ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফের শুনানি শুরু

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
ফাইল ছবি

জাতিসংঘের অন্যতম অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে (আইসিজে) ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব বিষয়ক একটি অভিযোগের শুনানি শুরু হয়েছে ।সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে আগামী এক সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে এই শুনানি।

২০২২ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ গাজা, পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলের অবৈধ দখলদারিত্ব বিষয়ক অভিযোগ তদন্তের অনুরোধ জানিয়েছে আইসিজেকে। সেই তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই সপ্তাহব্যাপী শুনানি শুরু হয়েছে।

১৯৬৭ সালে মধ্যপ্রাচ্যের আল আকসা অঞ্চলে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছিল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। কিন্তু মৌখিকভাবে তাতে স্বীকৃতি দিলেও বাস্তবে ইসরায়েল নিয়মিত সেই সীমানা লঙ্ঘণ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

তদন্তে আইসিজে দেখতে পেয়েছে, ১৯৬৭ সাল থেকেই বিভিন্নভাবে পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেমের সীমানাভূক্ত এলাকা দখল করছে ইসরায়েল, আবাসন নির্মাণের মাধ্যমে সেখানে ইহুদি বসতকারীদেরও নিয়ে আসা হচ্ছে, সেই সঙ্গে নানা বৈষম্যমূলক নীতি গ্রহণের মাধ্যমে এই দুই অঞ্চলের ফিলিস্তিনিদের চাপে রাখার কৌশলও বজায় রেখেছে ইসরায়েল।

আর গাজা উপত্যকায় ২০০৫ সাল থেকে দখলদারিত্ব কার্যক্রম স্থগিত রাখলেও এই উপত্যকার সীমান্তপথগুলো সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে ইসরায়েল।

আইসিজের একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ‘ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে দখল, বসতি স্থাপন এবং নিজেদের সীমানা বর্ধিতকরণের মাধ্যমে ১৯৬৮ সালের নির্ধারিত সীমানার বিকৃতি সাধনের অভিযোগ উঠেছিল এবং তদন্তে তার সত্যতা পাওয়া গেছে। এর ভিত্তিতেই এই শুনানির আহ্বান করা হয়েছে। শুনানিতে ফিলিস্তিন এবং ইসরায়েল— উভয়পক্ষকে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।’

আইসিজের ১৫ জন বিচারপতি প্যানেলের সব সদসের উপস্থিতিতে শুরু হয়েছে সোমবারের শুনানি। ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল মালিকিও এজলাসে হাজির হয়েছেন। তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কারো উপস্থিতি দেখা যায়নি। ইহুদি রাষ্ট্রটি জানিয়েছে, আত্মপক্স সমর্থন করে দেওয়া বক্তব্য লিখিত আকারে পাঠানো হয়েছে এবং শুনানিতে ইসরায়েল পক্ষের আইনজীবী তা পড়ে শোনাবেন।

এছাড়া শুনানিতে চীন, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিসর এবং ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। সূত্র : রয়টার্স

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় অনিশ্চয়তা, বিরোধের মূলে কী?

কিন্তু ইসলামাবাদে যদি দুপক্ষকে শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসানোও যায়ে, তাতেও কি ফল মিলবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃতপক্ষে দুই দেশের মধ্যে এখনো বেশকিছু ইস্যু নিয়েই রয়ে গেছে তীব্র মতবিরোধ, যা সমাধানে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করতে পারে। এমন বিষয়গুলোই নিচে তুলে ধরা হলো।

৬ ঘণ্টা আগে

বল এখন ইরানের কোর্টে— বলছে যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তান

ইরান বলছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনী যে অবরোধ দিয়ে রেখেছে, সে অবরোধ না তোলা পর্যন্ত তারা আলোচনায় যেতে রাজি না। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সামনে এখন চুক্তিতে যাওয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই।

১৮ ঘণ্টা আগে

চুক্তি না হলে ‘যুদ্ধ’, হামলার জন্য ‘প্রস্তুত’ মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদসহ সব ধরনের সরঞ্জাম রয়েছে... আমরা এই সময়টাকে রসদ মজুতের কাজে ব্যবহার করেছি। সম্ভবত তারাও (ইরান) কিছুটা প্রস্তুতি নিয়েছে।’

২১ ঘণ্টা আগে

মার্কিন ‘হুমকি’ উপেক্ষা করে বন্দরে ইরানের তেলবাহী ট্যাঙ্কার

মার্কিন নৌবাহিনীর একাধিক ‘হুমকি’ ও অবরোধ উপেক্ষা করে ইরানি তেলবাহী জাহাজ নিরাপদে দেশের জলসীমায় প্রবেশ করেছে। ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সির মাধ্যমে প্রচারিত সেনাবাহিনীর জনসংযোগ দপ্তরের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

১ দিন আগে