
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই)যুক্তরাজ্যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ৩৪ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। প্রধান কয়েকটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হওয়ার পাশাপাশি কেউ আবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও অংশ নিচ্ছেন। যুক্তরাজ্যে এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে মোট ৯৮টি ছোট-বড় রাজনৈতিক দল। পার্লামেন্টের মোট ৬৫০টি আসনের বিপরীতে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন চার হাজার ৫১৫ জন প্রার্থী।
এই নির্বাচনে লেবার পার্টি থেকে অংশ নিচ্ছেন মোট আটজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। তারা হলেন–রুশনারা আলী, রূপা হক, টিউলিপ সিদ্দিক, আফসানা বেগম, রুমি চৌধুরী, রুফিয়া আশরাফ, নূরুল হক আলী ও নাজমুল হোসাইন। এদের মধ্যে রুশনারা আলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড স্টেপনে নির্বাচনি এলাকা থেকে, রূপা হক ইয়েলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকশন থেকে, টিউলিপ সিদ্দিক হ্যাম্পস্টিড অ্যান্ড কিলবার্ন থেকে এবং আফসানা বেগম পপলার অ্যান্ড লাইমহাউস এলাকা থেকে। এরা চারজনই বর্তমান পার্লামেন্টের সদস্য এবং পুনরায় নির্বাচনে দাঁড়াতে মনোনয়ন পেয়েছেন।
এ ছাড়া লোবার পার্টি থেকে লড়ছেন–রুমি চৌধুরী উইথাম থেকে, রুফিয়া আশরাফ সাউথ নর্থ হ্যাম্পটনশায়ার থেকে, নুরুল হক আলী গর্ডন অ্যান্ড বুচান থেকে এবং নাজমুল হোসাইন ব্রিগ অ্যান্ড ইমিংহাম নির্বাচনি এলাকা থেকে।
ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি থেকে দুজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন–আতিক রহমান ও সৈয়দ সাইদুজ্জামান। এদের মধ্যে আতিক রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নর্থ লন্ডনের টটেনহাম থেকে এবং সৈয়দ সাইদুজ্জামান ইলফোর্ড সাউথ থেকে।
ছয়জন বাংলাদেশি-ব্রিটিশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ওয়ার্কাস পার্টি থেকে। তারা হলেন–গোলাম টিপু (ইলফোর্ড সাউথ), প্রিন্স সাদিক চৌধুরী (বেডফোর্ড), মোহাম্মদ সাহেদ হোসেন (হাকনি সাউথ), ফয়সাল কবির (অলট্রিনচাম অ্যান্ড সেল), মোহাম্মদ বিলাল (ম্যানচেস্টার রুশোলম) ও হালিমা খান (স্টার্টফোর্ড অ্যান্ড বো)।
গ্রিন পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন–সাঈদ সিদ্দিকি (ইলফোর্ড সাউথ), সাঈদ শামসুজ্জামান শামস (ওল্ডহাম ওয়েস্ট অ্যান্ড রয়টন) ও শারমিন রহমান (লিচেস্টার সাউথ)।
যুক্তরাজ্যর পার্লামেন্ট নির্বাচনে রিফর্ম পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাজ ফরহাদ (ইলফোর্ড সাউথ), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে রাবিনা খান (বেথনাল গ্রিন অ্যাণ্ড বো), স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি থেকে নাজ আনিস মিয়া (ডানফার্মার লাইন অ্যাণ্ড ডলার) এবং সোশালিস্ট পার্টি থেকে মুমতাজ খানম (ফক্সটোন) নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
এ ছাড়া ১১ জন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন। তারা হলেন–ওয়াইস ইসলাম (হলবর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস), আজমল মনসুর, সুমন আহমেদ ও সাম উদ্দিন (বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড স্টেপনে), এহতেশামুল হক (পপলার অ্যান্ড লাইম হাউস), ওমর ফারুক ও নিজাম আলী (স্ট্রাটফোর্ড অ্যান্ড বো), নূরজাহান বেগম (ইলফোর্ড সাউথ), হাবিব রহমান (নিউক্যাসল সেন্ট্রাল ওয়েস্ট), আবুল কালাম আজাদ (বেক্সহিল অ্যান্ড ব্যাটল) ও রাজা মিয়া (ওল্ডহাম ওয়েস্ট, চেদারটন অ্যান্ড রয়টন)।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই)যুক্তরাজ্যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ৩৪ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। প্রধান কয়েকটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হওয়ার পাশাপাশি কেউ আবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও অংশ নিচ্ছেন। যুক্তরাজ্যে এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে মোট ৯৮টি ছোট-বড় রাজনৈতিক দল। পার্লামেন্টের মোট ৬৫০টি আসনের বিপরীতে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন চার হাজার ৫১৫ জন প্রার্থী।
এই নির্বাচনে লেবার পার্টি থেকে অংশ নিচ্ছেন মোট আটজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। তারা হলেন–রুশনারা আলী, রূপা হক, টিউলিপ সিদ্দিক, আফসানা বেগম, রুমি চৌধুরী, রুফিয়া আশরাফ, নূরুল হক আলী ও নাজমুল হোসাইন। এদের মধ্যে রুশনারা আলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড স্টেপনে নির্বাচনি এলাকা থেকে, রূপা হক ইয়েলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকশন থেকে, টিউলিপ সিদ্দিক হ্যাম্পস্টিড অ্যান্ড কিলবার্ন থেকে এবং আফসানা বেগম পপলার অ্যান্ড লাইমহাউস এলাকা থেকে। এরা চারজনই বর্তমান পার্লামেন্টের সদস্য এবং পুনরায় নির্বাচনে দাঁড়াতে মনোনয়ন পেয়েছেন।
এ ছাড়া লোবার পার্টি থেকে লড়ছেন–রুমি চৌধুরী উইথাম থেকে, রুফিয়া আশরাফ সাউথ নর্থ হ্যাম্পটনশায়ার থেকে, নুরুল হক আলী গর্ডন অ্যান্ড বুচান থেকে এবং নাজমুল হোসাইন ব্রিগ অ্যান্ড ইমিংহাম নির্বাচনি এলাকা থেকে।
ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি থেকে দুজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন–আতিক রহমান ও সৈয়দ সাইদুজ্জামান। এদের মধ্যে আতিক রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নর্থ লন্ডনের টটেনহাম থেকে এবং সৈয়দ সাইদুজ্জামান ইলফোর্ড সাউথ থেকে।
ছয়জন বাংলাদেশি-ব্রিটিশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ওয়ার্কাস পার্টি থেকে। তারা হলেন–গোলাম টিপু (ইলফোর্ড সাউথ), প্রিন্স সাদিক চৌধুরী (বেডফোর্ড), মোহাম্মদ সাহেদ হোসেন (হাকনি সাউথ), ফয়সাল কবির (অলট্রিনচাম অ্যান্ড সেল), মোহাম্মদ বিলাল (ম্যানচেস্টার রুশোলম) ও হালিমা খান (স্টার্টফোর্ড অ্যান্ড বো)।
গ্রিন পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন–সাঈদ সিদ্দিকি (ইলফোর্ড সাউথ), সাঈদ শামসুজ্জামান শামস (ওল্ডহাম ওয়েস্ট অ্যান্ড রয়টন) ও শারমিন রহমান (লিচেস্টার সাউথ)।
যুক্তরাজ্যর পার্লামেন্ট নির্বাচনে রিফর্ম পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাজ ফরহাদ (ইলফোর্ড সাউথ), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে রাবিনা খান (বেথনাল গ্রিন অ্যাণ্ড বো), স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি থেকে নাজ আনিস মিয়া (ডানফার্মার লাইন অ্যাণ্ড ডলার) এবং সোশালিস্ট পার্টি থেকে মুমতাজ খানম (ফক্সটোন) নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
এ ছাড়া ১১ জন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন। তারা হলেন–ওয়াইস ইসলাম (হলবর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস), আজমল মনসুর, সুমন আহমেদ ও সাম উদ্দিন (বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড স্টেপনে), এহতেশামুল হক (পপলার অ্যান্ড লাইম হাউস), ওমর ফারুক ও নিজাম আলী (স্ট্রাটফোর্ড অ্যান্ড বো), নূরজাহান বেগম (ইলফোর্ড সাউথ), হাবিব রহমান (নিউক্যাসল সেন্ট্রাল ওয়েস্ট), আবুল কালাম আজাদ (বেক্সহিল অ্যান্ড ব্যাটল) ও রাজা মিয়া (ওল্ডহাম ওয়েস্ট, চেদারটন অ্যান্ড রয়টন)।

ইরানের সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টারের প্রধান আলি আবদুল্লাহি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের অবরোধ অব্যাহত রাখে এবং ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেল ট্যাংকারের জন্য নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে, তবে তা হবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের মতোই।
১২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইরান। আর এসব হামলা চালানোর আগে চীনা স্যাটেলাইট থেকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করেছে দেশটি।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সরকারের এ সিদ্ধান্তকে ‘এন এক্ট অব জাস্টিজ’ তথা ন্যায়বিচার ও স্পেনের জন্য দরকারি বলে মন্তব্য করেছেন। এই উদ্যোগের আওতায় অনথিভুক্ত অভিবাসীদের এক বছরের জন্য নবায়নযোগ্য বসবাসের অনুমতি দেওয়া হবে, যা পরবর্তীতে স্থায়ী ব্যবস্থায় রূপ নিতে পারে।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ানোর পক্ষপাতী নন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প; বরং তিনি মনে করেন সংকট সমাধানে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর চেয়ে জরুরি হলো সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর।
১৫ ঘণ্টা আগে