
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সুদানের পশ্চিমাঞ্চলের মাররা পর্বতমালায় ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত এক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। বিদ্রোহী সংগঠন সুদান লিবারেশন মুভমেন্ট/আর্মি জানিয়েছে, টানা কয়েকদিনের প্রবল বৃষ্টির পর ৩১ আগস্ট এ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে তারাসিন গ্রাম প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। সংগঠনটির দাবি, ওই গ্রামের কেবল একজন জীবিত বেঁচে আছেন।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি জাতিসংঘসহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে জরুরি মানবিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়, উত্তর দারফুর প্রদেশ থেকে বহু মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে এসে মাররা অঞ্চলে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের মধ্যে চলমান সংঘর্ষ তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য করেছিল।
২০২৩ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া এ গৃহযুদ্ধ দেশটিকে দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দিয়েছে। বিশেষ করে দারফুর অঞ্চলে গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে। মার্কিন এক কর্মকর্তার হিসেবে, সংঘাত শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড় লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন এবং প্রায় এক কোটি ২০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
যে এলাকায় ভূমিধস ঘটেছে সেটি সুদান লিবারেশন মুভমেন্ট/আর্মির নিয়ন্ত্রণে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির কিছু অংশ ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিলে আরএসএফের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অঙ্গীকার করেছে।
অনেক দারফুরি বাসিন্দার অভিযোগ, আরএসএফ ও তাদের মিত্ররা জাতিগতভাবে বৈচিত্র্যময় দারফুরকে আরব শাসিত অঞ্চলে রূপান্তর করতে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।

সুদানের পশ্চিমাঞ্চলের মাররা পর্বতমালায় ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত এক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। বিদ্রোহী সংগঠন সুদান লিবারেশন মুভমেন্ট/আর্মি জানিয়েছে, টানা কয়েকদিনের প্রবল বৃষ্টির পর ৩১ আগস্ট এ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে তারাসিন গ্রাম প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। সংগঠনটির দাবি, ওই গ্রামের কেবল একজন জীবিত বেঁচে আছেন।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি জাতিসংঘসহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে জরুরি মানবিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়, উত্তর দারফুর প্রদেশ থেকে বহু মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে এসে মাররা অঞ্চলে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের মধ্যে চলমান সংঘর্ষ তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য করেছিল।
২০২৩ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া এ গৃহযুদ্ধ দেশটিকে দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দিয়েছে। বিশেষ করে দারফুর অঞ্চলে গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে। মার্কিন এক কর্মকর্তার হিসেবে, সংঘাত শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড় লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন এবং প্রায় এক কোটি ২০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
যে এলাকায় ভূমিধস ঘটেছে সেটি সুদান লিবারেশন মুভমেন্ট/আর্মির নিয়ন্ত্রণে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির কিছু অংশ ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিলে আরএসএফের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অঙ্গীকার করেছে।
অনেক দারফুরি বাসিন্দার অভিযোগ, আরএসএফ ও তাদের মিত্ররা জাতিগতভাবে বৈচিত্র্যময় দারফুরকে আরব শাসিত অঞ্চলে রূপান্তর করতে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন হরমুজ প্রণালিতে থাকা অকার্যকর মাইন বসানো দশটি ইরানি নৌযানে মার্কিন বাহিনী হামলা করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানায়, এই হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরাইলের বিভিন্ন শহর, যার মধ্যে তেল আবিব ও হাইফা রয়েছে। এছাড়া ‘পশ্চিম জেরুজালেম’ এলাকাও লক্ষ্যবস্তু করা হয়—এটি বিতর্কিত জেরুজালেম শহরের সেই এলাকা যা বর্তমানে পুরোপুরি ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, এ কারণে আমাদের বিশেষ বাজেটের প্রয়োজন। কয়েক বিলিয়ন শেকেল (ইসরায়েলি মুদ্রা) লাগবে প্রতিরক্ষা বাজেটের জন্য এই যুদ্ধের জন্য।
৮ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) জেরুজালেম পোস্ট এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়া নিয়ে ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ভিত্তিহীন। এর পক্ষে কোনো প্রমাণ বা সরকারি নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
১৭ ঘণ্টা আগে