
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের ওপর ইতিহাসের বৃহত্তম বোমাবর্ষণ পরিচালনার পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই চাঞ্চল্যকর ঘোষণা দেন।
তিনি জানিয়েছেন, মার্কিন এই হামলার মূল লক্ষ্য হবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং উৎপাদন কারখানাগুলো, যা তেহরানের সামরিক সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে অকার্যকর করে দেবে।
তিনি বলেন, “আজ রাতে ইরানের ওপর ‘আমাদের বৃহত্তম বোমাবর্ষণ কর্মসূচি’ পরিচালিত হবে।”
হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্র এই কঠোর পদক্ষেপের কথা জানালো। বিশেষ করে আজ রাতেই এই ব্যাপক হামলা শুরু হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন স্কট বেসেন্ট।
এই ঘোষণার পর মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা বিশ্বে এক ভয়াবহ যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ইরানের ওপর ইতিহাসের বৃহত্তম বোমাবর্ষণ পরিচালনার পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই চাঞ্চল্যকর ঘোষণা দেন।
তিনি জানিয়েছেন, মার্কিন এই হামলার মূল লক্ষ্য হবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং উৎপাদন কারখানাগুলো, যা তেহরানের সামরিক সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে অকার্যকর করে দেবে।
তিনি বলেন, “আজ রাতে ইরানের ওপর ‘আমাদের বৃহত্তম বোমাবর্ষণ কর্মসূচি’ পরিচালিত হবে।”
হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্র এই কঠোর পদক্ষেপের কথা জানালো। বিশেষ করে আজ রাতেই এই ব্যাপক হামলা শুরু হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন স্কট বেসেন্ট।
এই ঘোষণার পর মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা বিশ্বে এক ভয়াবহ যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পারস্য উপসাগর ও আরব সাগরকে সংযুক্ত করা এই প্রণালিটি ‘বৈশ্বিক জ্বালানির প্রবেশদ্বার’ হিসেবে পরিচিত, যেখান দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও তরল গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ সরবরাহ হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ১০টি তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনার পর ইরানের এই নতুন নিষেধাজ্ঞা বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও তেলের দামে
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া দেশটির সাথে কোনো চুক্তি হবে না। একই সাথে তিনি বলেছেন, তার প্রশাসনের কাছে গ্রহণযোগ্য কাউকে ইরানের নতুন নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত।
৩ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার সহায়তার বিষয়টি সরাসরি উল্লেখ না করলেও হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, ইরানি শাসকগোষ্ঠী বর্তমানে চরম বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে। তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ক্ষমতা প্রতিদিন কমছে, নৌবাহিনী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এবং উৎপাদন ক্ষমতা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘কিছু দেশ মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা শুরু করেছে। পরিষ্কার বলি, আমরা অঞ্চলে স্থায়ী শান্তির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ, তবে আমাদের জাতির মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো দ্বিধা নেই’।
১৮ ঘণ্টা আগে