
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুতে এক জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকতে আত্মঘাতী বোমা এবং এবং বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৩২ জন নিহত এবং ৬৩ জন হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
স্থানীয় সময় শুক্রবার গভীর রাতে রাজধানী মোগাদিশুতে লিডো সমুদ্র সৈকতে একসাথে বোমা হামলা এবং বন্দুক হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। শনিবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানায় আল জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আল-কায়েদা-সংশ্লিষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠী আল-শাবাব এ ঘটনার দায় স্বীকার করেছে।
আল জাজিরা জানায়, বিচ ভিউ হোটেলের প্রবেশপথে একজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী নিজেকে বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে হামলা শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, ‘অন্যান্য হামলাকারীরা হোটেলে বন্দুক হামলা চালানোর চেষ্টা করে এবং সমুদ্র সৈকতে লোকজনের ওপর গুলি চালায়। সে সময় সমুদ্র সৈকতে অনেক পর্যটক হাঁটছিলেন বা বসে ছিলেন।
পুলিশের মুখপাত্র আবদিফাতাহ আদান হাসান সাংবাদিকদের বলেছেন এই হামলায় ৩২ জনেরও বেশি বেসামরিক মানুষ মারা গেছে এবং প্রায় ৬৩ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলেই সব হামলাকারীকে হত্যা করেছে এবং বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি চালাচ্ছিল এমন একজনকে আটক করেছে।‘ তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় একজন সৈন্য নিহত এবং আরেকজন আহত হয়েছে।‘
একজন প্রত্যক্ষদর্শী দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস নিউজ এজেন্সিকে বলেন, ‘আমি অনেক লোককে [মাটিতে] ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখেছি এবং তাদের মধ্যে কয়েকজন মারা গেছে এবং অন্যরা আহত হয়েছিল।‘
দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসান আলী খায়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, ‘লিডো সৈকতে লোকজনের সাঁতার কাটার সময় বিস্ফোরণ ঘটেছে। সন্ত্রাসী এই হামলা রাতে ঘটেছে, যখন সৈকতটি সবচেয়ে বেশি জনাকীর্ণ ছিল।‘
লিডো সমুদ্র সৈকত, মোগাদিশুর একটি জনপ্রিয় এলাকা। সোমালিরা তাদের সপ্তাহান্ত উপভোগ করার দরুন এলাকাটি শুক্রবার রাতে ব্যস্ত থাকে। তবে এলাকাটি অতীতেও আল-শাবাব যোদ্ধাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল।

সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুতে এক জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকতে আত্মঘাতী বোমা এবং এবং বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৩২ জন নিহত এবং ৬৩ জন হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
স্থানীয় সময় শুক্রবার গভীর রাতে রাজধানী মোগাদিশুতে লিডো সমুদ্র সৈকতে একসাথে বোমা হামলা এবং বন্দুক হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। শনিবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানায় আল জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আল-কায়েদা-সংশ্লিষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠী আল-শাবাব এ ঘটনার দায় স্বীকার করেছে।
আল জাজিরা জানায়, বিচ ভিউ হোটেলের প্রবেশপথে একজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী নিজেকে বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে হামলা শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, ‘অন্যান্য হামলাকারীরা হোটেলে বন্দুক হামলা চালানোর চেষ্টা করে এবং সমুদ্র সৈকতে লোকজনের ওপর গুলি চালায়। সে সময় সমুদ্র সৈকতে অনেক পর্যটক হাঁটছিলেন বা বসে ছিলেন।
পুলিশের মুখপাত্র আবদিফাতাহ আদান হাসান সাংবাদিকদের বলেছেন এই হামলায় ৩২ জনেরও বেশি বেসামরিক মানুষ মারা গেছে এবং প্রায় ৬৩ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলেই সব হামলাকারীকে হত্যা করেছে এবং বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি চালাচ্ছিল এমন একজনকে আটক করেছে।‘ তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় একজন সৈন্য নিহত এবং আরেকজন আহত হয়েছে।‘
একজন প্রত্যক্ষদর্শী দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস নিউজ এজেন্সিকে বলেন, ‘আমি অনেক লোককে [মাটিতে] ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখেছি এবং তাদের মধ্যে কয়েকজন মারা গেছে এবং অন্যরা আহত হয়েছিল।‘
দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসান আলী খায়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, ‘লিডো সৈকতে লোকজনের সাঁতার কাটার সময় বিস্ফোরণ ঘটেছে। সন্ত্রাসী এই হামলা রাতে ঘটেছে, যখন সৈকতটি সবচেয়ে বেশি জনাকীর্ণ ছিল।‘
লিডো সমুদ্র সৈকত, মোগাদিশুর একটি জনপ্রিয় এলাকা। সোমালিরা তাদের সপ্তাহান্ত উপভোগ করার দরুন এলাকাটি শুক্রবার রাতে ব্যস্ত থাকে। তবে এলাকাটি অতীতেও আল-শাবাব যোদ্ধাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল।

ট্রাম্প পোস্টে লিখেছেন, ‘তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ বা বের হতে চাওয়া সব জাহাজ অবরোধের প্রক্রিয়া শুরু করবে।’ একই সঙ্গে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দেন— ইরান যদি মার্কিন বাহিনী বা বেসামরিক জাহাজে হামলা চালায়, তাহলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে
তাদের মধ্যে ২৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে তেহরান, হরমুজগান ও ইসফাহান প্রদেশে।
১৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) সারা দেশের তদন্তকারী কর্মকর্তাদের নতুন এক ‘বার্থ ট্যুরিজম ইনিশিয়েটিভ’ বা জন্ম পর্যটনবিরোধী পদক্ষেপে মনোনিবেশ করার নির্দেশ দিয়েছে। এই অভিযানের উদ্দেশ্য হলো, সেই সব চক্রকে নির্মূল করা, যারা বিদেশি গর্ভবতী নারীদের যুক্তরাষ্ট্রে আসতে সহায়তা
২০ ঘণ্টা আগে
পারমাণবিক ইস্যুটিও সমাধানযোগ্য; যুক্তরাষ্ট্রের ইরান আক্রমণের আগে ওমানের মধ্যস্থতায় আলোচনা সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছিল। যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানকে সম্মানের সঙ্গে বিবেচনা করে এবং নির্দিষ্ট কিছু সীমারেখা অতিক্রম না করে, তবে ইরানের উচিত হবে একই ধরনের সাড়া দেওয়া এবং সম্পর্কের উন্নতির চেষ্টা করা।
১ দিন আগে