
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফিলিস্তিনের ছিটমহল গাজাজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ৩৭ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ভূখণ্ডটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
আল জাজিরা জানিয়েছে, এদের অধিকাংশই শনিবার ভোরে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের আশপাশে নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন নারী ও চার শিশু রয়েছে। বাড়িতে গোলা হামলায় তাদের মৃত্যু হয়।
আল জাজিরার ‘সনদ’ ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থার যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, খান ইউনিসের বাইরে নাসের হাসপাতালে বহু মৃতদেহ লাইন দিয়ে রাখা হয়েছে। শনিবার সকালের হামলায় নিহতদের অধিকাংশকে এখানে এনে রাখা হয়েছে।
নিহতদের প্লাস্টিকের শীট দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে আর তা তুলে তাদের শেষ দেখা দেখে নিচ্ছেন স্বজনরা, ভিডিওতে এমনটি দেখা গেছে।
শনিবারের প্রথম কয়েক ঘণ্টায় প্রধানত গাজার পূর্বাঞ্চলীয় দেইর এল-বালাহ শহর ও খান ইউনিসের উত্তরপশ্চিমাংশে ইসরায়েলি বাহিনী ব্যাপক হামলা চালায়। মৃতদের অধিকাংশই এই দুই শহর বা তার আশপাশে নিহত হয়েছেন। দেইর এল-বালাহের পাঁচ কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে আল-নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরেও হামলা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরাও রয়েছেন। সম্প্রতি ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। বাস্তুচ্যুত এসব লোকজন ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর ঘোষিত মানবিক এলাকাগুলোতে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছেন, এসব এলাকা নিরাপদ হওয়ার কথা থাকলেও সেখানেই ইসরায়েলি হামলায় নিহত হচ্ছেন তারা।
গাজাজুড়ে এসব হামলায় আরও বহু ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। এদিন ভোর থেকে কয়েক ঘণ্টা ধরে গাজার দেইর এল-বালাহ, আল-নুসেইরাত শরণার্থী শিবির ও খান ইউনিসে ব্যাপক গোলাবর্ষণ করে ইসরায়েলি বাহিনী।
হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-কাসাম ব্রিগেড টেলিগ্রামে বলেছে, তারা দেইর এল-বালাহ শহরের পূর্বাংশে ইসরায়েলি সেনাদের বহনকারী একটি গাড়িতে ইয়াসিন-১০৫ রকেট যোগে হামলা চালিয়েছে।
এই শহরটিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বড় ধরনের অভিযান চালাচ্ছে। শনিবার সকালে এখানে ব্যাপক গোলাবর্ষণের পাশাপাশি বিমান হামলাও চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

ফিলিস্তিনের ছিটমহল গাজাজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ৩৭ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ভূখণ্ডটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
আল জাজিরা জানিয়েছে, এদের অধিকাংশই শনিবার ভোরে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের আশপাশে নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন নারী ও চার শিশু রয়েছে। বাড়িতে গোলা হামলায় তাদের মৃত্যু হয়।
আল জাজিরার ‘সনদ’ ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থার যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, খান ইউনিসের বাইরে নাসের হাসপাতালে বহু মৃতদেহ লাইন দিয়ে রাখা হয়েছে। শনিবার সকালের হামলায় নিহতদের অধিকাংশকে এখানে এনে রাখা হয়েছে।
নিহতদের প্লাস্টিকের শীট দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে আর তা তুলে তাদের শেষ দেখা দেখে নিচ্ছেন স্বজনরা, ভিডিওতে এমনটি দেখা গেছে।
শনিবারের প্রথম কয়েক ঘণ্টায় প্রধানত গাজার পূর্বাঞ্চলীয় দেইর এল-বালাহ শহর ও খান ইউনিসের উত্তরপশ্চিমাংশে ইসরায়েলি বাহিনী ব্যাপক হামলা চালায়। মৃতদের অধিকাংশই এই দুই শহর বা তার আশপাশে নিহত হয়েছেন। দেইর এল-বালাহের পাঁচ কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে আল-নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরেও হামলা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরাও রয়েছেন। সম্প্রতি ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। বাস্তুচ্যুত এসব লোকজন ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর ঘোষিত মানবিক এলাকাগুলোতে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছেন, এসব এলাকা নিরাপদ হওয়ার কথা থাকলেও সেখানেই ইসরায়েলি হামলায় নিহত হচ্ছেন তারা।
গাজাজুড়ে এসব হামলায় আরও বহু ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। এদিন ভোর থেকে কয়েক ঘণ্টা ধরে গাজার দেইর এল-বালাহ, আল-নুসেইরাত শরণার্থী শিবির ও খান ইউনিসে ব্যাপক গোলাবর্ষণ করে ইসরায়েলি বাহিনী।
হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-কাসাম ব্রিগেড টেলিগ্রামে বলেছে, তারা দেইর এল-বালাহ শহরের পূর্বাংশে ইসরায়েলি সেনাদের বহনকারী একটি গাড়িতে ইয়াসিন-১০৫ রকেট যোগে হামলা চালিয়েছে।
এই শহরটিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বড় ধরনের অভিযান চালাচ্ছে। শনিবার সকালে এখানে ব্যাপক গোলাবর্ষণের পাশাপাশি বিমান হামলাও চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

পারমাণবিক ইস্যুটিও সমাধানযোগ্য; যুক্তরাষ্ট্রের ইরান আক্রমণের আগে ওমানের মধ্যস্থতায় আলোচনা সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছিল। যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানকে সম্মানের সঙ্গে বিবেচনা করে এবং নির্দিষ্ট কিছু সীমারেখা অতিক্রম না করে, তবে ইরানের উচিত হবে একই ধরনের সাড়া দেওয়া এবং সম্পর্কের উন্নতির চেষ্টা করা।
১৪ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার কূটনৈতিক আলোচনায় ইরানের প্রতিনিধি দল দেশের জনগণের অধিকার রক্ষার প্রশ্নে অনড় অবস্থান নেয়। স্পিকার বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা রাজনৈতিক ও সামরিক বিভিন্ন ক্ষেত্র এবং শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তির বিষয়
১৫ ঘণ্টা আগে
ইরানিয়ানরা এ দ্বন্দ্বের শুরু থেকেই বলে আসছে যে, গত কয়েক বছর যাবৎ হওয়া উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের দ্বারা একটি আদেশ জারি ছিল যে, ইরান তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে কাজ করবে না। তারা জেনেভা এবং ওমানে এর সঙ্গে সম্মত হওয়ার অনেক কাছেই ছিল। তবে এরপরই তাদের ওপর হামলা করা হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, মার্কিন প্রস্তাব ইরান প্রত্যাখ্যান করায় কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। উভয় পক্ষই নিজেদের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে আলোচনার ইতি টেনেছে। এই ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য সংকটে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হলো।
১৬ ঘণ্টা আগে