গাজা যুদ্ধে ৬১ ইসরায়েলি সেনার আত্মহত্যা

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৩: ৩৯
ছবি: সংগৃহীত

গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধের প্রভাবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) সদস্যদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৬১ জন ইসরায়েলি সেনা নিজের প্রাণ কেড়ে নিয়েছেন বলে দেশটির প্রভাবশালী সংবাদপত্র ‘হারেৎজ’ খবর প্রকাশ করেছে।

সবশেষ গত মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) উত্তর ইসরায়েলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে কর্মরত এক সক্রিয় সেনা সদস্যের আত্মহত্যার মধ্য দিয়ে এই সংখ্যাটি আরও দীর্ঘ হলো।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, সর্বশেষ প্রাণ হারানো ওই সেনা একজন ‘ট্র্যাকার’ হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। নিজের ওপর গুলি চালিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।

ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটের গবেষণা শাখার তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের ভয়াবহতা ও দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপের কারণে সেনাদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা ও চেষ্টা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এখন দেশটির সামরিক প্রশাসনের জন্য এক নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চলতি বছরের ২৮ অক্টোবর ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের গবেষণা ও তথ্যকেন্দ্রের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০২৪ সালের শুরু থেকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত ইসরায়েলের ২৭৯ জন সেনাসদস্য আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। এ তথ্য অনুযায়ী প্রতি সাতজনের চেষ্টার বিপরীতে একজন সেনা আত্মহত্যা করেছেন।

Ad
Ad
ad
ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

ইরাক থেকে ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ

শুক্রবার ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী জানিয়েছে, তারা কৌশলগত উপকূলীয় শহর মোকায় হুথি যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এর এক দিন আগে হুথিরা লোহিত সাগরের পুরো উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছিল।

১৬ ঘণ্টা আগে

সৌদির সামরিক ঘাঁটিতে হুথিদের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সংগঠনটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, সৌদি আরবের শারুরাহ সামরিক ঘাঁটিটি ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। সেখানে থাকা প্রধান অস্ত্রের গুদাম এবং ‘কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার’ লক্ষ্য করে এই হামলা পরিচালিত হয়।

১৮ ঘণ্টা আগে

ইরান যুদ্ধের পরিণতি কি আফগানিস্তান-ইরাকের মতো হবে?

ইরানের ক্ষেত্রে ঝুঁকিটা আরও বড়। কারণ এটি ইরাক বা আফগানিস্তানের মতো দুর্বল রাষ্ট্র নয়। প্রায় ৯ কোটি মানুষের দেশটির রয়েছে শক্তিশালী সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো, বিশাল ভূখণ্ড, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা, দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক এবং নিজস্ব জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক পরিচয়। ফলে তেহরানে সরকার পতন ঘটানো গেলেও

১৯ ঘণ্টা আগে

ব্রিকসে ইরান-আমিরাত বরফ গলার আভাস

ভারতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক রাষ্ট্রদূত সুনজয় সুধীর রয়টার্সকে বলেন, যুদ্ধ শেষ করার চাবিকাঠি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হাতে। তার মতে, ভারত কঠিন আলোচনাগুলো চালু রাখার সুযোগ তৈরি করেছে, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো একই টেবিলে বসতে পারে, কূটনৈতিকভাবে আলোচনা করতে পারে এবং যেসব বিষয়ে তাদের স্বার্থের মিল রয়েছ

১ দিন আগে
Advertisement