ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা

হরমুজ প্রণালি ও পারমাণবিক কর্মসূচি— ২ ইস্যুতে আটকে গেছে সমঝোতা

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
সমঝোতা আসেনি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায়, সে হিসাবে সমাধান আনতে ব্যর্থ শনিবারের ‘ইসলামাবাদ টকস’। রোববার সকালে পাকিস্তানের রাজধানীর সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল ঐতিহাসিক এ আলোচনা সামনে রেখে লাগানো বিভিন্ন ব্যানার-বিলবোর্ড। ছবি: সংগৃহীত

সারা বিশ্ব তাকিয়ে ছিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদের দিকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কাজ হয়নি। ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠকও কোনো ফল আনতে পারেনি। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে যার যার মতো আগের অবস্থানেই। কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে ‘ইসলামাবাদ টকস’ নামে হাইপ্রোফাইল এ আলোচনা।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ২১ ঘণ্টার আলোচনায় সম্ভাব্য সবকিছুই উঠেছে এসেছে টেবিলে। তবে দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতায় বাধা হয়েছে দাঁড়িয়েছে মূলত দুটি ইস্যু— হরমুজ প্রণালি ও পারমাণবিক কর্মসূচি।

এসব ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র একদিকে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি অনুসরণ করেছে। অন্যদিকে ইরানও নিজেদের অবস্থানে ছিল অনড়। ফলে শেষ পর্যন্ত আর দুপক্ষ কোনো চুক্তিতে আসতে পারেনি।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ প্রথমে ইরান ও পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে পৃথক পৃথক বৈঠক করেন। এরপর দুপক্ষের মধ্যে শুরু হয় পরোক্ষ আলোচনা। সবশেষে মুখোমুখি বৈঠকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা আলোচনা চালিয়ে যান।

পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডনের খবরে বলা হয়, শনিবার দিনভর দফায় দফায় নানা পর্যায়ে বৈঠকের মাধ্যমে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রথম পর্বের আলোচনা শেষ হয় মধ্যরাত নাগাদ। এ সময় দুই দেশের বিশেষজ্ঞ দল নিজেদের মধ্যে লিখিত শর্ত বিনিময় করে।

তখন পর্যন্ত আলোচনায় আশাবাদ দেখা গেছে। ইসলামাবাদে উপস্থিত ইরানি গণমাধ্যম তাসনিম নিউজের সংবাদদাতা ইরানের প্রতিনিধি দলের সূত্রের বরাত দিয়ে এ-ও জানিয়েছিলেন, আলোচনা রোববারও অব্যাহত থাকতে পারে।

রাত ফুরিয়ে দিনের আলো ফুটতে থাকলে সে আশাবাদ ফিকে হয়ে আসে। ভোরে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকা ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেন, ইরানিদের সঙ্গে আমাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। এটা ভালো দিক। কিন্তু খারাপ দিক হলো— আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।

পরে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই অবশ্য বলেছেন, এ আলোচনা থেকে কিছু অর্জনের প্রত্যাশাই ছিল না। তিনি বলেন, ‘৪০ দিনের একটি চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের পর এ আলোচনা হয়েছে একেবারেই অবিশ্বাস ও সন্দের বাতাবরণের মধ্যে। এটি স্বাভাবিক যে শুরুতেই একদিনের এমন একটি আলোচনা থেকে আমাদের কিছু প্রত্যাশা করার ছিল না।’

‘ইসলামাবাদ টকস’ ২ ইস্যুতে ‘ব্যর্থ’

ইরানের তাসনিম নিউজের খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রতিনিধি দলের অতিরিক্ত দাবির কারণেই এ আলোচনা ভেস্তে গেছে। ইসলামাবাদ থেকে তাসনিম নিউজের প্রতিনিধি বলেন, মার্কিন দলের অতিরিক্ত দাবি ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার কারণেই দুপক্ষ কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার কূটনৈতিক আলোচনায় ইরানের প্রতিনিধি দল দেশের জনগণের অধিকার রক্ষার প্রশ্নে অনড় অবস্থান নেয়। স্পিকার বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা রাজনৈতিক ও সামরিক বিভিন্ন ক্ষেত্র এবং শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তির বিষয়ে জনগণের মৌলিক অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত দাবিগুলো প্রতিহত করেন।

অন্যদিকে আলোচনার টেবিলে মার্কিন প্রতিনিধিরা এমন কিছু লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করেন, যা তারা ইরানের বিরুদ্ধে ৪০ দিনের যুদ্ধে অর্জন করতে পারেননি। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উঠে এসেছে হরমুজ প্রণালি ও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি।

শনিবার ভোরে ইসলামাবাদ পৌঁছায় ইরানের প্রতিনিধি দল, নেতৃত্বে ছিলেন দেশটির জাতীয় সংসদের স্পিকার বাঘের গালিবাফ। ছবি: সংগৃহীত
শনিবার ভোরে ইসলামাবাদ পৌঁছায় ইরানের প্রতিনিধি দল, নেতৃত্বে ছিলেন দেশটির জাতীয় সংসদের স্পিকার বাঘের গালিবাফ। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় ‘কিছু বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে’। তবে ‘গুরুত্বপূর্ণ দুই-তিনটি বিষয়ে’ এখনো দুই পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। হরমুজ প্রণালি ইস্যুটি এ আলোচনায় যুক্ত হয়ে ‘জটিলতা বাড়িয়েছে’ বলে সরাসরি উল্লেখ করেন তিনি।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ইরান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখার বিষয়ে অনড়। তারা নতুন ব্যবস্থাপনায় এই প্রণালিকে ঢেলে সাজাতে চায়, যার মধ্যে এই প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে টোল আদায় যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে জাহাজ চলাচলের জন্য তাদের অনুমতি নেওয়ার বিষয়টিও।

এই হরমুজ প্রণালি এবারের যুদ্ধের শুরু থেকেই ভোগাচ্ছে গোটা বিশ্বকে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা শুরুর পরপরই ইরান এই নৌ পথ কার্যত বন্ধ করে দেয়, যেটি কি না সমুদ্রপথে পরিবাহিত বৈশ্বিক জ্বালানির ২০ শতাংশ পরিবহন করে থাকে। ফলে রাতারাতি প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়, বেশির ভাগ দেশেই জ্বালানি সংকট দেখা দেয়।

ইরান এই হরমুজ প্রণালির একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ চাইলেও তা দিতে নারাজ যুক্তরাষ্ট্র। তারা বলছে, এই সমুদ্রপথ একক নিয়ন্ত্রণ হাতে পেলে ইরান বৈশ্বিক জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করে তোলার সক্ষমতা পেয়ে যাবে, যা ইরানকে স্বেচ্ছাচারী করে তুলবে। হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানও ছাড় না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত সমাধান আসেনি।

এদিকে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ দিনের বিরোধের মূলে রয়েছে পারমাণবিক কর্মসূচি। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাবিশ্বের অভিযোগ, ইরান পারমাণবিক কর্মসূচির মাধ্যমে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে। ফলে এই কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। অন্যদিকে ইরানের দাবি, তারা বেসামরিক ও শান্তিপূর্ণ কাজে পারমাণবিক কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে, যার অধিকার তাদের রয়েছে। তারা কোনোভাবেই এই কর্মসূচি ছাড়তে নারাজ।

উভয় পক্ষের বক্তব্য বিশ্লেষণ করে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পাদক নিক রবার্টসন মনে করেন, এটি স্পষ্ট হয়ে উঠে যে পারমাণবিক কর্মসূচিই দুই দেশের মধ্যে অচলাবস্থা কাটিয়ে উঠতে দেয়নি।

ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে মার্কিন প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদ পৌঁছায় শনিবার সকালে। ছবি: সংগৃহীত
ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে মার্কিন প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদ পৌঁছায় শনিবার সকালে। ছবি: সংগৃহীত

রবার্টসন বলেন, তেহরান বহু বছর ধরে বলে আসছে, তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, শুধু বেসামরিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পারমাণবিক কর্মসূচি চালাতে চায়। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় পশ্চিমা বিশ্বে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

‘এটিই গত বছরের ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতের অন্যতম কারণ ছিল। এখনো ইরান এই সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম ছাড়তে রাজি নয়। অন্যদিকে হোয়াইট হাউজ চায়— ইরান যেন দৃঢ়ভাবে নিশ্চয়তা দেয় যে তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না,’— বলেন নিক রবার্টসন।

তাসনিম নিউজ বলছে, ইরান আলোচনায় বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়ে একটি অভিন্ন কাঠামোর দিকে এগোনোর চেষ্টা করলেও মার্কিনিদের অতিরিক্ত দাবির কারণে তারা বাস্তবতা ও যুক্তির পথ থেকে সরে গেছে বলে জানিয়েছেন ইরানি কর্মকর্তারা। আর সে কারণেও আশা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে আলোচনা।

পরস্পরবিরোধী দাবি

‘ব্যর্থ’ আলোচনা শেষে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একে অন্যের দিকে সমঝোতায় না পৌঁছাতে পারার দায়ভার চাপানোর চেষ্টা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা যথেষ্ট উদারতার সঙ্গেই আলোচনা চালিয়ে গেছে, ইরান যাতে সাড়া দেয়নি। অন্যদিকে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, মার্কিনিদের আকাশচুম্বী চাহিদার কারণেই তারা এগোতে পারেনি সমঝোতার দিকে।

রোববার সকালে সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট শেষ বক্তব্যেও ইরানের কোর্টেই বল ছুড়ে দিয়ে বিদায় নিয়েছেন। ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা এখানে একটি খুব সহজ প্রস্তাব রেখে যাচ্ছি— এটাই আমাদের চূড়ান্ত ও সেরা প্রস্তাব। এখন দেখার বিষয় ইরান এটি গ্রহণ করে কি না।’

তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, হরমুজ প্রণালির মতো নতুন কিছু ইস্যু আলোচনায় যুক্ত হয়েছে, যা জটিলতা বাড়িয়েছে। তবে আলোচনার সাফল্য নির্ভর করছিল বিপরীত পক্ষের (যুক্তরাষ্ট্র) আন্তরিকতা ও সদিচ্ছা এবং ইরানের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ মেনে নেওয়ার ওপর। তাদের মাত্রাতিরিক্ত চাহিদা আলোচনা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

এখন কী ঘটবে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন দুই সপ্তাহের জন্য। সে হিসাবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে আগামী ২২ এপ্রিল পর্যন্ত। পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে তাদের মধ্যস্থতায় আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় পক্ষকেই ধন্যবাদ জানান। আলোচনায় সমঝোতা না হলেও যুদ্ধবিরতি সবাইকে মেনে চলতে আহ্বান জানান তিনি।

তবে যুদ্ধবিরতি কোনো পক্ষই মানবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিবিসির ওয়ার্ল্ড নিউজ করেসপন্ডেন্ট জো ইনউড লিখেছেন, ইরানের ওপর আবার হামলা শুরুর সম্ভাবনা অবশ্যই বেড়েছে। এবারের যুদ্ধে সবচেয়ে আলোচিত হরমুজ প্রণালি আলোচনার মাধ্যমে চালুর যে সম্ভাবনা, সেটি এখন আর বাস্তবসম্মত মনে হচ্ছে না।

ইনউড আরও লিখেছেন, এতদিন পারমাণবিক কর্মসূচির কেবল বেসামরিক ও শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের কথাই বলে আসছে ইরান। আট মাসের ব্যবধানে দুটি যুদ্ধ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে তাদের আরও অনড় করে তুলতে পারে, এমনকি পরমাণু অস্ত্রের দাবি তোলার ক্ষেত্রেও সাহসী করে তুলতে পারে।

সিএনএনের নিক রবার্টসন লিখেছেন, দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঠিক আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন— তিনি একটি সভ্যতা পুরোপুরি ধ্বংস করে দেবেন, ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উড়িয়ে দেবেন। এই হুমকি আবারও বাস্তবে রূপ নেবে কি না— তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার টেবিল থেকে সরে যাওয়ার পর ইরান কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি আর কতদিন অনিশ্চয়তার মধ্যে আটকে থাকবে— এই দুটি প্রশ্নের উত্তরের মধ্যেই ভবিষ্যতে কী ঘটবে তা নির্ধারিত হবে বলে মনে করছেন নিক রবার্টসন।

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

সমঝোতা ছাড়াই ফিরে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল

দীর্ঘ আলোচনার নানা ত্রুটি তুলে ধরে ভ্যান্স বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার শর্তসহ আমেরিকার দেওয়া শর্তগুলো মেনে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খারাপ খবর হলো, আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।

৪ ঘণ্টা আগে

ইরানকে অস্ত্র দিলে রক্ষা পাবে না চীন, হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

সিএনএন-এর প্রতিবেদনে চীনের পক্ষ থেকে ইরানকে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেওয়ার প্রস্তুতির খবর প্রকাশের পর ফ্লোরিডা যাত্রাকালে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প এই সতর্কবার্তা দেন।

৭ ঘণ্টা আগে

যুক্তরাষ্ট্রের শর্তে ইরানের অসম্মতি, হয়নি সমঝোতা

এক সংবাদ সম্মেলনে ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা আলোচনা করেছি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা হয়েছে—এটাই ভালো খবর। তবে খারাপ খবর হলো, আমরা এখনো কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।’

৭ ঘণ্টা আগে

ইসলামাবাদ টকস— প্রথম পর্বের বৈঠক শেষে লিখিত শর্ত বিনিময়

প্রথম দিনে ইসলামাবাদে দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা চলাকালে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্টে বলেন, ইরানের প্রতিনিধি দল জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ‘সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’ থাকবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তারা ‘সাহসিকতার সঙ্গে’ আলোচনা করবে এবং ফল যাই হোক, সরকার জনগণের পাশে থাকবে

১৪ ঘণ্টা আগে