
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের নির্দেশ দিয়েছেন। কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনা শেষ হয়ে যাওয়ার পর এমন নির্দেশ এলো মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, রোববার (১২ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প এ নাটকীয় সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ট্রাম্প পোস্টে লিখেছেন, ‘তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ বা বের হতে চাওয়া সব জাহাজ অবরোধের প্রক্রিয়া শুরু করবে।’ একই সঙ্গে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দেন— ইরান যদি মার্কিন বাহিনী বা বেসামরিক জাহাজে হামলা চালায়, তাহলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
ধারাবাহিক কয়েকটি পোস্টের একটি সিরিজে ট্রাম্প স্বীকার করে নেন, পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত দীর্ঘ আলোচনায় ‘অধিকাংশ বিষয়ে’ই সমঝোতা হয়েছিল। আলোচনা ‘ভালোই’ এগোচ্ছিল। তবে মূল বাধা হয়ে দাঁড়ায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। তেহরান এ ইস্যুতে কোনো ছাড় দিতে রাজি হয়নি বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প।
এর আগে রোববার সকালে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই পাকিস্তান ত্যাগ করেন। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে জানিয়ে ইরানের ওপর সমঝোতা না হওয়ার দায় চাপিয়েছেন তিনি।
পাকিস্তান ত্যাগ করার আগে সংবাদ সম্মেলন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘চূড়ান্ত ও সেরা প্রস্তাব’ দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, ইরান এ প্রস্তাব গ্রহণ করে কি না।
‘ইসলামাবাদ টকস’ নামের এ আলোচনায় ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির জাতীয় সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তার সঙ্গে আরও ছিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইরানে সংঘটিত ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই দুই দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠকগুলোর একটি।
ট্রাম্প অভিযোগ করেন, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার প্রতিশ্রুতি দিলেও ইরান তা বাস্তবায়ন করেনি। তার দাবি, ইরান সমুদ্রে মাইন পেতে থাকতে পারে, যা বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।
হরমুজ প্রণালি এবারের ইরান যুদ্ধের শুরু থেকেই বিশ্বব্যাপী আলোচিত। গুরুত্বপূর্ণ এ সমুদ্রপথে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ অপরিশোধিত তেল পরিবাহিত হয়। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান কার্যত এ নৌ পথটি বন্ধ রেখেছে। এতে বিশ্ব জুড়ে দেখা দিয়েছে জ্বালানি সংকট।
এরই মধ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, মাইন অপসারণ অভিযানের অংশ হিসেবে দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এরই মধ্যে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এ পরিস্থিতিতে অঞ্চল জুড়ে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহ ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের ওপর এর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের নির্দেশ দিয়েছেন। কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনা শেষ হয়ে যাওয়ার পর এমন নির্দেশ এলো মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, রোববার (১২ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প এ নাটকীয় সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ট্রাম্প পোস্টে লিখেছেন, ‘তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ বা বের হতে চাওয়া সব জাহাজ অবরোধের প্রক্রিয়া শুরু করবে।’ একই সঙ্গে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দেন— ইরান যদি মার্কিন বাহিনী বা বেসামরিক জাহাজে হামলা চালায়, তাহলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
ধারাবাহিক কয়েকটি পোস্টের একটি সিরিজে ট্রাম্প স্বীকার করে নেন, পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত দীর্ঘ আলোচনায় ‘অধিকাংশ বিষয়ে’ই সমঝোতা হয়েছিল। আলোচনা ‘ভালোই’ এগোচ্ছিল। তবে মূল বাধা হয়ে দাঁড়ায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। তেহরান এ ইস্যুতে কোনো ছাড় দিতে রাজি হয়নি বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প।
এর আগে রোববার সকালে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই পাকিস্তান ত্যাগ করেন। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে জানিয়ে ইরানের ওপর সমঝোতা না হওয়ার দায় চাপিয়েছেন তিনি।
পাকিস্তান ত্যাগ করার আগে সংবাদ সম্মেলন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘চূড়ান্ত ও সেরা প্রস্তাব’ দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, ইরান এ প্রস্তাব গ্রহণ করে কি না।
‘ইসলামাবাদ টকস’ নামের এ আলোচনায় ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির জাতীয় সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তার সঙ্গে আরও ছিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইরানে সংঘটিত ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই দুই দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠকগুলোর একটি।
ট্রাম্প অভিযোগ করেন, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার প্রতিশ্রুতি দিলেও ইরান তা বাস্তবায়ন করেনি। তার দাবি, ইরান সমুদ্রে মাইন পেতে থাকতে পারে, যা বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।
হরমুজ প্রণালি এবারের ইরান যুদ্ধের শুরু থেকেই বিশ্বব্যাপী আলোচিত। গুরুত্বপূর্ণ এ সমুদ্রপথে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ অপরিশোধিত তেল পরিবাহিত হয়। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান কার্যত এ নৌ পথটি বন্ধ রেখেছে। এতে বিশ্ব জুড়ে দেখা দিয়েছে জ্বালানি সংকট।
এরই মধ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, মাইন অপসারণ অভিযানের অংশ হিসেবে দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এরই মধ্যে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এ পরিস্থিতিতে অঞ্চল জুড়ে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহ ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের ওপর এর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। গত মার্চের শুরুর দিকে দেশটির নীতি-নির্ধারণী পরিষদ 'অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস' তাঁকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।
১৯ ঘণ্টা আগে
চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১ দিন আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
১ দিন আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
১ দিন আগে