
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য খুলে দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইরান। ইরানি প্রতিরক্ষা বাহিনীর যৌথ সামরিক কমান্ড আজ শনিবার এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে এ তথ্য।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানি বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখার প্রতিক্রিয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আইআরজিসির যৌথ সামরিক কমান্ডের দাবি, আমেরিকা ‘অবরোধের’ দোহাই দিয়ে সমুদ্রপথে জলদস্যুতা ও মালপত্র চুরির মতো কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
ইরানি গণমাধ্যম আইআরআইবির বরাত দিয়ে আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, যতক্ষণ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইরান থেকে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোর পূর্ণ স্বাধীনতা ফিরিয়ে না দিচ্ছে, ততক্ষণ হরমুজ প্রণালিতে এই কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে।
এর ফলে এই প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজগুলোর ওপর ইরানের সামরিক নজরদারি আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে উত্তেজনার মধ্যেই ইরান তার পূর্ব দিকের আকাশসীমা আংশিক উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির সিভিল এভিয়েশন অথরিটি মুখপাত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু রুটে এখন থেকে যাত্রীবাহী বিমান চলাচল করতে পারবে। ইতিমধ্যে এয়ারলাইনসগুলোর টিকিট বিক্রিও শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে, যা গত কয়েক সপ্তাহের অচলাবস্থার পর সাধারণ যাত্রীদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর।
অপর দিকে ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা দেশটিতে সক্রিয় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু ‘গুপ্তচর সেল’ বা নেটওয়ার্ক উন্মুক্ত ও ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।
আইআরজিসির গোয়েন্দা শাখার তথ্য অনুযায়ী: এই নেটওয়ার্কগুলো পূর্ব আজারবাইজান, কেরমান এবং মাজান্দারান প্রদেশে সক্রিয় ছিল। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল গোয়েন্দাগিরি করা, নেটওয়ার্ক তৈরি এবং ইরানে অস্থিরতা উসকে দেওয়া।
ইরানের ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, এই চক্রগুলো দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল।

বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য খুলে দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইরান। ইরানি প্রতিরক্ষা বাহিনীর যৌথ সামরিক কমান্ড আজ শনিবার এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে এ তথ্য।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানি বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখার প্রতিক্রিয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আইআরজিসির যৌথ সামরিক কমান্ডের দাবি, আমেরিকা ‘অবরোধের’ দোহাই দিয়ে সমুদ্রপথে জলদস্যুতা ও মালপত্র চুরির মতো কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
ইরানি গণমাধ্যম আইআরআইবির বরাত দিয়ে আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, যতক্ষণ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইরান থেকে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোর পূর্ণ স্বাধীনতা ফিরিয়ে না দিচ্ছে, ততক্ষণ হরমুজ প্রণালিতে এই কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে।
এর ফলে এই প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজগুলোর ওপর ইরানের সামরিক নজরদারি আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে উত্তেজনার মধ্যেই ইরান তার পূর্ব দিকের আকাশসীমা আংশিক উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির সিভিল এভিয়েশন অথরিটি মুখপাত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু রুটে এখন থেকে যাত্রীবাহী বিমান চলাচল করতে পারবে। ইতিমধ্যে এয়ারলাইনসগুলোর টিকিট বিক্রিও শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে, যা গত কয়েক সপ্তাহের অচলাবস্থার পর সাধারণ যাত্রীদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর।
অপর দিকে ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা দেশটিতে সক্রিয় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু ‘গুপ্তচর সেল’ বা নেটওয়ার্ক উন্মুক্ত ও ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।
আইআরজিসির গোয়েন্দা শাখার তথ্য অনুযায়ী: এই নেটওয়ার্কগুলো পূর্ব আজারবাইজান, কেরমান এবং মাজান্দারান প্রদেশে সক্রিয় ছিল। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল গোয়েন্দাগিরি করা, নেটওয়ার্ক তৈরি এবং ইরানে অস্থিরতা উসকে দেওয়া।
ইরানের ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, এই চক্রগুলো দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল।

পাকিস্তানের জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে রাজধানীসহ পেশওয়ার, সোয়াত, চিত্রাল ও মালাকান্দসহ অন্তত ডজনখানেক শহরে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। গভীর উৎপত্তিস্থল হওয়ায় ভূমিকম্পটি বিস্তৃত এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
৭ ঘণ্টা আগে
সংসদে নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ প্রদানকারী আইনের সংশোধন এবং নির্বাচনি আসনের সীমানা নির্ধারণ সম্পর্কিত বিলগুলো নিয়ে শাসক ও বিরোধী সংসদ সদস্যদের মধ্যে বিতর্কের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লোকসভায় বিরোধীদের জবাব দেন এবং তারপর ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনি জনসভা থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে আর যাই হোক, গরুর মাংস খাওয়া চলবে না। অনেকেই মনে করছেন, মেরূকরণের রাজনীতিকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতেই গরুর মাংসকে হাতিয়ার করছে গেরুয়া শিবির।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট আউন জানান, তারা এখন এমন এক ধাপে প্রবেশ করেছে যেখানে যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একটি স্থায়ী চুক্তিতে উপনীত হতে হবে। যা দেশের জনগণের অধিকার, ভূমির অখণ্ডতা এবং জাতির সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে।
১০ ঘণ্টা আগে