয়ায় ভূমিকম্পটি বিস্তৃত এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
৮ ঘণ্টা আগে
সংসদে নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ প্রদানকারী আইনের সংশোধন এবং নির্বাচনি আসনের সীমানা নির্ধারণ সম্পর্কিত বিলগুলো নিয়ে শাসক ও বিরোধী সংসদ সদস্যদের মধ্যে বিতর্কের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লোকসভায় বিরোধীদের জবাব দেন এবং তারপর ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনি জনসভা থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে আর যাই হোক, গরুর মাংস খাওয়া চলবে না। অনেকেই মনে করছেন, মেরূকরণের রাজনীতিকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতেই গরুর মাংসকে হাতিয়ার করছে গেরুয়া শিবির।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট আউন জানান, তারা এখন এমন এক ধাপে প্রবেশ করেছে যেখানে যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একটি স্থায়ী চুক্তিতে উপনীত হতে হবে। যা দেশের জনগণের অধিকার, ভূমির অখণ্ডতা এবং জাতির সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে।
১১ ঘণ্টা আগে