
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সাথে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করে আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটি থেকে বেরিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র।
দীর্ঘ এক বছরের প্রক্রিয়া শেষে গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) মার্কিন স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ এবং পররাষ্ট্র দপ্তর এই চূড়ান্ত প্রস্থানের ঘোষণা দেয়।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের ভিত্তিতে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে অভিযোগ করা হয়েছে, ডব্লিউএইচও তার মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। এখন থেকে বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য রক্ষায় কোনো একক সংস্থার ওপর নির্ভর না করে নিজস্ব দ্বিপক্ষীয় কাঠামোর মাধ্যমে কার্যক্রম চালানোর ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন।
এইচএইচএসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের মতে ডব্লিউএইচও তার মূল লক্ষ্য থেকে সরে গেছে। সংস্থাটি সংস্কার ও জবাবদিহিতার মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করে তারা।
কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় ডব্লিউএইচওর ভূমিকা নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা রয়েছে। ওই কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, কোভিড-১৯-কে বৈশ্বিক স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা দিতে দেরি করেছে সংস্থাটি। পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করেছে ডব্লিউএইচও।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, চীনসহ অন্যান্য দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউএইচওতে বেশি অনুদান দিয়ে আসছে। অথচ সংস্থাটির ইতিহাসে কখনো কোনো মার্কিন নাগরিক মহাপরিচালক হননি বলেও উল্লেখ করেন ওই কর্মকর্তা।
নিয়ম অনুযায়ী, ডব্লিউএইচও ছাড়তে হলে এক বছর আগে সংস্থাকে জানাতে হয়। সেই অনুযায়ী গত বছর নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের পর যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ডব্লিউএইচওকে বিষয়টি জানায়।
ডব্লিউএইচওর তথ্যমতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত ১৩৩ মিলিয়ন ডলারের বেশি অনুদান এখনো বকেয়া রয়েছে। তবে এইচএইচএসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ডব্লিউএইচওর সংবিধান অনুযায়ী এই অর্থ পরিশোধে যুক্তরাষ্ট্র আইনগতভাবে বাধ্য নয় বলে মনে করে ট্রাম্প প্রশাসন।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ডব্লিউএইচওর বাইরে থেকেও যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য কার্যক্রমে ভূমিকা রাখবে।
এইচএইচএসের এক কর্মকর্তা জানান, বিশ্বের ৬৩টি দেশে তাদের দুই হাজারের বেশি কর্মী কাজ করছেন। শতাধিক দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় স্বাস্থ্য সহযোগিতা চুক্তি রয়েছে। রোগ পর্যবেক্ষণ, রোগনির্ণয় এবং প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে ডব্লিউএইচওর এক মুখপাত্র বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে আগামী ফেব্রুয়ারির শুরুতে সংস্থাটির নির্বাহী বোর্ডের বৈঠকে আলোচনা হবে। পরিচালনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সাথে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করে আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটি থেকে বেরিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র।
দীর্ঘ এক বছরের প্রক্রিয়া শেষে গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) মার্কিন স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ এবং পররাষ্ট্র দপ্তর এই চূড়ান্ত প্রস্থানের ঘোষণা দেয়।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের ভিত্তিতে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে অভিযোগ করা হয়েছে, ডব্লিউএইচও তার মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। এখন থেকে বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য রক্ষায় কোনো একক সংস্থার ওপর নির্ভর না করে নিজস্ব দ্বিপক্ষীয় কাঠামোর মাধ্যমে কার্যক্রম চালানোর ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন।
এইচএইচএসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের মতে ডব্লিউএইচও তার মূল লক্ষ্য থেকে সরে গেছে। সংস্থাটি সংস্কার ও জবাবদিহিতার মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করে তারা।
কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় ডব্লিউএইচওর ভূমিকা নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা রয়েছে। ওই কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, কোভিড-১৯-কে বৈশ্বিক স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা দিতে দেরি করেছে সংস্থাটি। পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করেছে ডব্লিউএইচও।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, চীনসহ অন্যান্য দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউএইচওতে বেশি অনুদান দিয়ে আসছে। অথচ সংস্থাটির ইতিহাসে কখনো কোনো মার্কিন নাগরিক মহাপরিচালক হননি বলেও উল্লেখ করেন ওই কর্মকর্তা।
নিয়ম অনুযায়ী, ডব্লিউএইচও ছাড়তে হলে এক বছর আগে সংস্থাকে জানাতে হয়। সেই অনুযায়ী গত বছর নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের পর যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ডব্লিউএইচওকে বিষয়টি জানায়।
ডব্লিউএইচওর তথ্যমতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত ১৩৩ মিলিয়ন ডলারের বেশি অনুদান এখনো বকেয়া রয়েছে। তবে এইচএইচএসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ডব্লিউএইচওর সংবিধান অনুযায়ী এই অর্থ পরিশোধে যুক্তরাষ্ট্র আইনগতভাবে বাধ্য নয় বলে মনে করে ট্রাম্প প্রশাসন।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ডব্লিউএইচওর বাইরে থেকেও যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য কার্যক্রমে ভূমিকা রাখবে।
এইচএইচএসের এক কর্মকর্তা জানান, বিশ্বের ৬৩টি দেশে তাদের দুই হাজারের বেশি কর্মী কাজ করছেন। শতাধিক দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় স্বাস্থ্য সহযোগিতা চুক্তি রয়েছে। রোগ পর্যবেক্ষণ, রোগনির্ণয় এবং প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে ডব্লিউএইচওর এক মুখপাত্র বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে আগামী ফেব্রুয়ারির শুরুতে সংস্থাটির নির্বাহী বোর্ডের বৈঠকে আলোচনা হবে। পরিচালনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

একই কথা উল্লেখ করে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন বলেন, ‘শুরুর দিকের তুলনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রায় ৯০ শতাংশ কমে গেছে এবং অভিযান শুরুর পর থেকে একমুখী ড্রোন হামলার হার ৮৩ শতাংশ কমেছে।’
১৫ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে জ্বালানি সাশ্রয় ও দামের অস্থিরতা সামাল দিতে হোম অফিস পদ্ধতি চালুর নির্দেশ দিয়েছে থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম। দেশ দুটির সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মঙ্গলবার বাসা থেকে অফিস করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আল-সুদানি ফোনালাপে জোর দিয়ে বলেন, ইরাকের আকাশসীমা, ভূখণ্ড ও জলসীমা যেন কোনো প্রতিবেশী দেশ বা আঞ্চলিক লক্ষ্যবস্তুতে সামরিক হামলার জন্য ব্যবহার করা না হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে
ইরানের হরমুজ প্রণালি নিজেদের দখলে নেওয়ার ‘চিন্তাভাবনা’ করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
২০ ঘণ্টা আগে