
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় মঙ্গলবার ভোরে বিমান হামলা শুরু করেছে দখলদার ইসরাইল। ভয়াবহ এ হামলায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩৪২ জন। হামলায় আহত হয়েছেন বহু মানুষ। হতাহতদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু।
মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আল জাজিরাসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চলতি বছর হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পর গাজায় এটিই ইসরাইলের সবচেয়ে বড় হামলা। গাজার উত্তরাঞ্চল, গাজা সিটি এবং মধ্য ও দক্ষিণ গাজার দেইর আল-বালাহ, খান ইউনিস ও রাফাহসহ একাধিক স্থানে হামলার খবর পাওয়া গেছে।
বিমান হামলায় হামাস কমান্ডার এবং রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরাইল। যদিও ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে বেশিরভাগই বেসামরকি নাগরিক।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ মঙ্গলবার সকালে এ হামলার নির্দেশ দেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এখন থেকে ইসরাইল আরও বেশি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে হামাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালাবে। এছাড়া গাজায় স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিয়েছে এক সামরিক কর্মকর্তা। এদিকে, হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে পরামর্শ করেই গাজায় হামলা করেছে ইসরাইল।
২০২৩ সালের অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় গণহত্যা শুরু করে ইসরাইল। এ আগ্রাসনে ৫০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। আহতের সংখ্যা এক লাখ হাজার ছাড়িয়েছে।

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় মঙ্গলবার ভোরে বিমান হামলা শুরু করেছে দখলদার ইসরাইল। ভয়াবহ এ হামলায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩৪২ জন। হামলায় আহত হয়েছেন বহু মানুষ। হতাহতদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু।
মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আল জাজিরাসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চলতি বছর হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পর গাজায় এটিই ইসরাইলের সবচেয়ে বড় হামলা। গাজার উত্তরাঞ্চল, গাজা সিটি এবং মধ্য ও দক্ষিণ গাজার দেইর আল-বালাহ, খান ইউনিস ও রাফাহসহ একাধিক স্থানে হামলার খবর পাওয়া গেছে।
বিমান হামলায় হামাস কমান্ডার এবং রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরাইল। যদিও ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে বেশিরভাগই বেসামরকি নাগরিক।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ মঙ্গলবার সকালে এ হামলার নির্দেশ দেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এখন থেকে ইসরাইল আরও বেশি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে হামাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালাবে। এছাড়া গাজায় স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিয়েছে এক সামরিক কর্মকর্তা। এদিকে, হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে পরামর্শ করেই গাজায় হামলা করেছে ইসরাইল।
২০২৩ সালের অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় গণহত্যা শুরু করে ইসরাইল। এ আগ্রাসনে ৫০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। আহতের সংখ্যা এক লাখ হাজার ছাড়িয়েছে।

ইরান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি তিনি বলেন, যদি ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণ বন্ধ করা হয়, তবে আমাদের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীও তাদের প্রতিরোধমূলক অভিযান বন্ধ করবে।
৩ ঘণ্টা আগে
৩৯ দিন ধরে চলমান যুদ্ধে দুই সপ্তাহের জন্য বিরতি ঘোষণা করে ট্রাম্প বলেন, ইরান একটি ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে, যা আলোচনার জন্য “কার্যকর ভিত্তি” হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আমরা দুই সপ্তাহের জন্য থামছি। আশা করি, এই দুই সপ্তাহের মধ্যেই একটি চূড়ান্ত সমঝোতা সম্পন্ন হতে পারে।
৩ ঘণ্টা আগে
দুপক্ষের অনড় অবস্থানে বড় সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। শেষ পর্যন্ত কী ঘটবে— তা জানতে ট্রাম্পের দেওয়া আলটিমেটামের আর মাত্র ঘণ্টা ছয়েক আগে বিশ্বের সব এলাকা থেকেই নজরে রাখা হচ্ছে ইরানের দিকে।
৯ ঘণ্টা আগে
মূল প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলো প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতে পারবে। পরে সংশোধনীতে সদস্য দেশগুলোকে সরাসরি সামরিক শক্তি প্রয়োগের পরিবর্তে ‘সমন্বিত প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা’ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
১০ ঘণ্টা আগে